প্রিন্ট এর তারিখঃ ০৮ নভেম্বর, ২০২৬, ১১:৪১ এএম || প্রকাশের তারিখঃ ০৮ নভেম্বর, ২০২৬, ০৯:২৬ এএম
ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের কয়েকটি এলাকায় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। শনিবার সন্ধ্যায় কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির কেশম দ্বীপসহ বিভিন্ন স্থানে এসব বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন।
ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের ধারণা, কৌশলগত এই জলপথে দেশটির সামরিক তৎপরতার সঙ্গে বিস্ফোরণের শব্দের সম্পর্ক থাকতে পারে। গত ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে বারবার হামলার ঘটনা ঘটছে।
তবে এসব এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলার বিষয়ে ইরানি কর্মকর্তারা কোনো নিশ্চিত তথ্য দেননি বলে জানিয়েছে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন। আধা সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম এক সূত্রের বরাতে জানিয়েছে, কেশম দ্বীপে শোনা বিস্ফোরণের শব্দের সঙ্গে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সম্পর্ক নেই।
রোববার ভোরে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর নৌবাহিনী জানায়, অনুমোদনহীন পথে হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের চেষ্টা করার সময় মাইনে আঘাত লেগে দুটি তেলবাহী জাহাজে আগুন ধরে যায়। তবে এসব ঘটনা দক্ষিণ ইরানের বিভিন্ন এলাকায় শোনা বিস্ফোরণের শব্দের সঙ্গে সম্পর্কিত কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে স্পষ্ট হয়নি।
হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলে নিজেদের বিধিনিষেধ লঙ্ঘনের অভিযোগে বিভিন্ন জাহাজে হামলা চালিয়েছে ইরান। জলপথটির ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা এবং ওয়াশিংটনের ওপর চাপ বাড়ানোর চেষ্টা করছে তেহরান।
এর আগে শনিবার তাসনিম জানায়, কেশম দ্বীপে দুটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে। তবে সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে সরকারি কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
কয়েক দিন আগে যুক্তরাষ্ট্রও দ্বীপটিতে হামলা চালায়। এক মার্কিন কর্মকর্তা জানান, ওই হামলা ছিল সীমিত পরিসরের এবং তা বড় ধরনের সামরিক অভিযান পুনরায় শুরুর ইঙ্গিত নয়।
এদিকে শনিবার সন্ধ্যায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী জানায়, ইরানের ওপর মার্কিন অবরোধ ভেঙে যাওয়ার চেষ্টা করা একটি বাণিজ্যিক জাহাজকে অচল করে দিয়েছে তারা। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) দাবি, অবরোধ লঙ্ঘনের চেষ্টা করলে তাদের একটি উড়োজাহাজ পেছনের অংশে গুলি চালালে জাহাজটি চলাচলের সক্ষমতা হারায়।
সূত্র : রয়টার্স
সূত্র: নতুন আরএসএস সোর্স