|
| |
শনিবার, ০৭ নভেম্বর, ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বত্ব © ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

সর্বশেষঃ

হাঁটুর জয়েন্টে প্রচণ্ড ব্যথা? হতে পারে মিনিসকাস ইনজুরি

গণমাধ্যম ডেক্স

গণমাধ্যম ডেক্স

প্রকাশ : ০৭ নভেম্বর, ২০২৬, ০৯:৫৩ এএম
১৯৭ পঠিত
হাঁটুর জয়েন্টে প্রচণ্ড ব্যথা? হতে পারে মিনিসকাস ইনজুরি
যুক্ত থাকুন
সর্বশেষ খবরের জন্য ফলো করুন:
ছোট ইনজুরি বা মিনিসকাসের বাইরের অংশে (যেখানে রক্তের সরবরাহ ভালো) রক্ত জমাট বাঁধার মাধ্যমে প্রাকৃতিকভাবে সেরে যাওয়ার সুযোগ থাকলে এই চিকিৎসা দেওয়া হয়।

মিনিসকাস ইনজুরি হাঁটুর একটি পরিচিত সমস্যা। হাঁটুর জয়েন্টে শক অ্যাবজর্বার বা কুশনের কাজ করে মিনিসকাস। মোচড় লাগলে বা অতিরিক্ত ওজনের চাপে এটি ছিঁড়ে যেতে পারে।

​​মিনিসকাস ইনজুরির লক্ষণ

  • হাঁটুতে, বিশেষ করে জোড়ার (জয়েন্ট) ভেতরের বা বাইরের পাশে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব হয়।

  • ইনজুরির ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হাঁটু ফুলে যেতে পারে এবং শক্ত হয়ে যায়।

  • হাঁটু আটকে যাওয়া বা হাঁটু পুরোপুরি ভাঁজ বা সোজা করতে সমস্যা হয়। মনে হয় যেন ভেতরে কিছু আটকে আছে।

  • হাঁটুতে ভর দিয়ে দাঁড়াতে বা ঘুরতে গেলে হাঁটু দুর্বল মনে হয় বা অবশ হয়ে যায়।

  • ​হাঁটু নড়াচড়া করার সময় পপ বা ক্লিক শব্দ হতে পারে।

চিকিৎসা কী

​মিনিসকাস ইনজুরির চিকিৎসা নির্ভর করে ইনজুরির তীব্রতা, রোগীর বয়স এবং তাঁর দৈনন্দিন কার্যক্রমের ওপর। 

প্রাথমিক চিকিৎসা

ছোট ইনজুরি বা মিনিসকাসের বাইরের অংশে (যেখানে রক্তের সরবরাহ ভালো) রক্ত জমাট বাঁধার মাধ্যমে প্রাকৃতিকভাবে সেরে যাওয়ার সুযোগ থাকলে এই চিকিৎসা দেওয়া হয়। 

  • ​হাঁটুতে অতিরিক্ত চাপ পড়ে, এমন কাজ থেকে বিরত থাকা।

  • দিনে ৩-৪ বার ১৫-২০ মিনিট বরফ দিলে ফোলা ও ব্যথা কমে।

  • হাঁটু স্থিতিশীল রাখতে ইলাস্টিক ব্যান্ডেজ ব্যবহার করা।

  • শোবার সময় হাঁটু বালিশের ওপর উঁচুতে রাখা, যাতে ফোলা কমে।

  • চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পেইনকিলার বা প্রদাহরোধী ওষুধ খাওয়া।

  • হাঁটু শক্তিশালী করার জন্য নির্দিষ্ট কিছু ব্যায়াম করা।

শল্যচিকিৎসা

​যদি ইনজুরি গুরুতর হয়, হাঁটু আটকে যায় কিংবা কনজারভেটিভ চিকিৎসায় কাজ না হয়, তবে অপারেশনের প্রয়োজন হতে পারে। সাধারণত আর্থ্রোস্কোপি নামক ছোট একটি দুরবিন পদ্ধতির মাধ্যমে এই সার্জারি করা হয়। 

​মিনিসকাস রিপেয়ার: ছিঁড়ে যাওয়া অংশটি সেলাই করে জোড়া লাগিয়ে দেওয়া 

মেনিসেকটমি: যদি মিনিসকাসের ক্ষতিগ্রস্ত অংশটি আর জোড়া লাগার মতো অবস্থায় না থাকে, তবে সেই অংশ কেটে বাদ দেওয়া হয়।

​মিনিসকাস ট্রান্সপ্ল্যান্ট: অত্যন্ত বিরল ক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্ত মিনিসকাস পুরোপুরি প্রতিস্থাপন করা হতে পারে। ​সার্জারির পর সম্পূর্ণ সুস্থ হতে কয়েক সপ্তাহ থেকে কয়েক মাস পর্যন্ত ফিজিওথেরাপি ও পুনর্বাসনের প্রয়োজন হয়।

  • অধ্যাপক ডা. জি এম জাহাঙ্গীর হোসেন, অর্থোপেডিক সার্জারি বিশেষজ্ঞ,  অর্থোপেডিক সার্জারি বিভাগ, বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতাল, শ্যামলী, ঢাকা।

সূত্র: প্রথম আলো