|
| |
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর, ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বত্ব © ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

সর্বশেষঃ

অক্টোবরে রপ্তানি আয় বেড়েছে ৪.৩৯ শতাংশ

গণমাধ্যম ডেক্স

গণমাধ্যম ডেক্স

প্রকাশ : ০১ নভেম্বর, ২০২৬, ১০:০১ পিএম
২১১ পঠিত
অক্টোবরে রপ্তানি আয় বেড়েছে ৪.৩৯ শতাংশ
যুক্ত থাকুন
সর্বশেষ খবরের জন্য ফলো করুন:
দেশের পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধির ধারা অব্যাহত রয়েছে। তৈরি পোশাকসহ বেশ কয়েক খাতের ইতিবাচক প্রবৃদ্ধির সুবাদে চলতি বছরের অক্টোবরে বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানি আয় গত বছরের একই মাসের তুলনায় ৪ দশমিক ৩৯ শতাংশ বেড়েছে। এ মাসে পণ্য রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ৩৯৯ কোটি মার্কিন ডলার। গত বছরের অক্টোবরে এ আয় ছিল ৩৮২ কোটি ডলা...

দেশের পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধির ধারা অব্যাহত রয়েছে। তৈরি পোশাকসহ বেশ কয়েক খাতের ইতিবাচক প্রবৃদ্ধির সুবাদে চলতি বছরের অক্টোবরে বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানি আয় গত বছরের একই মাসের তুলনায় ৪ দশমিক ৩৯ শতাংশ বেড়েছে। এ মাসে পণ্য রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ৩৯৯ কোটি মার্কিন ডলার। গত বছরের অক্টোবরে এ আয় ছিল ৩৮২ কোটি ডলার। এ ছাড়া চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম ৪ মাসের (জুলাই-অক্টোবর) হিসাবেও মোট রপ্তানি আয় বেড়েছে ৫ দশমিক ৮৮ শতাংশ।

রোববার (১ নভেম্বর) রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) প্রকাশিত সর্বশেষ পরিসংখ্যানে এ চিত্র উঠে এসেছে। ইপিবির তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে অক্টোবর সময়ে ১ হাজার ৭০৮ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে। আগের অর্থবছরের একই সময়ে যা ছিল ১ হাজার ৬১৩ কোটি ডলার।

দেশের মোট রপ্তানি আয়ের বড় অংশ আসে তৈরি পোশাক খাত থেকে। চলতি অর্থবছরের প্রথম চার মাসে এ খাত থেকে আয় হয়েছে ১ হাজার ৩৭৪ কোটি ডলার। গত অর্থবছরের একই সময়ে আয় হয়েছিল ১ হাজার ২৯৯ ডলার। অর্থাৎ এ সময়ে পোশাক রপ্তানি আয় বেড়েছে ৫ দশমিক ৮২ শতাংশ। এর মধ্যে নিট পোশাক থেকে ৬ দশমিক ৭৯ ও ওভেন পোশাক থেকে ৪ দশমিক ৬০ শতাংশ প্রবৃদ্ধির মুখ দেখেছে রপ্তানি আয়।

একক মাসের হিসাবেও পোশাক রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে। অক্টোবরে এ খাত থেকে আয় হয়েছে ৩১৬ কোটি ডলার। গত বছরের একই মাসে যা ছিল ৩০১ কোটি ডলার। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে অক্টোবরে প্রবৃদ্ধি ৪ দশমিক ৯০ শতাংশ।

চলতি অর্থবছরের প্রথম চার মাসে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যে আয় হয়েছে ৪৬ কোটি ডলার, আগের অর্থবছরে একই সময় যা ছিল ৪১ কোটি ডলার। অর্থাৎ এ খাতে রপ্তানি আয় বেড়েছে ১২ দশমিক ৪৭ শতাংশ। অন্যদিকে পাট ও পাটপণ্যের রপ্তানি আয়ও ২৭ কোটি ডলার থেকে ২৪ দশমিক ৮৮ শতাংশ বেড়ে ৩৪ কোটি ডলার হয়েছে।

এ ছাড়া হোম টেক্সটাইলে ৭ দশমিক ৮৬ শতাংশ, প্রকৌশলী পণ্যে ১২ দশমিক ৪৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে। তবে, কৃষিপণ্য, প্লাস্টিক, হিমায়িত ও তাজা মাছে রপ্তানি আয় কমেছে।

দেশভিত্তিক রপ্তানি আয়ের হিসাবে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় একক বাজার হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান অক্ষুণ্ন রয়েছে। চলতি অর্থবছরের জুলাই-অক্টোবর সময়ে দেশটিতে পণ্য রপ্তানি করে আয় হয়েছে ৩৩৪ কোটি ডলার। গত অর্থবছরের একই সময়ে এ আয় ছিল ৩০০ কোটি ডলার। রপ্তানি আয় বেড়েছে ১১ দশমিক ৫১ শতাংশ।

দ্বিতীয় বৃহত্তম রপ্তানি গন্তব্য যুক্তরাজ্য। চার মাসে দেশটিতে রপ্তানি আয় হয়েছে ১৭৪ ডলার। ১৫৬ কোটি ৬৮ লাখ ৯০ হাজার ডলারের রপ্তানি আয় নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে জার্মানি। আর চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে স্পেন। দেশটিতে জুলাই-অক্টোবর সময়ে রপ্তানি আয় হয়েছে ১৫১ কোটি ডলার। আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় দেশটির বাজারে রপ্তানি প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৩ দশমিক ৫৭ শতাংশ।

চলতি অর্থবছরের প্রথম চার মাসে প্রচলিত বাজারের পাশাপাশি নতুন ও উদীয়মান বাজারেও বাংলাদেশের পণ্যের রপ্তানি বাড়ছে। এর মধ্যে তুরস্কে সবচেয়ে বেশি ২৯ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে। গত অর্থবছরের একই সময়ে যা ছিল ১৫ কোটি ডলার। এ ছাড়া ভারতের বাজারেও বাংলাদেশের রপ্তানি ইতিবাচক ধারায় রয়েছে। দেশটি বাংলাদেশের রপ্তানি গন্তব্যের তালিকায় সপ্তম অবস্থানে রয়েছে। আর নবম অবস্থানে রয়েছে জাপান।

সূত্র: নতুন আরএসএস সোর্স