গণমাধ্যম
প্রিন্ট এর তারিখঃ ০৮ নভেম্বর, ২০২৬, ০৬:২৮ পিএম  ||  প্রকাশের তারিখঃ ০৮ নভেম্বর, ২০২৬, ১১:৫৬ এএম

দুই ম্যাচে তিন গোল, সাফে পাকিস্তানের নতুন গোলমেশিন ১৯ বছরের নাজিব

জাতীয়
গণমাধ্যম ডেক্স
দুই ম্যাচে তিন গোল, সাফে পাকিস্তানের নতুন গোলমেশিন ১৯ বছরের নাজিব

ফুটবলে নতুন তারকার জন্ম হতে কখনো কখনো খুব বেশি সময় লাগে না। একটি গোলই বদলে দিতে পারে পরিচিতি। আর পরপর তিনটি গোল? সেটি তো আগমনী বার্তা দেওয়ার জন্য যথেষ্ট।
সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে পাকিস্তানের ১৯ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড নাজিব উল্লাহর গল্পটা এখন তেমনই। জাতীয় দলের হয়ে অভিষেক ম্যাচেই গোল করেছিলেন। দ্বিতীয় ম্যাচে এসে করলেন জোড়া গোল। তাঁর গোলেই নতুন করে সেমিফাইনালের স্বপ্ন দেখছে পাকিস্তান।

গত বৃহস্পতিবার ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে জাতীয় দলে অভিষেক হয় নাজিবের। সেই ম্যাচে গোল করে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়েছিলেন এই তরুণ। আজ মালদ্বীপের বিপক্ষে দ্বিতীয় ম্যাচেও আলো ছড়ালেন তিনি। তাঁর জোড়া গোলেই জাতীয় স্টেডিয়ামে মালদ্বীপকে ৩-০ ব্যবধানে হারিয়েছে পাকিস্তান।

ভারতের কাছে প্রথম ম্যাচে ৩-২ গোলে হেরে পাকিস্তানের সেমিফাইনালে ওঠার পথ কঠিন হয়ে গিয়েছিল। আজকের জয়ে সেই সম্ভাবনা আবার তৈরি হয়েছে। তবে শেষ চারে যেতে হলে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে ভারতের দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে পাকিস্তানকে। ১১ নভেম্বর ভারত-মালদ্বীপ ম্যাচে মালদ্বীপ হারলেই সেমিফাইনালে উঠে যাবে পাকিস্তান।

নাজিবের জোড়া গোলেই জাতীয় স্টেডিয়ামে মালদ্বীপকে ৩-০ ব্যবধানে হারিয়েছে পাকিস্তান।

মালদ্বীপের বিপক্ষে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল পাকিস্তান। ম্যাচের চতুর্থ মিনিটেই পেনাল্টি থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন মিকেল আবদুল্লাহ। পাঁচ মিনিট পর ব্যবধান দ্বিগুণ করেন নাজিব।

শুরুতেই দুই গোল খেয়ে ম্যাচ থেকে অনেকটাই ছিটকে পড়ে মালদ্বীপ। পাকিস্তানের আক্রমণে বারবার বিপদে পড়েছে তাদের রক্ষণ। ২৪ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করে পাকিস্তানের জয় প্রায় নিশ্চিত করে দেন নাজিব।

প্রথমার্ধে প্রায় ৫০ শতাংশ বল নিজেদের দখলে রেখেও প্রতিপক্ষের গোলমুখে একটি শটও নিতে পারেনি মালদ্বীপ। বিরতির পর কিছুটা আক্রমণাত্মক হওয়ার চেষ্টা করেছিল তারা। কিন্তু গোলের দেখা পায়নি।

তিন দিন আগে ভারতের বিপক্ষে অবশ্য এতটা স্বস্তিতে ছিল না পাকিস্তান। ম্যাচের বেশির ভাগ সময় আধিপত্য ছিল ভারতের। তবে শেষ দিকে যোগ করা সময়ে দুই গোল করে ব্যবধান কমিয়েছিল পাকিস্তান। সেই ম্যাচেই জাতীয় দলের হয়ে প্রথম গোল করেছিলেন নাজিব। অভিষেকের সেই গোল যেন আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দিয়েছে তরুণ ফরোয়ার্ডের।

মালদ্বীপের বিপক্ষে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল পাকিস্তান।

পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের ভাক্কার থেকে উঠে এসেছেন নাজিব। গত মার্চে জায়গা পেয়েছিলেন দেশটির অনূর্ধ্ব-২০ দলে। বয়সভিত্তিক ফুটবলের অভিজ্ঞতা নিয়েই এবার জায়গা করে নিয়েছেন সিনিয়র জাতীয় দলে। ক্লাব ফুটবলে খেলছেন খান রিসার্চ ল্যাবরেটরিজের হয়ে।
সাফে নিজের প্রথম ম্যাচ থেকেই গোলের সঙ্গে বন্ধুত্ব পেতেছেন নাজিব। তাঁর পা থেকে গোল আসছে, পাকিস্তানের স্বপ্নও বড় হচ্ছে। এখন দেখার বিষয়, এই তরুণের গোলের গল্প শেষ পর্যন্ত পাকিস্তানকে কত দূর নিয়ে যায়।

সূত্র: প্রথম আলো

সম্পাদক ও প্রকাশক: শামীম আহমেদ | বার্তা সম্পাদক: রফিকুল ইসলাম

© ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।