|
| |
শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বত্ব © ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

সর্বশেষঃ

১ ডিসেম্বর থেকে সারা দেশে শুরু হচ্ছে সাংস্কৃতিক উৎসব

গণমাধ্যম ডেক্স

গণমাধ্যম ডেক্স

প্রকাশ : ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:০৬ পিএম
৩৩৭ পঠিত
১ ডিসেম্বর থেকে সারা দেশে শুরু হচ্ছে সাংস্কৃতিক উৎসব
যুক্ত থাকুন
সর্বশেষ খবরের জন্য ফলো করুন:
সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম বলেছেন, আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে সারা দেশে একযোগে সাংস্কৃতিক উৎসব শুরু হবে। এ উৎসবে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্য-সংগীতের পাশাপাশি ভাটিয়ালী, জারি, সারি, লোকসংগীত ও বাউলসংগীত তুলে ধরা হবে। এছাড়া পিঠা উৎসব, ঘুড়ি ওড়ানোসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ল...
সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম বলেছেন, আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে সারা দেশে একযোগে সাংস্কৃতিক উৎসব শুরু হবে। এ উৎসবে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্য-সংগীতের পাশাপাশি ভাটিয়ালী, জারি, সারি, লোকসংগীত ও বাউলসংগীত তুলে ধরা হবে। এছাড়া পিঠা উৎসব, ঘুড়ি ওড়ানোসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের লোকজ ঐতিহ্য এবং তরুণদের ব্যান্ড সংগীতও উৎসবের অংশ হবে। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) সন্ধ্যায় ময়মনসিংহের শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন পার্কের বৈশাখী মঞ্চে জেলা প্রশাসন আয়োজিত নজরুল বর্ষ উপলক্ষে দুই দিনব্যাপী ‘লোকজ সাংস্কৃতিক মেলা’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের গ্রাম ও শহরে হারিয়ে যেতে বসা সাংস্কৃতিক উপাদানগুলো পুনরুজ্জীবিত করা এবং সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডকে আরও বিকশিত ও গতিশীল করাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। দেশের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরার পাশাপাশি এসব ঐতিহ্য সংরক্ষণেও কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। বাংলাদেশের সংস্কৃতি বর্তমানে একটি সংকটময় সময় পার করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, পাহাড় ও সমতলের সংস্কৃতিসহ দেশের সামগ্রিক সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের যথাযথ পরিচর্যা ও পৃষ্ঠপোষকতা প্রয়োজন। পৃষ্ঠপোষকতা ও পরিচর্যার অভাবে সংগীত, নৃত্য, কবিতা, লোকজ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের অনেক উপাদান কাঙ্ক্ষিতভাবে বিকশিত হতে পারছে না। একটি গাছ যেমন পরিচর্যা, সার-পানি ও সুরক্ষা ছাড়া বেড়ে উঠতে পারে না, তেমনি যথাযথ পৃষ্ঠপোষকতা ছাড়া সংস্কৃতিরও বিকাশ সম্ভব নয়। তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের অন্যান্য খাতের মতো সাংস্কৃতিক খাতকেও গতিশীল করার বিষয়ে আগ্রহী। এ নিয়ে তিনি বিভিন্ন সময়ে আলোচনা করেছেন এবং প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণে দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর এ আগ্রহ দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের জন্য অত্যন্ত উৎসাহব্যঞ্জক। নজরুল বর্ষ উদযাপনের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে দেশব্যাপী নজরুল বর্ষ উদযাপিত হচ্ছে। উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে আয়োজন সম্পন্ন হয়েছে। আগামী নভেম্বরের শেষ দিকে জাতীয় পর্যায়ে নজরুল বর্ষের অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া ২০২৭ সালের মে মাস পর্যন্ত কাজী নজরুল ইসলামকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন অনুষ্ঠান আয়োজন করা হবে। দেশের ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক ধারাগুলো সংরক্ষণ ও বিকাশের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, যাত্রা, সার্কাসসহ বিভিন্ন শিল্পকর্ম ও লোকজ সাংস্কৃতিক ধারাকে সুস্থ, সাবলীল ও রুচিশীলভাবে এগিয়ে নিতে হবে। নতুন প্রজন্মের মন ও চেতনাকে দেশের সংস্কৃতির মাধ্যমে সমৃদ্ধ করতে হবে। এর মধ্য দিয়েই তাদের মধ্যে দেশপ্রেম, দেশের প্রতি ভালোবাসা এবং নিজস্ব ভাষা ও সংস্কৃতির প্রতি শ্রদ্ধাবোধ গড়ে তোলা সম্ভব। ময়মনসিংহের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রশংসা করে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ অঞ্চলের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য গর্ব করার মতো। এখানকার ছেলেমেয়েরা সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে ভালো পারফর্ম করে। ময়মনসিংহের সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোর সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও জোরদার করতে হবে। সংস্কৃতির বিকাশে সরকার ও মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে কাজ করা হচ্ছে। এ উদ্যোগ সফল করতে সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে।

সূত্র: নতুন আরএসএস সোর্স