|
| |
সোমবার, ০২ নভেম্বর, ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বত্ব © ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

সর্বশেষঃ

জার্মানিতে বিক্ষোভের পর ভাঙচুর ও লুটপাট, গ্রেপ্তার ৫৪

গণমাধ্যম ডেক্স

গণমাধ্যম ডেক্স

প্রকাশ : ০২ নভেম্বর, ২০২৬, ০৮:০২ এএম
১৭৪ পঠিত
জার্মানিতে বিক্ষোভের পর ভাঙচুর ও লুটপাট, গ্রেপ্তার ৫৪
যুক্ত থাকুন
সর্বশেষ খবরের জন্য ফলো করুন:
  জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্টে বিক্ষোভের সময় ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় ৫৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় ১৭টি দোকান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যার মধ্যে পাঁচটিতে লুটপাট চালানো হয়েছে। সংঘর্ষে আহত হয়েছেন পুলিশের শতাধিক সদস্য। এ ঘটনার পর দাঙ্গা ও লুটপাটে জড়িত ব্যক্তিদের কঠোর শাস্তির হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দেশটির মন্...

 

জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্টে বিক্ষোভের সময় ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় ৫৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় ১৭টি দোকান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যার মধ্যে পাঁচটিতে লুটপাট চালানো হয়েছে। সংঘর্ষে আহত হয়েছেন পুলিশের শতাধিক সদস্য। এ ঘটনার পর দাঙ্গা ও লুটপাটে জড়িত ব্যক্তিদের কঠোর শাস্তির হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দেশটির মন্ত্রীরা।

শনিবার জার্মানির বিভিন্ন শহরে শিক্ষা খাতে বরাদ্দ বাড়ানো, জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো এবং সামাজিক সেবা ও স্বাস্থ্য খাতের কাটছাঁট বন্ধের দাবিতে বিক্ষোভ করেন হাজারো মানুষ। ‘জেন জি রেগেল্ট’ (জেন জি দায়িত্ব নেবে) নামের একটি আন্দোলন গোষ্ঠী এসব কর্মসূচির আয়োজন করে। কয়েক ডজন শহরে বিক্ষোভ হলেও ফ্রাঙ্কফুর্টে পরিস্থিতি সবচেয়ে বেশি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

হেসে রাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রোমান পোসেক জানান, ফ্রাঙ্কফুর্টে মুখোশধারী বিক্ষোভকারীরা ১৭টি দোকানে ভাঙচুর করেন এবং পাঁচটি দোকানে লুটপাট চালান। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ১ হাজার ৩০০ পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়। সংঘর্ষে পুলিশের শতাধিক সদস্য আহত হন। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বয়স ১৩ থেকে ২৯ বছরের মধ্যে।

পুলিশ জানায়, বিক্ষোভকারীরা বিভিন্ন স্থাপনার জানালা ভাঙচুর করেন এবং পুলিশ ও জরুরি সেবাকর্মীদের লক্ষ্য করে পেট্রলবোমা, পাথর ও বোতল ছোড়েন।

জার্মানির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলেক্সান্ডার ডব্রিন্ট বলেন, দাঙ্গা ও ভাঙচুরে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে বিচারের মুখোমুখি করা হবে। এ ধরনের ঘটনা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

হেসে রাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের অধিকাংশই জার্মান নাগরিক। পুলিশের তথ্যের বরাত দিয়ে তিনি দাবি করেন, সহিংসতায় জড়িত অনেকের অভিবাসী পটভূমি রয়েছে। তবে এ দাবির পক্ষে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি।

এদিকে ফ্রান্সে টানা তৃতীয় সপ্তাহের মতো বিক্ষোভ হয়েছে। তবে সেখানে পরিস্থিতি অনেকটাই শান্তিপূর্ণ ছিল। গত ১৭ অক্টোবরের বিক্ষোভে দেশটির বিভিন্ন দোকান, সরকারি ভবন ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছিল।

জার্মান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে বিদেশি উগ্রপন্থী গোষ্ঠীগুলোর সহিংসতা উসকে দেওয়ার আশঙ্কায় আগেই সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ জোরদার করা হয়েছিল।

সূত্র: রয়টার্স

সূত্র: নতুন আরএসএস সোর্স