প্রিন্ট এর তারিখঃ ০৮ নভেম্বর, ২০২৬, ০৩:২৮ এএম || প্রকাশের তারিখঃ ০৭ নভেম্বর, ২০২৬, ০৫:৫০ পিএম
কক্সবাজারের মহেশখালীতে সামিট এলএনজি টার্মিনালের রক্ষণাবেক্ষণ কাজ শেষ হয়েছে। প্রায় চার দিন বন্ধ থাকার পর শনিবার দুপুর থেকে আবারও টার্মিনালটি দিয়ে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়েছে। এতে গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতি আগের অবস্থায় ফিরেছে।
পেট্রোবাংলার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুর ১টা থেকে সামিটের টার্মিনালে আমদানি করা তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) পুনরায় গ্যাসে রূপান্তরের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। রক্ষণাবেক্ষণ কাজ শেষ হওয়ায় মহেশখালীর দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল থেকেই জাতীয় গ্রিডে আগের মতো গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে।
এদিকে, রক্ষণাবেক্ষণ চলাকালে সহযোগিতা করায় গ্রাহকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে পেট্রোবাংলা।
এর আগে জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য গত ৪ নভেম্বর সকাল ৮টা থেকে ৭ নভেম্বর বিকেল ৪টা পর্যন্ত সামিট এলএনজি টার্মিনালের গ্যাস রূপান্তর কার্যক্রম বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছিল সংস্থাটি। এ কারণে জাতীয় গ্রিডে দৈনিক গ্যাস সরবরাহ ২ হাজার ৫৭০ মিলিয়ন ঘনফুট থেকে কমে ২ হাজার ২৫০ মিলিয়ন ঘনফুটে নেমে আসার আশঙ্কা করা হয়েছিল।
তবে এ সময় সারাদেশে চার দিন গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্যকে গুজব বলে জানায় পেট্রোবাংলা। সংস্থাটি স্পষ্ট করে জানিয়েছিল, রক্ষণাবেক্ষণের কারণে গ্যাস সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হবে না। তবে কিছু এলাকায় সাময়িকভাবে গ্যাসের চাপ কমে যেতে পারে।
উল্লেখ্য, দেশে আমদানি করা এলএনজি জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের জন্য মহেশখালীতে দুটি ভাসমান টার্মিনাল রয়েছে। এর মধ্যে একটি পরিচালনা করে সামিট গ্রুপ এবং অন্যটি যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক এক্সিলারেট এনার্জি। সামিটের টার্মিনালের দৈনিক গ্যাস সরবরাহ সক্ষমতা ৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট। অন্যদিকে এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনালের সক্ষমতা ৬০০ মিলিয়ন ঘনফুট।
পেট্রোবাংলা জানিয়েছে, এর আগেও ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে সামিটের এলএনজি টার্মিনালে একই ধরনের রক্ষণাবেক্ষণ কাজ করা হয়েছিল।
সূত্র: কালবেলা