|
| |
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বত্ব © ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

সর্বশেষঃ

এক এনআইডিতে ৫ ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা নিবন্ধনের সুযোগ, যেভাবে আবেদন

গণমাধ্যম ডেক্স

গণমাধ্যম ডেক্স

প্রকাশ : ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ০৭:৪৬ পিএম
৪৩৮ পঠিত
এক এনআইডিতে ৫ ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা নিবন্ধনের সুযোগ, যেভাবে আবেদন
যুক্ত থাকুন
সর্বশেষ খবরের জন্য ফলো করুন:
দেশের সব সিটি করপোরেশন এলাকায় একটি জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) বিপরীতে সর্বোচ্চ পাঁচটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা বা ই-রিকশা নিবন্ধনের সুযোগ দিয়েছে সরকার। এক বা একাধিক সিটি করপোরেশন থেকে এসব যানবাহনের নিবন্ধন নেওয়া যাবে। তবে নিবন্ধন ছাড়া কোনো ই-রিকশা সড়কে চলাচল করতে পারবে না। নিবন্ধনের জন্য নির্ধারিত ফর...
দেশের সব সিটি করপোরেশন এলাকায় একটি জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) বিপরীতে সর্বোচ্চ পাঁচটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা বা ই-রিকশা নিবন্ধনের সুযোগ দিয়েছে সরকার। এক বা একাধিক সিটি করপোরেশন থেকে এসব যানবাহনের নিবন্ধন নেওয়া যাবে। তবে নিবন্ধন ছাড়া কোনো ই-রিকশা সড়কে চলাচল করতে পারবে না। নিবন্ধনের জন্য নির্ধারিত ফরমে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ফি জমা দিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করতে হবে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। ‘সিটি কর্পোরেশন এলাকায় তিন চাকার স্বল্পগতির ব্যাটারিচালিত রিক্সা (ই-রিক্সা) চলাচল বিধিমালা, ২০২৬’ নামে জারি করা বিধিমালাটি অবিলম্বে কার্যকর হবে। নতুন বিধিমালা অনুযায়ী, একটি জাতীয় পরিচয়পত্রের বিপরীতে যেকোনো এক বা একাধিক সিটি করপোরেশন থেকে সর্বোচ্চ পাঁচটি ই-রিকশার নিবন্ধন নেওয়া যাবে। তবে এক সিটি করপোরেশনে নিবন্ধিত ই-রিকশা অন্য কোনো সিটি করপোরেশন এলাকায় বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে চালানো যাবে না। প্রতিটি সিটি করপোরেশন সরকারের পূর্বানুমোদন নিয়ে সংশ্লিষ্ট ট্রাফিক বিভাগের সঙ্গে পরামর্শ করে নিজ নিজ এলাকায় ই-রিকশার সংখ্যা নির্ধারণ করবে। প্রয়োজনে পুরো সিটি করপোরেশন এলাকা কিংবা নির্দিষ্ট জোনভিত্তিক অনুমোদনযোগ্য ই-রিকশার সংখ্যা নির্ধারণ করা হবে। যেভাবে করবেন নিবন্ধনের আবেদন বিধিমালা অনুযায়ী, ই-রিকশা নিবন্ধনের জন্য সংশ্লিষ্ট সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর নির্ধারিত ফরমে আবেদন করতে হবে। আবেদনের সঙ্গে জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত অনুলিপি, সদ্য তোলা দুই কপি পাসপোর্ট আকারের সত্যায়িত ছবি, নিবন্ধন ফি জমার রসিদ এবং নির্ধারিত ফিটনেস সনদ জমা দিতে হবে। আবেদনপত্রে আবেদনকারীর বাংলা ও ইংরেজি নাম, বাবা-মায়ের নাম, জন্মতারিখ, বয়স, বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা, শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর উল্লেখ করতে হবে। এ ছাড়া নিবন্ধন করতে চাওয়া ই-রিকশার ধরন, যাত্রী ধারণক্ষমতা, প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানের নাম, মডেল, চেসিস নম্বর ও মোটর নম্বর দিতে হবে। গাড়ির মালিকের বিমা পলিসি থাকলে তার নম্বরও উল্লেখ করতে হবে। আবেদনপত্রের সঙ্গে নিবন্ধন ফি জমা দেওয়ার মূল রসিদ এবং নির্ধারিত ফিটনেস সনদ সংযুক্ত করতে হবে। একই সঙ্গে আবেদনকারীকে দাখিল করা সব তথ্য ও কাগজপত্র সঠিক বলে ঘোষণা দিতে হবে। পরবর্তী সময়ে কোনো তথ্য বা দলিল মিথ্যা প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া যাবে। ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে নিবন্ধন বিধিমালায় বলা হয়েছে, আবেদন পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জমা দেওয়া কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করবে। একই সঙ্গে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) নির্ধারিত প্রযুক্তিগত মানদণ্ড ও নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য পূরণ হয়েছে কি না, তা পরীক্ষা করা হবে। সব শর্ত পূরণ হলে আবেদন পাওয়ার ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে ই-রিকশার নিবন্ধন দেওয়া হবে। নিবন্ধনের মেয়াদ হবে পাঁচ বছর। প্রতিটি নিবন্ধিত ই-রিকশার জন্য কিউআর কোডযুক্ত একটি স্বতন্ত্র নিবন্ধন নম্বর ও নম্বর প্লেট দেওয়া হবে। কিউআর কোডযুক্ত নিবন্ধন নম্বর গাড়ির দৃশ্যমান স্থানে প্রদর্শন করতে হবে। তবে বুয়েট নির্ধারিত প্রযুক্তিগত মানদণ্ড ও নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী ফিটনেস সনদ এবং সংশ্লিষ্ট ট্রাফিক বিভাগের প্রতিস্বাক্ষর ছাড়া কোনো ই-রিকশার নিবন্ধন বা নবায়ন করা যাবে না। আবেদন বাতিল হলে আপিলের সুযোগ নিবন্ধনের আবেদন যাচাই-বাছাই করে কর্তৃপক্ষ সন্তুষ্ট না হলে তা নামঞ্জুর করতে পারবে। সে ক্ষেত্রে আবেদন বাতিলের কারণ সাত কার্যদিবসের মধ্যে আবেদনকারীকে লিখিতভাবে জানাতে হবে। আবেদন বাতিলের সিদ্ধান্তে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি আদেশ পাওয়ার ১০ কার্যদিবসের মধ্যে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আপিল করতে পারবেন। আপিলের ক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে। এদিকে নিবন্ধন গ্রহণ বা নিবন্ধন নবায়ন ছাড়া কোনো ই-রিকশা সড়কে চলাচল করতে পারবে না। নিবন্ধনের পাশাপাশি নির্ধারিত প্রযুক্তিগত মানদণ্ড ও নিরাপত্তার শর্তও পূরণ করতে হবে।

সূত্র: কালবেলা