|
| |
শনিবার, ০৭ নভেম্বর, ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বত্ব © ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

সর্বশেষঃ

‘সংগ্রাম, লড়াই ও অভ্যুত্থান হয়েছে কিন্তু বিপ্লব সংগঠিত হয়েছে একটিই’

গণমাধ্যম ডেক্স

গণমাধ্যম ডেক্স

প্রকাশ : ০৭ নভেম্বর, ২০২৬, ০৮:৫৫ পিএম
২৫০ পঠিত
‘সংগ্রাম, লড়াই ও অভ্যুত্থান হয়েছে কিন্তু বিপ্লব সংগঠিত হয়েছে একটিই’
যুক্ত থাকুন
সর্বশেষ খবরের জন্য ফলো করুন:
পাবনা-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ও শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস বলেছেন, এই উপমহাদেশে অনেক সংগ্রাম, লড়াই ও অভ্যুত্থান হয়েছে কিন্তু বিপ্লব সংগঠিত হয়েছে একটিই, আর সেটি ৭ নভেম্বর। শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দি...

পাবনা-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ও শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস বলেছেন, এই উপমহাদেশে অনেক সংগ্রাম, লড়াই ও অভ্যুত্থান হয়েছে কিন্তু বিপ্লব সংগঠিত হয়েছে একটিই, আর সেটি ৭ নভেম্বর।

শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে পাবনায় জেলা বিএনপির আয়োজনে বিশাল শোভাযাত্রা শেষে এক আলোচনা সভায় এ কথা বলেন তিনি। 

শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস বলেন, ৭ নভেম্বরের বিপ্লবের মধ্য দিয়ে আধিপত্যবাদ, সাম্রাজ্যবাদ, শোষণ ও বঞ্চনাকে পরাভূত করে স্বাধীনতার পতাকা ও জাতীয় সংহতি সুসংহত হয়েছে। শহীদ জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে দেশে অনেক ঐতিহাসিক পরিবর্তন সাধিত হয়েছে।

জিয়াউর রহমানের ভূমিকা তুলে ধরে শিমুল বিশ্বাস বলেন, ১৯৬৫ সালের যুদ্ধে খেমকারান রণক্ষেত্রে বীরত্ব প্রদর্শন, ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সূচনালগ্নে স্বাধীনতার ঘোষণা এবং ১৯৭৫ সালে দেশের সার্বভৌমত্ব হুমকির মুখে পড়লে সিপাহি-জনতার অভ্যুত্থানের নেতৃত্ব দেওয়া তার ঐতিহাসিক অবদান।

তিনি বলেন, স্বল্প সময়ের মধ্যে জিয়াউর রহমান প্রবাসী শ্রমিকদের রেমিট্যান্স আসার পথ উন্মোচন করেন, যা আজ দেশের অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি। তার হাত ধরেই নারী শ্রমিকসহ লাখো মানুষের কর্মসংস্থানের বৃহত্তম খাত তৈরি পোশাকশিল্প গড়ে ওঠে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

এছাড়া কৃষি উৎপাদনে পরিবর্তন এনে খাদ্য স্বয়ংসম্পূর্ণতার পথ দেখানো, ওষুধশিল্পে স্বনির্ভরতার উদ্যোগ এবং শিল্প-কারখানায় তিন শিফটে উৎপাদন চালুর কথাও তিনি তুলে ধরেন। দারিদ্র্য ও বঞ্চনা দূর করে উন্নত বাংলাদেশ গড়তে জিয়াউর রহমানের ১৯ দফা কর্মসূচিকে তিনি সার্বভৌম ও উন্নত বাংলাদেশের স্বপ্ন হিসেবে অভিহিত করেন।

শিমুল বিশ্বাস বলেন, দেশের লুটেরা শ্রেণি ও আধিপত্যবাদী শক্তি ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে জিয়াউর রহমানকে হত্যা করে দেশের অগ্রযাত্রা থামিয়ে দিতে চেয়েছিল। কিন্তু তার আদর্শ ও ছবি আজও নেতাকর্মীদের অনুপ্রেরণা ও শক্তি জোগায়।

তিনি আরও বলেন, সুযোগ পেলেই দেশের মানুষ জিয়াউর রহমানের দল, বেগম খালেদা জিয়ার দল ও তারেক রহমানের দলকে আপন করে নিয়েছে। দীর্ঘ ১৭ বছরের রক্তাক্ত লড়াই এবং ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর অবাধ নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ তারেক রহমানকে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত করেছে। সেই নতুন প্রেক্ষাপটে এবার ৭ নভেম্বর উদযাপিত হচ্ছে।

জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিবের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন- সদস্য সচিব মাসুদুর রহমান মাসুদ খন্দকার, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুস সামাদ খান মন্টু এবং যুগ্ম আহ্বায়ক নূর মোহাম্মদ মাসুম বগা ও শেখ তুহিন। জেলা বিএনপির পাশাপাশি ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, মহিলা দল ও শ্রমিক দলসহ সব অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।

সমাবেশের আগে জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে নেতাকর্মীরা ব্যানার-ফেস্টুন নিয়ে শোভাযাত্রা সহকারে জেলা কার্যালয়ে জড়ো হন। পরে কার্যালয় থেকে একটি বিশাল শোভাযাত্রা শহর প্রদক্ষিণ করে আবার কার্যালয়ে এসে শেষ হয়।

সূত্র: নতুন আরএসএস সোর্স