প্রিন্ট এর তারিখঃ ০৫ নভেম্বর, ২০২৬, ০৯:০৯ পিএম || প্রকাশের তারিখঃ ০৫ নভেম্বর, ২০২৬, ০৩:৫৯ পিএম
‘চাঁদাবাজি ও লুটপাট করার জন্য তারেক রহমান এসেছেন, দেশ পরিচালনায় তার কোনো পরিকল্পনা নেই’- এমন বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলামকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। নোটিশ পাওয়ার ১০ দিনের মধ্যে বক্তব্য প্রত্যাহার করে জবাব দিতে বলা হয়েছে। অন্যথায় তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (০৫ নভেম্বর) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. হাবিবুর রহমান নাহিদ ইসলামকে উদ্দেশ করে এ আইনি নোটিশ পাঠান।
নোটিশে বলা হয়েছে, গত ৩০ অক্টোবর সন্ধ্যার পর চ্যানেল ওয়ান ও চ্যানেল আইয়ে নাহিদ ইসলামের একটি বক্তব্য প্রকাশিত হয়। সেখানে বলা হয়, ‘চাঁদাবাজি, লুটপাট করার জন্য তারেক রহমান এসেছেন। দেশ পরিচালনায় তার কোনো পরিকল্পনা নেই।’
নোটিশে আইনজীবী হাবিবুর রহমান উল্লেখ করেন, বক্তব্যটি তার দৃষ্টিগোচর হওয়ার পর তিনি বিব্রত, ব্যথিত, মর্মাহত ও ক্ষুব্ধ হয়েছেন। তার দাবি, সুনির্দিষ্ট প্রমাণ ছাড়া রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ সম্পর্কে এ ধরনের মন্তব্য করা অগ্রহণযোগ্য। ঈর্ষাপ্রসূত ও কাল্পনিক বক্তব্যের মাধ্যমে নাহিদ ইসলাম নিজেকে অপরিপক্ব রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে তুলে ধরেছেন বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়।
নোটিশে আরও বলা হয়, এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা একজন ব্যক্তির কাছ থেকে এ ধরনের বক্তব্য জাতি প্রত্যাশা করে না। এ বক্তব্যের জন্য নাহিদ ইসলামকে জাতির কাছে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
আইনি নোটিশে অভিযোগ করা হয়, সুনির্দিষ্ট প্রমাণ ছাড়া তারেক রহমানকে চাঁদাবাজি ও লুটপাটের উদ্দেশ্যে দেশে আসার অভিযোগে অভিযুক্ত করে বক্তব্য দেওয়া হয়েছে। চ্যানেল আই ও চ্যানেল ওয়ানের শিরোনামে বারবার এ বক্তব্য প্রচারের মাধ্যমে তারেক রহমানের সম্মানহানি করা হয়েছে বলেও দাবি করেন নোটিশদাতা।
নোটিশে তারেক রহমানের পারিবারিক রাজনৈতিক পরিচয়ের প্রসঙ্গও তুলে ধরা হয়েছে। এতে তার বাবা সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্রপতি এবং মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে আপসহীন নেত্রী হিসেবে উল্লেখ করা হয়। এমন পরিবারের সন্তান তারেক রহমান এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত হতে পারেন- এমনটি জাতি বিশ্বাস করে না বলেও নোটিশে দাবি করা হয়েছে।
সবশেষে নোটিশ পাওয়ার ১০ দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট বক্তব্য প্রত্যাহার করে জবাব দিতে বলা হয়েছে নাহিদ ইসলামকে। অন্যথায় তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।
সূত্র: নতুন আরএসএস সোর্স