গণমাধ্যম
প্রিন্ট এর তারিখঃ ০৫ নভেম্বর, ২০২৬, ০৭:৪৫ পিএম  ||  প্রকাশের তারিখঃ ০৫ নভেম্বর, ২০২৬, ১১:৩২ এএম

এক ম্যাচে রেকর্ড ৫৩ লাল কার্ড, আর্জেন্টিনাকে টপকে ব্রাজিলের রেকর্ড

জাতীয়
গণমাধ্যম ডেক্স
এক ম্যাচে রেকর্ড ৫৩ লাল কার্ড, আর্জেন্টিনাকে টপকে ব্রাজিলের রেকর্ড

ফুটবল মাঠে নজিরবিহীন হিংসাত্মক ঘটনায় বিশ্বরেকর্ড গড়েছে ব্রাজিল। দেশটির অনূর্ধ্ব-২০ রাজ্য চ্যাম্পিয়নশিপে উবেরলান্দিয়া ও মামোরের মধ্যকার ম্যাচে রেফারি একসঙ্গে ৫৩টি লাল কার্ড দেখিয়েছেন। এর মধ্য দিয়ে ভেঙে গেছে ২০১১ সালের আর্জেন্টিনার ঘরোয়া লিগের ৩৬ লাল কার্ডের দীর্ঘদিনের রেকর্ড। ইয়াহু স্পোর্টসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

মিনাস জেরাইস ফুটবল ফেডারেশনের প্রকাশিত রেফারির ম্যাচ রিপোর্ট অনুযায়ী, রোমাঞ্চকর ম্যাচটি মামোরী ৩-১ গোলে জেতার পর যোগ করা সময়ের নবম মিনিটে এই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। গোল উদযাপনের সময় মামোরের এক খেলোয়াড় প্রতিপক্ষ বেঞ্চের দিকে উসকানিমূলক অঙ্গভঙ্গি করলে উবেরলান্দিয়ার এক কোচিং স্টাফ মাঠে ঢুকে তাকে ধাক্কা দেন। মুহূর্তের মধ্যে পুরো স্টেডিয়াম এক ভীতিকর রণক্ষেত্রে রূপ নেয়।

উভয় দলের খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফরা কিল-ঘুসি ও লাথি মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন। চরম বিশৃঙ্খলার কারণে রেফারি ফার্নান্দো পাত্রিক মোদেস্তো মাঠেই সবাইকে শারীরিকভাবে লাল কার্ড দেখাতে পারেননি। পরবর্তীতে অফিশিয়াল প্রতিবেদনে উবেরলান্দিয়ার ২৪ জন এবং মামোরের ২৯ জনসহ মোট ৫৩ জনকে বহিষ্কার করা হয়। এর মধ্যে ৪৩ জন খেলোয়াড়, ৮ জন কোচিং স্টাফ ও ২ জন ক্লাব কর্মকর্তা রয়েছেন।

মূলত ম্যাচের শুরু থেকেই উত্তেজনা ছিল তুঙ্গে। ৫২ মিনিটে উবেরলান্দিয়ার এক খেলোয়াড় লাল কার্ড দেখলে ক্ষিপ্ত হয়ে ক্লাবটির ৩ জন কর্মকর্তা মাঠে ঢুকে রেফারিকে প্রাণনাশের হুমকি দেন। তখন ম্যাচ প্রায় ৪০ মিনিট বন্ধ থাকে। এরপর খেলার শেষ দিকে বল-বয় ও স্টাফদের তাণ্ডব এবং ড্রেসিংরুমে ভাঙচুরের মতো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাও ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে শেষ পর্যন্ত পুলিশি হস্তক্ষেপ ও মামলা দায়ের করতে হয়েছে।

এর আগে ২০১১ সালের ফেব্রুয়ারিতে আর্জেন্টিনার পঞ্চম বিভাগের ম্যাচে অ্যাতলেটিকো ক্লায়পোলে ও ভিক্তোরিয়ানো আরেনাসের খেলোয়াড়দের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় ৩৬ জনকে লাল কার্ড দেখানো হয়েছিল। যা ছিল এতদিন পর্যন্ত সর্বোচ্চ কার্ড দেখার গিনেজ রেকর্ড।

সূত্র: ইয়াহু স্পোর্টস। 

সূত্র: কালবেলা

সম্পাদক ও প্রকাশক: শামীম আহমেদ | বার্তা সম্পাদক: রফিকুল ইসলাম

© ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।