|
| |
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর, ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বত্ব © ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

সর্বশেষঃ

সাবেক স্বামীর চাপাতির কোপে গুরুতর আহত নারী

গণমাধ্যম ডেক্স

গণমাধ্যম ডেক্স

প্রকাশ : ০৩ নভেম্বর, ২০২৬, ১২:৩৩ পিএম
৩২৭ পঠিত
সাবেক স্বামীর চাপাতির কোপে গুরুতর আহত নারী
যুক্ত থাকুন
সর্বশেষ খবরের জন্য ফলো করুন:
শরীয়তপুরে কল্পনা আক্তার (২৬) নামে এক নারীকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে তার সাবেক স্বামী কালু তালুকদারের বিরুদ্ধে। সোমবার (২ নভেম্বর) রাত ৯টার দিকে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের সামনে এ ঘটনা ঘটে। আহত কল্পনা আক্তার শরীয়তপুর পৌরসভার চর পালং এলাকার কাদির তালুকদার ও বিলকিস বেগমের মেয়ে। গু...
শরীয়তপুরে কল্পনা আক্তার (২৬) নামে এক নারীকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে তার সাবেক স্বামী কালু তালুকদারের বিরুদ্ধে। সোমবার (২ নভেম্বর) রাত ৯টার দিকে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের সামনে এ ঘটনা ঘটে। আহত কল্পনা আক্তার শরীয়তপুর পৌরসভার চর পালং এলাকার কাদির তালুকদার ও বিলকিস বেগমের মেয়ে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর আগে সদর উপজেলার আঙ্গারিয়া গুচ্ছগ্রামের কালু তালুকদারের সঙ্গে কল্পনা আক্তারের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে পারিবারিক বিরোধ চলছিল। প্রায় ছয় মাস আগে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়। তবে বিচ্ছেদের পরও থাকার জায়গা না থাকায় সন্তানকে নিয়ে সাবেক স্বামীর বাড়িতেই থাকতেন কল্পনা। সম্প্রতি তাকে বাড়ি থেকে চলে যেতে বলেন কালু তালুকদার। এ নিয়ে তাদের মধ্যে ফের বিরোধ দেখা দেয়। এর জের ধরে সোমবার রাতে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের সামনে কল্পনাকে একা পেয়ে কালু তালুকদার চাপাতি দিয়ে তার ঘাড়, কোমর ও পিঠসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে কোপ দেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়। ঘটনার পর স্থানীয়রা কালু তালুকদারকে আটক করে গণধোলাই দিয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন। কল্পনার বড় বোন নার্গিস বেগম বলেন, আমার বোনের সঙ্গে কালু তালুকদারের প্রায় ছয় মাস আগে ডিভোর্স হয়ে গেছে। এরপর থেকে তিনি বিভিন্ন সময় আমার বোনকে আবার সংসার করার জন্য চাপ দিয়ে আসছিলেন। কিন্তু আমার বোন এতে রাজি না হওয়ায় তার ওপর ক্ষুব্ধ ছিলেন কালু। সোমবার রাতে আমার বোন হাসপাতালে আসলে তাকে একা পেয়ে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেন। আমার বোন এখন মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছে। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই। এ ঘটনায় কালু তালুকদারকে আটকের পর তার পরিবারের কারও সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহ আলম বলেন, তাদের পারিবারিক ঝামেলা অনেক দিন ধরেই চলে আসছে। থাকার জায়গা না থাকায় বিচ্ছেদের পরও ওই নারী সাবেক স্বামীর বাড়িতে থাকতেন। এ নিয়ে সোমবার হাসপাতালের সামনে তাকে ছুরিকাঘাত করেন কালু তালুকদার। ঘটনার পর আমরা তাকে আটক করেছি। অভিযোগ সাপেক্ষে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সূত্র: নতুন আরএসএস সোর্স