গণমাধ্যম
প্রিন্ট এর তারিখঃ ০৫ নভেম্বর, ২০২৬, ০৩:৫৫ পিএম  ||  প্রকাশের তারিখঃ ০৫ নভেম্বর, ২০২৬, ১০:৫৬ এএম

হালান্ডের শেষ মুহূর্তের গোলে লাইপজিগের মাঠে ম্যানসিটির জয়

জাতীয়
গণমাধ্যম ডেক্স
হালান্ডের শেষ মুহূর্তের গোলে লাইপজিগের মাঠে ম্যানসিটির জয়

আর্লিং হালান্ডকে নিখুঁত বল বানিয়ে দিন, বাকি কাজটা ম্যানচেস্টার সিটি তারকা একাই করে দেবেন। সেটি আরও একবার প্রমাণিত হলো চ্যাম্পিয়ন্স লিগে লাইপজিগের বিপক্ষে ম্যাচ। ম্যাচের শেষ মুহূর্তে যখন এলিয়ট অ্যান্ডারসনের বাড়ানো ক্রসে পা ছুঁইয়ে মূল্যবান গোলটি তুলে নিলেন এই নরওয়েজিয়ান স্ট্রাইকার। ফলে ৩-২ ব্যবধানের রোমাঞ্চকর জয় নিয়েই মাঠ ছেড়েছে এনজো মারেস্কার দল।

এই জয়ে হারে বৃত্ত থেকেও বের হতে পেয়েছে সিটি। তবে ম্যানচেস্টার সিটির ইতালিয়ান গোলরক্ষক জিয়ানলুইজি দোন্নারুম্মার সাম্প্রতিক ফর্ম নিয়ে দুশ্চিন্তা থেকেই যাচ্ছে। নটিংহ্যাম ফরেস্টের বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে সিটির ভঙ্গুর রক্ষণভাগ ও দোন্নারুম্মার গোলপোস্টের নিচের ধারাবাহিক ভুল সামলানো কোচ মারেস্কার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ম্যাচের শুরুতে সিটির হয়ে অনবদ্য ফুটবলের সুবাদে এগিয়ে যায় সফরকারীরা। চেরকির নেওয়া আড়াআড়ি পাস থেকে নিকো ও'রাইলি বক্সে বল পাঠালে লাইপজিগ ডিফেন্ডার কাস্তেলো লুকেবার হাঁটুতে লেগে বল নিজেদের জালেই জড়িয়ে যায়।

তবে বিরতির পর ঘুরে দাঁড়ায় লাইপজিগ। সিটির ভুলে রাইট-ব্যাক রিডল বাকু দোন্নারুম্মাকে পরাস্ত করে সমতা ফেরান। এর কিছুক্ষণ পরেই অবশ্য ঘুরে দাঁড়ায় সিটি। এনদিয়ায়ে চমৎকার ক্রসে চমৎকার হেডে আবার দলকে এগিয়ে নেন এনজো ফার্নান্দেজ। কিন্তু সেই আনন্দ স্থায়ী হয়নি। সিটির নড়বড়ে রক্ষণকে পরাস্ত করে দারুণ এক ফিনিশিংয়ে লাইপজিগকে সমতায় ফেরান আন্তোনিও নুসা।

ম্যাচ যখন ২-২ সমতায় পয়েন্ট ভাগাভাগির দিকে এগোচ্ছিল, ঠিক তখনই নিজের কার্যকারিতা দেখান হালান্ড। পুরো ম্যাচে নিজের একমাত্র সেরা সুযোগটিকেই অসাধারণ ফিনিশিংয়ে গোলে পরিণত করেন তিনি। ম্যাচ শেষে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে হালান্ড বলেন, আমি কতবার বল স্পর্শ করেছি জানি না, তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো দলকে জিততে সাহায্য করতে পেরেছি।

সূত্র: নতুন আরএসএস সোর্স

সম্পাদক ও প্রকাশক: শামীম আহমেদ | বার্তা সম্পাদক: রফিকুল ইসলাম

© ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।