গণমাধ্যম
প্রিন্ট এর তারিখঃ ০৮ নভেম্বর, ২০২৬, ১০:৩১ পিএম  ||  প্রকাশের তারিখঃ ০৮ নভেম্বর, ২০২৬, ০৭:০৪ পিএম

শাড়িকাণ্ডের পর এবার তানজিন তিশার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা

জাতীয়
গণমাধ্যম ডেক্স
শাড়িকাণ্ডের পর এবার তানজিন তিশার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা
শাড়িকাণ্ডের পর এবার ফেসবুকে আপত্তিকর ছবি ও ভুল তথ্য ছড়ানোর অভিযোগে অভিনেত্রী তানজিন তিশার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করা হয়েছে। রোববার (৮ নভেম্বর) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল হোসেনের আদালতে এ মামলা করেন ফ্যাশন ডিজাইনার ও ভেলমেট-ইয়ুথ ম্যাগাজিনের সম্পাদক সানায়া আনাম ওয়াফিকা চৌধুরী।  বাদীপক্ষের আইনজীবী শুভ্র সিনহা রায় বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘এর আগে বাদীর পক্ষে গত ২৮ অক্টোবর তানজিন তিশাকে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়। কিন্তু তিনি কোনো উত্তর দেননি। এমনকি ফেসবুক থেকে ছবি সরাননি। ফলে রোববার মানহানির মামলা করা হয়েছে।’ আইনজীবী শুভ্র সিনহা আরও বলেন, ‘আদালত বাদীর আবেদন গ্রহণ করেন এবং বাদীর জবানবন্দি রেকর্ড করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। ২১ জানুয়ারির মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’ মামলার আবেদনে বলা হয়, ঢাকা চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তানজিন তিশার বিরুদ্ধে বাদীর করা দুটি পৃথক মামলা বর্তমানে চলমান রয়েছে। মামলা করার পর আসামি প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে গত ২৭ অক্টোবর তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে বিভিন্ন আপত্তিকর ছবি ও ভুল তথ্য ছড়াতে থাকেন। এ ছাড়া বাদীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন তথ্য দেশের গণমাধ্যমের কাছে ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়।  এতে বলা হয়, ২০২৫ সালের ৭ নভেম্বর তানজিন তিশা তার ফেসবুক মেসেঞ্জার থেকে বাদীর মেসেঞ্জারে কল দিয়ে ভাইরাল করার হুমকি দেওয়া হয়েছে। আসামি বাদীকে হুমকি দিয়ে বলেন, ‘ফেমাস হইলে বইলো, আমি তোমার ছবি আপলোড করে দিবনে।’ অভিযোগে আরও বলা হয়, গত ২৭ অক্টোবর তিশা তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে বিভিন্ন আপত্তিকর ছবি ও ভুল তথ্য ছড়ান এবং বাদীর ছবি ফেসবুকে আপলোড দিয়ে সম্মানহানি করেন। আসামি তানজিন তিশা তার ফেসবুকে বাদীর একটি আপত্তিকর ছবি প্রকাশ করেন। এ ছাড়া দুজন নাবালক শিশুর ছবিও আসামি প্রকাশ করেন। গত ২৭ অক্টোবর রাত ১১টায় এসব বিষয় বাদীর নজরে এলে আইনজীবীর মাধ্যমে পরদিন রেজিস্ট্রি ডাকযোগে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়। এতে নোটিশপ্রাপ্তির দুই দিনের মধ্যে আপত্তিকর ছবি ও তথ্য অপসারণের অনুরোধ জানানো হয়। আসামি সেগুলো অপসারণ করেননি বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।

সূত্র: নতুন আরএসএস সোর্স

সম্পাদক ও প্রকাশক: শামীম আহমেদ | বার্তা সম্পাদক: রফিকুল ইসলাম

© ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।