|
| |
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বত্ব © ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

সর্বশেষঃ

ইথিওপিয়ায় ড্রোন হামলায় ১৬ জন নিহত

গণমাধ্যম ডেক্স

গণমাধ্যম ডেক্স

প্রকাশ : ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ০৬:৩৩ পিএম
৩২০ পঠিত
ইথিওপিয়ায় ড্রোন হামলায় ১৬ জন নিহত
যুক্ত থাকুন
সর্বশেষ খবরের জন্য ফলো করুন:
ইথিওপিয়ার উত্তরাঞ্চলীয় আমহারা অঞ্চলে সংঘাত থেকে পালিয়ে আসা মানুষের একটি শিবিরে ড্রোন হামলায় অন্তত ১৬ বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবারের (২৯ অক্টোবর) এ হামলায় আহত হয়েছেন আরও ২২ জন। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ও সংঘাত পর্যবেক্ষণকারী সংস্থাগুলো এ তথ্য জানিয়েছে। খবর আনাদোলু এজেন্সির। রাজধানী আদ্দিস আবা...

ইথিওপিয়ার উত্তরাঞ্চলীয় আমহারা অঞ্চলে সংঘাত থেকে পালিয়ে আসা মানুষের একটি শিবিরে ড্রোন হামলায় অন্তত ১৬ বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবারের (২৯ অক্টোবর) এ হামলায় আহত হয়েছেন আরও ২২ জন। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ও সংঘাত পর্যবেক্ষণকারী সংস্থাগুলো এ তথ্য জানিয়েছে। খবর আনাদোলু এজেন্সির।

রাজধানী আদ্দিস আবাবা থেকে প্রায় ৪৩০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে হায়িক শহরের কাছে হায়িক জারি-২ তুর্ক শিবিরে হামলাটি চালানো হয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের তথ্য অনুযায়ী, নিহতদের মধ্যে তিন অন্তঃসত্ত্বা নারী, আট বছর বয়সী এক শিশু ও কয়েকজন শিক্ষার্থী রয়েছেন।

ইথিওপীয় সংবাদমাধ্যম আদ্দিস স্ট্যান্ডার্ডকে এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, বাস্তুচ্যুত মানুষজন আশ্রয়কেন্দ্রের ভেতরে থাকা অবস্থায় অন্তত পাঁচ দফায় শিবিরটিতে ড্রোন হামলা চালানো হয়। প্রতিটি হামলার মধ্যে প্রায় ১৫ মিনিট বিরতি ছিল। শিবিরে ড্রোন হামলা হতে পারে, তা তারা কল্পনাও করেননি বলে জানান ওই প্রত্যক্ষদর্শী।

সংঘাত পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা ফ্রন্টলাইনস ইথিওপিয়াও ২৯ অক্টোবরের এ হামলার তথ্য নথিভুক্ত করেছে। স্থানীয় অন্য সূত্রগুলো ওই এলাকায় ড্রোন ও কামানের গোলা; দুই ধরনের হামলার খবর জানিয়েছে।

বাসিন্দারা জানান, হামলায় ২০টির বেশি আশ্রয়কেন্দ্রে আগুন ধরে যায়। এতে পরিবারগুলো প্রাণ বাঁচাতে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়। এ সময় অনেক শিশু পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।

আহতদের হায়িক হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। গুরুতর আহতদের উন্নত চিকিৎসার জন্য দেশটির দেসি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

শিবিরটিতে এক হাজার ৮০০ জনের বেশি বাস্তুচ্যুত মানুষ বসবাস করেন। তাদের অনেকেই ওরোমিয়া অঞ্চলের ওয়োলেগাসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে সহিংসতার কারণে পালিয়ে এসেছেন। খাদ্য, ওষুধ ও আশ্রয়ের সংকটের মধ্যে আন্তর্জাতিক সহায়তা কমে যাওয়ায় এসব পরিবারের মানবিক পরিস্থিতি আরও নাজুক হয়ে পড়েছে।

২০২৩ সাল থেকে আমহারা অঞ্চলে দেশটির কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বাহিনী ও ফানো মিলিশিয়াদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে সংঘর্ষ চলছে। সামরিক অভিযান, বিশেষ করে ড্রোন হামলায় ওই অঞ্চলের বেসামরিক জনগোষ্ঠীও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

সূত্র: কালবেলা