প্রিন্ট এর তারিখঃ ০৫ নভেম্বর, ২০২৬, ০১:৩২ পিএম || প্রকাশের তারিখঃ ০৪ নভেম্বর, ২০২৬, ০৮:৪৩ এএম
সিনেটের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিতে হলে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস থাকা ছয়টি আসনের মধ্যে অন্তত তিনটিতে জিততে হবে ডেমোক্র্যাটদের।
সিনেটে মোট ১০০টি আসন রয়েছে, অর্থাৎ এককভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের জন্য যেকোনো দলের ৫১টি আসন প্রয়োজন। মঙ্গলবার ভোট হচ্ছে ৩৫টি আসনে।
বর্তমানে ডেমোক্র্যাটদের ৪৫টি এবং রিপাবলিকানদের ৫৩টি আসন রয়েছে। বাকি মধ্যে দুটি আসন স্বতন্ত্র। যে ৬৫টি আসনে ভোট হবে না, তার মধ্যে ডেমোক্র্যাটদের আছে ৩৪টি, রিপাবলিকানদের ৩১টি।
নির্বাচন বিশ্লেষক সংস্থা ‘কুক পলিটিক্যাল রিপোর্টের’ মতে, সিনেটের ছয়টি আসনে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে। এগুলো হলো— আলাস্কা, ক্যানসাস, আইওভা, মেইন, ওহাইও ও টেক্সাস।
মিশিগানকেও হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আসন হিসেবে ধরা হয়েছিল, তবে মঙ্গলবার বিকালের হিসাব অনুযায়ী আসনটি এখন ‘ডেমোক্র্যাটদের দিকে ঝুঁকে আছে বলে ধরা হচ্ছে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভোট গণনা শুরুর পর কয়েকটি আসনে জয় পেয়েছে ডেমোক্র্যাটরা। কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ কার হাতে যাবে, তা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ এই নির্বাচনে প্রতিনিধি পরিষদের সব আসন এবং সিনেটের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ আসনে ভোট হচ্ছে।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কিছু অঙ্গরাজ্যে ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর প্রাথমিক ফল আসতে শুরু করেছে। প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে ডেমোক্র্যাটদের যথাক্রমে অন্তত তিনটি ও চারটি আসন নিজেদের দখলে নিতে হবে।
জরিপ ও নির্দলীয় বিশ্লেষকদের ধারণা, প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ রিপাবলিকানদের কাছ থেকে ডেমোক্র্যাটদের হাতে যেতে পারে। তবে সিনেটের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে।
নির্বাচনটি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা হিসেবে দেখা হচ্ছে। ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ এবং এর ফলে জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় ভোটারদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। এসব কারণে ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা তার মেয়াদের সর্বনিম্ন পর্যায়ের কাছাকাছি রয়েছে।
এ নির্বাচনে কংগ্রেসের দুই কক্ষের পাশাপাশি ৩৬টি অঙ্গরাজ্যে গভর্নর নির্বাচন হচ্ছে। এ ছাড়া বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের আইনসভা এবং একাধিক গুরুত্বপূর্ণ গণভোটেও ভোট দিচ্ছেন মার্কিন নাগরিকেরা।
সূত্র: রয়টার্স, বিবিসি
সূত্র: কালবেলা