|
| |
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বত্ব © ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

টঙ্গীর মাদ্রাসায় হামলার মামলায় রুমির আগাম জামিন আবেদন

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ : ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ০৫:১৩ পিএম
৩০৩ পঠিত
টঙ্গীর মাদ্রাসায় হামলার মামলায় রুমির আগাম জামিন আবেদন
যুক্ত থাকুন
সর্বশেষ খবরের জন্য ফলো করুন:
গাজীপুরের টঙ্গীতে মাদ্রাসায় হামলা-ভাঙচুর ও শিক্ষককে মারধরের অভিযোগে করা মামলায় হাইকোর্টে আগাম জামিন চেয়েছেন শাহজালাল রুমি। সাত বছর বয়সী শিশুকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে মাদ্রাসার এক শিক্ষককে মারধরের ঘটনায় তার বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেন প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ। বুধবার (২৮ অক্টোবর) বিষয়টি কালবেলাকে নিশ্চিত...
গাজীপুরের টঙ্গীতে মাদ্রাসায় হামলা-ভাঙচুর ও শিক্ষককে মারধরের অভিযোগে করা মামলায় হাইকোর্টে আগাম জামিন চেয়েছেন শাহজালাল রুমি। সাত বছর বয়সী শিশুকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে মাদ্রাসার এক শিক্ষককে মারধরের ঘটনায় তার বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেন প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ। বুধবার (২৮ অক্টোবর) বিষয়টি কালবেলাকে নিশ্চিত করেন রুমির আইনজীবী বেলাল হোসেন। এর আগে গত রোববার হাইকোর্টে আগাম জামিনের আবেদন করা হয়। বিচারপতি মো. সেলিম ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চে আবেদনটির শুনানি হতে পারে। রুমির আরেক আইনজীবী রুহুল আমিন হাসান বলেন, আইন ও বিচারব্যবস্থার প্রতি শ্রদ্ধাশীল রুমি আদালতের ওপর আস্থা রেখে নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনি পদক্ষেপ নিয়েছেন। বর্তমানে তিনি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলেও দাবি করেন এই আইনজীবী। গত ২১ অক্টোবর টঙ্গীর আউচপাড়া এলাকার ক্বারিউল কুরআন ইন্টারন্যাশনাল ক্যাডেট মাদ্রাসায় রুমির সাত বছর বয়সী শিশুকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় মাদ্রাসার শিক্ষক মো. মোসলেম উদ্দিনকে মারধর করেন রুমি। পরে ওই শিক্ষককে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়। এ ঘটনায় শিশুকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে টঙ্গী পশ্চিম থানায় মামলা করেন রুমি। অন্যদিকে, মাদ্রাসার অধ্যক্ষও তার বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেন। ওই মামলায় ১৭ লাখ টাকা চুরি, মারধর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ আনা হয়েছে। পাল্টা মামলা দায়েরের পর রুমির অবস্থান নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। সোমবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় তিনি দেশ ছেড়েছেন বলে দাবি করেন। তবে পরদিন এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তার বক্তব্যে ভিন্নতা দেখা যায়। মামলাগুলোর অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত ও আদালতের সিদ্ধান্তের আগে কাউকেই দোষী হিসেবে চূড়ান্তভাবে বিবেচনা করা যায় না।

সূত্র: কালবেলা