|
| |
সোমবার, ০২ নভেম্বর, ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বত্ব © ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

সর্বশেষঃ

এলডিসি উত্তরণে ৪ খাতে সংস্কারের তাগিদ সিপিডির

গণমাধ্যম ডেক্স

গণমাধ্যম ডেক্স

প্রকাশ : ০১ নভেম্বর, ২০২৬, ০৪:৩৬ পিএম
২৭৩ পঠিত
এলডিসি উত্তরণে ৪ খাতে সংস্কারের তাগিদ সিপিডির
যুক্ত থাকুন
সর্বশেষ খবরের জন্য ফলো করুন:
স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে বাংলাদেশের উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে ৪ খাতের সংস্কারে জোর দিয়েছেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) ফেলো দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য। এলডিসি থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের সময়সীমা পিছিয়ে দিতে জাতিসংঘ যে ব্যতিক্রমী সুযোগ দিয়েছে, সেই অতিরিক্ত সময় কাজে লাগিয়ে এসব সংস্কার করতে...
স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে বাংলাদেশের উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে ৪ খাতের সংস্কারে জোর দিয়েছেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) ফেলো দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য। এলডিসি থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের সময়সীমা পিছিয়ে দিতে জাতিসংঘ যে ব্যতিক্রমী সুযোগ দিয়েছে, সেই অতিরিক্ত সময় কাজে লাগিয়ে এসব সংস্কার করতে হবে বলে মনে করেন তিনি। রোববার (১ নভেম্বর) সিপিডি কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, ‘বাংলাদেশের জন্য সংস্কারই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সংস্কার সম্পন্ন না হলে দেশের বিশ্বাসযোগ্যতা প্রশ্নের মুখে পড়বে। সরকারি আর্থিক ব্যবস্থাপনা, জ্বালানি, সামাজিক সুরক্ষা ও সরবরাহব্যবস্থা, এই ৪ খাতের সংস্কার করতে হবে। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ গত ২৯ অক্টোবর বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি পর্ব আরও তিন বছর বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়। ফলে ২০২৬ সালের ২৪ নভেম্বরের পরিবর্তে ২০২৯ সালের ২৪ নভেম্বর বাংলাদেশ এলডিসি থেকে উত্তরণ করবে। দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, ‘এসব খাতে সংস্কার হলে তৈরি পোশাকের (আরএমজি) বাইরে রপ্তানি বহুমুখীকরণ সম্ভব হবে। পাশাপাশি উৎপাদনশীলতা ও প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়বে।’ তিনি বলেন, ‘এই ৪ খাতে সংস্কার কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে বাংলাদেশের অর্থনীতি এলডিসি থেকে মসৃণ ও টেকসই ও অপরিবর্তনীয়ভাবে উত্তরণের জন্য প্রস্তুত হবে। বাংলাদেশকে উত্তরণের জন্য আরও তিন বছর সময় দেওয়ার সিদ্ধান্ত জাতিসংঘের ব্যতিক্রমী পদক্ষেপ।’ এলডিসি উত্তরণের ক্ষেত্রে অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নেওয়ার আহ্বান জানান সিপিডির এই ফেলো। তিনি বলেন, ‘ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি যেন না হয়’ আগামী তিন বছরকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ ব্যতিক্রমী সাফল্য দেখাবে, এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ‘আমরা আগামী তিন বছর এই ভরসা করতে চাই। এর সঙ্গে জনমানুষের স্বার্থ যেমন যুক্ত, তেমনি রাজনৈতিক নেতৃত্বেরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। রাজনৈতিক নেতৃত্বকে বিষয়টির গুরুত্ব অনুধাবন করতে হবে এবং প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নিতে হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘এটা শুধু কারিগরি সিদ্ধান্ত নয়, শুধু প্রশাসনিকও নয়, এটা শুধু জনমানুষের ব্যাপারও নয়। আমাদের রাজনৈতিক নেতৃত্বকে এই পর্যায়ে নিতে হবে যে এটা তারা অনুধাবন করেন।’

সূত্র: নতুন আরএসএস সোর্স