যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়া ঠেকাতে মধ্যস্থতার প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে কাতার। দেশটির প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুর রহমান আল থানি বলেছেন, দুই দেশের মধ্যে সমঝোতায় পৌঁছানোর ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। একটি চুক্তিতে পৌঁছানো সম্ভব বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তিনি।
শনিবার (৭ নভেম্বর) আলজাজিরা টেলিভিশনকে দেওয়া বক্তব্যে কাতারের প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পরও ওয়াশিংটন একটি সমাধানে পৌঁছাতে আগ্রহী রয়েছে। অর্থাৎ নির্বাচনের পরও ইরানের সঙ্গে সমঝোতায় পৌঁছানোর বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানের পরিবর্তন হয়নি।
আল থানি বলেন, ‘একটি নিখুঁত চুক্তির জন্য আমরা অপেক্ষা করতে পারি না। আমরা একটি ভালো চুক্তিতে পৌঁছাতে চাই।’
এদিকে ইরানের আধা-সরকারি সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ এজেন্সি শনিবার জানিয়েছে, প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী দেশটির কেশম দ্বীপে দুটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে। তবে এতে কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, সে বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
অন্যদিকে, ইরানের অভ্যন্তরে কোনো লক্ষ্যবস্তুতে হামলার বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়নি যুক্তরাষ্ট্র।
মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে কয়েক সপ্তাহ ধরে ইরানে হামলা চালানো থেকে বিরত ছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে নির্বাচন শেষ হওয়ার পর তিনি আবারও হামলা শুরু করতে পারেন, এমন আশঙ্কা করছিল মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ।
ইরানও বারবার হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, নতুন করে হামলা চালানো হলে প্রতিবেশী দেশগুলোয় অবস্থিত মার্কিন ও ইসরায়েলি লক্ষ্যবস্তুতে পাল্টা আঘাত হানবে তেহরান।
সূত্র: নতুন আরএসএস সোর্স