|
| |
বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর, ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বত্ব © ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

সর্বশেষঃ

ফরিদপুরে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার

গণমাধ্যম ডেক্স

গণমাধ্যম ডেক্স

প্রকাশ : ০৫ নভেম্বর, ২০২৬, ০৮:১১ এএম
৩৬২ পঠিত
ফরিদপুরে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার
যুক্ত থাকুন
সর্বশেষ খবরের জন্য ফলো করুন:
ফরিদপুরে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ৩ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। অভিযানে রূপগঞ্জ থেকে ডাকাতি হওয়া একটি ১৫০ সিসি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়। চক্রটির বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি, অস্ত্র ও বিস্ফোরকসহ অন্তত ১৬টি মামলা রয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে। বুধবার...

ফরিদপুরে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ৩ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। অভিযানে রূপগঞ্জ থেকে ডাকাতি হওয়া একটি ১৫০ সিসি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়। চক্রটির বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি, অস্ত্র ও বিস্ফোরকসহ অন্তত ১৬টি মামলা রয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।

বুধবার (৪ নভেম্বর) ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন ফরিদপুরের পুলিশ সুপার মো. শাহারিয়ার মোহাম্মদ মিয়াজী। 

গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরের নান্দাহা গ্রামের বাসিন্দা মো. লিমন মিয়া (৩৪), কান্দাপাড়া গ্রামের মো. সাখাওয়াত মুন্সি ওরফে সাকা (৩৬) এবং খুলনার লবণচরা এলাকার বাসিন্দা মো. ইমদাদুল হক ওরফে জাহাঙ্গীর (৫৫)। জাহাঙ্গীর বর্তমানে ফরিদপুর শহরের রঘুনন্দনপুর এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন।

ডিবির অভিযান সূত্রে জানা যায়, নতুন ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক ভাড়া নেওয়ার কথা বলে নিজেদের ডিবি পুলিশ পরিচয় দিয়ে ছিনতাইয়ের একটি ঘটনার সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে অনুসন্ধানে নামে পুলিশ। প্রথমে মুকসুদপুর এলাকা থেকে লিমন ও তার সহযোগী সাখাওয়াতকে গ্রেপ্তার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে লিমন জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে ডিবি পুলিশের ভুয়া পরিচয় ও বিভিন্ন প্রতারণার মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ইজিবাইক চুরি ও ছিনতাই করে আসছিলেন। এসব ইজিবাইক মুকসুদপুরের মন্টু মিয়ার কাছে বিক্রি করা হতো। ডিবির সিডিএমএস তথ্যভাণ্ডার যাচাই করে লিমনের বিরুদ্ধে চুরি, ছিনতাই, অস্ত্র ও মাদকসংক্রান্ত অন্তত ১১টি মামলার সন্ধান পাওয়া গেছে।

লিমনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পরবর্তীতে ফরিদপুর শহরের রঘুনন্দনপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ইমদাদুল হক ওরফে জাহাঙ্গীরকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার হেফাজত থেকে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ এলাকা থেকে ডাকাতি হওয়া ইয়ামাহা মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করা হয়। রূপগঞ্জে নগদ ২৪ লাখ টাকাসহ প্রায় ৬৪ লাখ টাকার মালামাল লুটের ঘটনায় তিনি ও তার চক্রের সদস্যরা জড়িত ছিলেন বলে পুলিশ জানায়।

জাহাঙ্গীর এসব চোরাই ও ডাকাতি হওয়া মোটরসাইকেল ফরিদপুরসহ পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোতে বিক্রি করে আসছিলেন। তার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক আইনসহ অন্তত পাঁচটি মামলা রয়েছে।

পুলিশ সুপার মো. শাহারিয়ার মোহাম্মদ মিয়াজী বলেন, এই চক্রটির সঙ্গে একটি বড় ধরনের অপরাধী নেটওয়ার্ক যুক্ত রয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের আদালতে পাঠিয়ে অধিকতর তদন্ত ও বাকি সদস্যদের গ্রেপ্তারের পাশাপাশি লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধারে রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছে। 

সূত্র: নতুন আরএসএস সোর্স