|
| |
রবিবার, ০১ নভেম্বর, ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বত্ব © ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

সর্বশেষঃ

পাবনা মানসিক হাসপাতালে দালালের ফাঁদ, ৪ জনকে কারাদণ্ড

গণমাধ্যম ডেক্স

গণমাধ্যম ডেক্স

প্রকাশ : ০১ নভেম্বর, ২০২৬, ০২:১৬ পিএম
১৫৩ পঠিত
পাবনা মানসিক হাসপাতালে দালালের ফাঁদ, ৪ জনকে কারাদণ্ড
যুক্ত থাকুন
সর্বশেষ খবরের জন্য ফলো করুন:
রোগী ও স্বজনদের সঙ্গে প্রতারণায় অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে পাবনা মানসিক হাসপাতালে দালাল চক্রের চার সদস্যকে হাতেনাতে আটক করে কারাদণ্ড দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলছে, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে রোগী নিয়ে পাবনা মানসিক হাসপাতালে প্রবেশ করতেই জেঁকে ধরতেন। এরপর অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে রোগী ও...

রোগী ও স্বজনদের সঙ্গে প্রতারণায় অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে পাবনা মানসিক হাসপাতালে দালাল চক্রের চার সদস্যকে হাতেনাতে আটক করে কারাদণ্ড দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলছে, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে রোগী নিয়ে পাবনা মানসিক হাসপাতালে প্রবেশ করতেই জেঁকে ধরতেন। এরপর অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে রোগী ও তার স্বজনদের বিভ্রান্ত করে প্রতারণায় হাতিয়ে নিতেন টাকা।

রোববার (১ নভেম্বর) জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) তথ্যে হাসপাতালের বহির্বিভাগে অভিযান চালিয়ে হাতেনাতে ধরে এ দণ্ড দেওয়া হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন পাবনা সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এসএম ফুয়াদ।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- হেমায়েতপুরের শহিদুল মণ্ডলের ছেলে ইদ্রিস, একই এলাকার আ. বারেকের ছেলে সুজন আলী, তৈয়ব আলীর ছেলে জাকির হোসেন ও চাঁদ আলীর ছেলে মাসুদ রানা।

আভিযানিক দল জানায়, পাবনা মানসিক হাসপাতাল মানসিক রোগ চিকিৎসায় দেশের একমাত্র বিশেষায়িত হাসপাতাল হওয়ায় দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে রোগী নিয়ে আসেন স্বজনরা। কিন্তু তাদের অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে তাদের বিভ্রান্ত করে বাইরের বেসরকারি মানসিক হাসপাতালে ভর্তি করার নামেসহ নানাভাবে প্রতারণা করে টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়। বিভিন্ন সময় অভিযান চালিয়ে এই দালাল চক্রের সদস্যদের শাস্তির আওতায় আনলেও, আবার সম্প্রতি দালাল চক্রের বেশকিছু সদস্য সক্রিয় হয়ে একইভাবে প্রতারিত করছে বলে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার গোপন তথ্যে অভিযান চালানো হয়।

অভিযানে দেখা যায়, অটোবাইকে করে রোগী নিয়ে হাসপাতালের বহির্বিভাগে প্রবেশ করতেই দালাল চক্র রোগীর স্বজনের অটোবাইক আটকে তাদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে। আবার কোনো দালাল সড়কে দাঁড়িয়ে ও কোনো দালাল পাশের দোকানে দাঁড়িয়ে রোগীর স্বজনদের বিভ্রান্ত করে প্রতারণার ফাঁদে ফেলার চেষ্টা করছে। এমন অবস্থায় তাদের আটক করার পর প্রত্যেককে ১০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

এ ব্যাপারে অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া সহকারী কমিশনার (ভূমি) এসএম ফুয়াদ বলেন, এই চক্রের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় অভিযান চালালেও কিছুদিন পর আবার তারা সক্রিয় হয়। সম্প্রতি সক্রিয় হয়ে রোগীর স্বজনদের হয়রানি করছিল। অভিযানে গিয়ে দালালি কার্যক্রম চালানোর সময় হাতেনাতে তাদের ধরা হয়েছে। অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে এ ধরণের অন্যায় কার্যক্রম করতে দেওয়া হবে না।

সূত্র: কালবেলা