গণমাধ্যম
প্রিন্ট এর তারিখঃ ০৭ নভেম্বর, ২০২৬, ১২:২৩ এএম  ||  প্রকাশের তারিখঃ ০৬ নভেম্বর, ২০২৬, ০৯:৪৮ পিএম

বিসিকে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা হলে রাজনৈতিকভাবে প্রতিহতের হুঁশিয়ারি আজাদের

জাতীয়
গণমাধ্যম ডেক্স
বিসিকে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা হলে রাজনৈতিকভাবে প্রতিহতের হুঁশিয়ারি আজাদের

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার বিসিক শিল্পাঞ্চলে পোশাক শ্রমিকদের অসন্তোষকে পুঁজি করে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ করেছেন নারায়ণগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির ঢাকা বিভাগের সহসাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম আজাদ। এ ধরনের অপচেষ্টা চালানো হলে রাজনৈতিকভাবে প্রতিহত করার হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেছেন, শ্রমিকদের অধিকার নিয়ে কেউ ছিনিমিনি খেলতে পারবে না।

শুক্রবার (৬ নভেম্বর) জেলা ও মহানগর বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের নিয়ে ফতুল্লার বিসিক শিল্পনগরীর বিভিন্ন পোশাক কারখানা পরিদর্শন শেষে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় কারখানার মালিক ও কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে শ্রমিক অসন্তোষের সর্বশেষ পরিস্থিতি এবং শিল্পাঞ্চলের সার্বিক পরিবেশ সম্পর্কে খোঁজখবর নেন তিনি।

নজরুল ইসলাম আজাদ বলেন, ‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল রাজপথের আন্দোলন থেকেই এসে সরকার গঠন করেছে। বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করা হলে তাদের রাজনৈতিকভাবেই প্রতিহত করা হবে।’

তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানবিক প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শ্রমিকদের সব ধরনের অধিকার নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর। শ্রমিকদের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলার কোনো মানে হয় না। যারা দূর থেকে পেছনে বসে ইন্ধন দিচ্ছেন, তাদের এ ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে সরে আসার আহ্বান জানাচ্ছি। অন্যথায় এর পরিণতি ভালো হবে না।

শিল্পাঞ্চলে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টার সমালোচনা করে তিনি বলেন, ১০-১২ বা ১৫ জন মানুষকে একত্র করে লিফলেট ছড়িয়ে রাজপথে আতঙ্ক তৈরির চেষ্টা কিছু স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীর অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। এগুলোকে কোনো সমাবেশ বলা যায় না। গত কয়েক দিন ধরে পরিকল্পিতভাবে শিল্পাঞ্চলে অস্থিরতা তৈরির অপচেষ্টা চলছে। তবে প্রশাসনের কর্মকর্তা ও স্থানীয় নেতাদের সঙ্গে নিয়ে তারা মাঠে সক্রিয় রয়েছেন।

কারখানায় বহিরাগতদের উসকানির অভিযোগ তুলে নজরুল ইসলাম আজাদ বলেন, তর্ক-বিতর্ক ও অপ্রাসঙ্গিক আলোচনায় জড়িত অনেকের কাছে কোনো পরিচয়পত্র নেই। তারা প্রকৃতপক্ষে পোশাকশ্রমিক কি না, তা নিয়েও সন্দেহ রয়েছে। ট্রাকে করে লাঠিসোঁটা নিয়ে লোক আনার অভিযোগও করেন তিনি। তার দাবি, গতকাল মাঠ থেকে নিষিদ্ধ সংগঠনের কয়েকজন দুষ্কৃতকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ৯৮ শতাংশ শ্রমিক শান্তিতে কাজ করতে চান। কিন্তু মাত্র ১ থেকে ২ শতাংশ দুষ্কৃতকারী ও বহিরাগত পরিস্থিতি ঘোলাটে করার চেষ্টা করছে।

শ্রমিকদের দাবির বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যে পদক্ষেপ নিয়েছেন উল্লেখ করে আজাদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী মজুরি কমিশন গঠন করে দিয়েছেন। বিজিএমইএ ও মজুরি কমিশনের ইতিবাচক সিদ্ধান্ত দ্রুতই প্রকাশ পাবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।

শ্রমিকদের অধিকার রক্ষায় বিএনপির ঐতিহাসিক ভূমিকার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রত্যেকেই শ্রমিকদের অধিকার রক্ষায় আন্তরিক ছিলেন।

দেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি পোশাকশিল্পের স্বার্থ রক্ষায় শ্রমিকদের যেকোনো ষড়যন্ত্র সম্পর্কে সচেতন থাকার আহ্বান জানান তিনি।

সূত্র: নতুন আরএসএস সোর্স

সম্পাদক ও প্রকাশক: শামীম আহমেদ | বার্তা সম্পাদক: রফিকুল ইসলাম

© ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।