|
| |
বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর, ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বত্ব © ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

সর্বশেষঃ

অতিরিক্ত সময়ে ২ গোল হজম করেও পাকিস্তানকে হারাল ভারত

গণমাধ্যম ডেক্স

গণমাধ্যম ডেক্স

প্রকাশ : ০৫ নভেম্বর, ২০২৬, ০৫:৪৬ পিএম
৩২৫ পঠিত
অতিরিক্ত সময়ে ২ গোল হজম করেও পাকিস্তানকে হারাল ভারত
যুক্ত থাকুন
সর্বশেষ খবরের জন্য ফলো করুন:
জয় দিয়েই সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ-২০৬ এর মিশন শুরু করেছে ভারত। ঢাকা জাতীয় স্টেডিয়ামে আজ টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে তারা ৩-২ গোলে হারিয়েছে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানকে। ম্যাচের প্রথমার্ধেই প্রতিপক্ষের জালে ৩ গোল দিয়ে দাপট দেখায় টিম ইন্ডিয়া। কিন্তু ৯০ মিনিটের পরই দেখা যায় ভিন্ন চিত্র। ম্যাচের অতিরিক্ত সম...
জয় দিয়েই সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ-২০৬ এর মিশন শুরু করেছে ভারত। ঢাকা জাতীয় স্টেডিয়ামে আজ টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে তারা ৩-২ গোলে হারিয়েছে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানকে। ম্যাচের প্রথমার্ধেই প্রতিপক্ষের জালে ৩ গোল দিয়ে দাপট দেখায় টিম ইন্ডিয়া। কিন্তু ৯০ মিনিটের পরই দেখা যায় ভিন্ন চিত্র। ম্যাচের অতিরিক্ত সময়েই যেন ভেঙে পড়ে ভারতের ডিফেন্স। অতিরিক্ত সময়ের প্রথম মিনিটে জুনাইদ শাহের ক্রস থেকে হেডে গোল করেন নাজিব উল্লাহ। তার তিন মিনিট পরেই ম্যাককিলের থেকে পাস পেয়ে ব্যবধান বাড়ান আলি খান গাজি।  জাতীয় স্টেডিয়ামে ম্যাচের শুরু থেকেই বলের নিয়ন্ত্রণ ছিল ভারতের হাতে। ১৩ মিনিটে বাঁ প্রান্ত দিয়ে আক্রমণ গড়ে তোলেন মুহাম্মদ সুহাইল। বক্সে ঢুকে তার বাড়ানো বল পেয়ে ফাঁকা জালে পাঠান মোহনবাগানের ফরোয়ার্ড সুহেইল ভাট। এগিয়ে যায় ভারত। ছয় মিনিট পর ব্যবধান দ্বিগুণ করেন সুহেইল। মাঝমাঠ থেকে সূর্যবংশীর বাড়ানো থ্রু পাস ধরে পাকিস্তানের রক্ষণ ভেঙে বক্সে ঢুকে পড়েন তিনি। এক ডিফেন্ডারকে পেছনে ফেলে শরীর বাঁকিয়ে ডান পায়ের কোনাকুনি শটে লক্ষ্যভেদ করেন এই ফরোয়ার্ড। ৩২ মিনিটে ভারতের তৃতীয় গোলটি করেন কিপজেন। মাঝমাঠ থেকে বল নিয়ে এগিয়ে বক্সে ঢোকার মুখে কিপজেনকে পাস দেন নওফাল পুথনিভেত্তিল। জোরালো শটে বল জালে জড়ান কিপজেন। পাকিস্তানের গোলরক্ষক ইউসুফ বাট হাত লাগিয়েও ঠেকাতে পারেননি। দুই মিনিট পর ব্যবধান কমানোর সুযোগ পেয়েছিল পাকিস্তান। ভারতীয় বক্সে বিজয়ে ভার্গিসের দুর্বল ক্লিয়ারেন্সের সুযোগ নিতে গিয়ে সুর্যবংশীর ফাউলের শিকার হন খাট্টাক। পেনাল্টির নির্দেশ দেন রেফারি। কিন্তু স্পট-কিক থেকে বল পোস্টের অনেক ওপর দিয়ে মারেন শায়েক দোস্ত। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে আক্রমণের গতি বাড়ানোর চেষ্টা করে পাকিস্তান। বলের দখলও কিছুটা বাড়ে তাদের। তবে ভারতের গোলপোস্টে বড় কোনো বিপদ তৈরি করতে পারেনি তারা। বরং ৫৩ মিনিটে কিপজেনের চিপ অল্পের জন্য পোস্টের ওপর দিয়ে না গেলে ব্যবধান আরও বাড়তে পারত। ম্যাচের শেষ দিকে চোট ও একাধিক বদলির কারণে খেলার ছন্দে কিছুটা ছেদ পড়ে। ৭৭ মিনিটে ভারতীয় ফরোয়ার্ড ফারুক হাজী কাশেমের সঙ্গে পাকিস্তানের আলী খান গাজীর হাতাহাতি পরিস্থিতি উত্তপ্ত করে তোলে। তবে রেফারির হস্তক্ষেপে দ্রুতই তা নিয়ন্ত্রণে আসে। ৯০ মিনিট শেষে যোগ করা সময় শুরু হলে অবশ্য বদলে যায় ম্যাচের চিত্র। যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে বাঁ প্রান্ত থেকে জুনায়েদ শাহর বাঁকানো ক্রসে বক্সে লাফিয়ে উঠে হেড করেন নাজিব উল্লাহ। তার হেডে ব্যবধান কমায় পাকিস্তান (৩–১)। তিন মিনিট পর আবারও গোল। ৯৪ মিনিটে ডান দিক থেকে বদলি খেলোয়াড় মিকাইল আবদুল্লাহর বাড়ানো ক্রস পেনাল্টি বক্সের মাঝখানে পেয়ে ডান পায়ের দর্শনীয় শটে জালে পাঠান আলমগীর গাজী। গোলরক্ষক আরশ শেখের কিছুই করার ছিল না। মুহূর্তেই জমে ওঠে ম্যাচ। সমতায় ফেরার আশায় শেষ মুহূর্তে আক্রমণে ঝাঁপায় পাকিস্তান। তবে আর গোল পায়নি তারা। শেষ পর্যন্ত ৩–২ গোলের জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে ভারত।  

সূত্র: নতুন আরএসএস সোর্স