|
| |
শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বত্ব © ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

সর্বশেষঃ

ব্যবসায়ীকে অপহরণ মামলায় প্রধান আসামি কারাগারে

গণমাধ্যম ডেক্স

গণমাধ্যম ডেক্স

প্রকাশ : ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ০৩:০৫ পিএম
৩৯৪ পঠিত
ব্যবসায়ীকে অপহরণ মামলায় প্রধান আসামি কারাগারে
যুক্ত থাকুন
সর্বশেষ খবরের জন্য ফলো করুন:
কিশোরগঞ্জের ভৈরবে কাপড় ব্যবসায়ী সুমন সাহাকে অপহরণ, মুক্তিপণ আদায় এবং মিথ্যা অপবাদে ফাঁসানোর অভিযোগে করা আলোচিত মামলায় প্রধান আসামি আব্দুল্লাহ আল মামুনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় অপর আসামি তার স্ত্রী নার্গিস আক্তার অনুর জামিন মঞ্জুর করা হয়েছে। বুধবার (২৮ অক্টোবর) সকা...

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে কাপড় ব্যবসায়ী সুমন সাহাকে অপহরণ, মুক্তিপণ আদায় এবং মিথ্যা অপবাদে ফাঁসানোর অভিযোগে করা আলোচিত মামলায় প্রধান আসামি আব্দুল্লাহ আল মামুনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় অপর আসামি তার স্ত্রী নার্গিস আক্তার অনুর জামিন মঞ্জুর করা হয়েছে।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) সকালে কিশোরগঞ্জ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের আমল গ্রহণকারী সিআর ২ নম্বর আদালতের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. বিল্লাল হোসেন উভয় পক্ষের শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

প্রধান আসামি আব্দুল্লাহ আল মামুন নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার চানপুর ইউনিয়নের আলগী বাজার মাজেরচর এলাকার বাসিন্দা। ভুক্তভোগী সুমন সাহা ভৈরব পৌর শহরের নিউমার্কেটের ‘ফ্যাশন রুম’ নামের কাপড়ের দোকানের মালিক এবং ভৈরব বাজার টিনপট্টি এলাকার চন্দন সাহার ছেলে। 

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ব্যবসায়িক সূত্রে নার্গিস আক্তারের সঙ্গে কাপড় ব্যবসায়ী সুমনের পরিচয় হয়। তিনি সুমনের দোকান থেকে নিয়মিত নগদ ও বাকিতে কাপড় কিনতেন। একপর্যায়ে সুমনের কাছে তার ৫৬ হাজার ৪০০ টাকা পাওনা হয়। সেই পাওনা টাকা পরিশোধের কথা বলে দুই বছর আগে বাংলা নববর্ষের দিন (১৪ এপ্রিল) নার্গিস তার স্বামীর সহযোগিতায় সুমনকে নরসিংদীতে ডেকে নিয়ে একটি কক্ষে আটকে রাখেন।

অভিযোগে আরও বলা হয়, আটকে রেখে সুমনের পকেটে থাকা ৫ হাজার ৭০০ টাকা এবং বিকাশের মাধ্যমে প্রথমে ৩০ হাজার ও পরে ২০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়। পরে পরিবারের কাছে আরও এক লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হলে স্বজনরা ৬৫ হাজার টাকা দিয়ে তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। এছাড়া সুমনের কাছ থেকে জোরপূর্বক একটি ব্যাংক চেক নিয়ে তার বিরুদ্ধে আদালতে ১ কোটি ২০ লাখ টাকার চেক ডিজঅনারের মিথ্যা মামলা করা হয় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়।

কিশোরগঞ্জ জজ কোর্টের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান বলেন, শুনানি শেষে আদালত প্রধান আসামি মামুনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন এবং তার স্ত্রীর জামিন মঞ্জুর করেন।

ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী সুমন সাহা বলেন, আমাকে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে সামাজিকভাবে হেয় করা হয়েছিল। পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) তদন্তে আমি নির্দোষ প্রমাণিত হয়েছি। অপহরণের সঙ্গে আসামিদের সম্পৃক্ততার সত্যতা মিলেছে। তবে প্রধান আসামির স্ত্রীর জামিন হওয়ায় ন্যায়বিচার পেতে উচ্চ আদালতের শরণাপন্ন হবো।

সূত্র: কালবেলা