গণমাধ্যম
প্রিন্ট এর তারিখঃ ০৬ নভেম্বর, ২০২৬, ১১:৩৪ পিএম  ||  প্রকাশের তারিখঃ ০৬ নভেম্বর, ২০২৬, ০৮:৩৫ পিএম

শিক্ষানবিশ মোটরযান চালকদের জন্য বিআরটিএর বিশেষ নির্দেশনা

জাতীয়
গণমাধ্যম ডেক্স
শিক্ষানবিশ মোটরযান চালকদের জন্য বিআরটিএর বিশেষ নির্দেশনা

শিক্ষানবিশ বা লার্নার লাইসেন্স নিয়ে মোটরযান চালানোর ক্ষেত্রে চালকদের জন্য বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সংস্থাটির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া পোস্টে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

বিআরটিএ জানিয়েছে, বৈধ প্রশিক্ষকের সঙ্গে প্রশিক্ষণের সময়ই কেবল শিক্ষানবিশ লাইসেন্সধারীরা গাড়ি চালাতে পারবেন। এ সময় গাড়ির সামনে ও পেছনে দৃশ্যমান স্থানে লাল রঙের বড় ‘L’ চিহ্ন লাগানো বাধ্যতামূলক। এ ছাড়া মূল ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়া রাস্তায় মোটরযান চালানো শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

পাশাপাশি ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার আবেদনপ্রক্রিয়া, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও নির্ধারিত ফি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানিয়েছে সংস্থাটি।

মোটরযান অধ্যাদেশ অনুযায়ী, শিক্ষানবিশ লাইসেন্সধারী চালক প্রশিক্ষণের সময় সড়কে গাড়ি নিয়ে বের হলে গাড়ির সামনে ও পেছনে দৃশ্যমান স্থানে লাল রঙের বড় ‘L’ চিহ্ন লিখে অথবা বোর্ড ঝুলিয়ে রাখতে হবে। ‘L’ হলো Learner শব্দের সংক্ষিপ্ত রূপ।

এই চিহ্ন দেখে অন্য চালকরা বুঝতে পারবেন, গাড়িটি একজন শিক্ষানবিশ চালাচ্ছেন। ফলে তারা সতর্ক হয়ে প্রয়োজনীয় দূরত্ব বজায় রাখতে পারবেন। নিয়ম অমান্য করে মূল ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়া মোটরযান চালালে আইন অনুযায়ী শাস্তির মুখে পড়তে হতে পারে।

বিআরটিএর তথ্য অনুযায়ী, ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার প্রক্রিয়া দুটি ধাপে সম্পন্ন হয়। প্রথম ধাপে শিক্ষানবিশ বা লার্নার লাইসেন্স নিতে হবে। এ জন্য প্রথমে বিআরটিএর সেবা পোর্টালে (বিএসপি) অ্যাকাউন্ট খুলে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ অনলাইনে আবেদন করতে হবে।

লার্নার লাইসেন্সের আবেদনের সঙ্গে চিকিৎসা সনদ, জাতীয় পরিচয়পত্র, ইউটিলিটি বিল ও শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ জমা দিতে হবে। এক ক্যাটাগরির লাইসেন্সের জন্য ৫১৮ টাকা এবং দুই ক্যাটাগরির জন্য ৭৪৮ টাকা ফি নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রশিক্ষণ ও পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে

এদিকে অপর এক বিজ্ঞপ্তিতে বিআরটিএ জানিয়েছে, শিক্ষানবিশ লাইসেন্স পাওয়ার পর আবেদনকারীকে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ নিতে হবে। প্রশিক্ষণ শেষে লিখিত, মৌখিক ও ব্যবহারিক পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। এসব পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পরই চূড়ান্ত ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য আবেদন করা যাবে।

চূড়ান্ত লাইসেন্সের আবেদন ও ফি

দ্বিতীয় ধাপে বিআরটিএর সেবা পোর্টালের (বিএসপি) মাধ্যমে চূড়ান্ত ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদন করতে হবে। সংস্থাটির নির্ধারিত ফি অনুযায়ী, অপেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য ৪ হাজার ৬২৮ টাকা এবং পেশাদার লাইসেন্সের জন্য ২ হাজার ৮৩২ টাকা জমা দিতে হবে। তবে পেশাদার লাইসেন্সের আবেদনকারীদের জন্য ডোপ টেস্টের সনদ জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক।

আবেদন অনুমোদিত হলে আবেদনকারী ই-ড্রাইভিং লাইসেন্স পাবেন। এ ছাড়া অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ের মাধ্যমে ফি পরিশোধের ক্ষেত্রে নির্ধারিত ফির বাইরে অতিরিক্ত চার্জ প্রযোজ্য হবে।

সূত্র: নতুন আরএসএস সোর্স

সম্পাদক ও প্রকাশক: শামীম আহমেদ | বার্তা সম্পাদক: রফিকুল ইসলাম

© ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।