|
| |
রবিবার, ০১ নভেম্বর, ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বত্ব © ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

সর্বশেষঃ

জামালপুরের ৩ কলেজে শতভাগ ফেল

গণমাধ্যম ডেক্স

গণমাধ্যম ডেক্স

প্রকাশ : ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ০৪:৩৬ পিএম
৪৩১ পঠিত
জামালপুরের ৩ কলেজে শতভাগ ফেল
যুক্ত থাকুন
সর্বশেষ খবরের জন্য ফলো করুন:
ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষায় চার জেলার মধ্যে সবচেয়ে কম পাসের হার জামালপুরে। জেলার তিনটি কলেজ থেকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ১৭ শিক্ষার্থীর একজনও পাস করতে পারেননি। ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি ২০২৬ পরীক্ষায় সার্বিক পাসের হার ৫১ দশমিক ৪৪ শতাংশ। এ বোর্ডে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ৭০ হাজার ৬৭৩ জন শিক্...

ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষায় চার জেলার মধ্যে সবচেয়ে কম পাসের হার জামালপুরে। জেলার তিনটি কলেজ থেকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ১৭ শিক্ষার্থীর একজনও পাস করতে পারেননি।

ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি ২০২৬ পরীক্ষায় সার্বিক পাসের হার ৫১ দশমিক ৪৪ শতাংশ। এ বোর্ডে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ৭০ হাজার ৬৭৩ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছেন ৩৬ হাজার ৩৫৪ জন।

জেলাভিত্তিক ফলাফলে সবচেয়ে ভালো করেছে ময়মনসিংহ জেলা। এ জেলায় পাসের হার ৫৯ দশমিক ৩৩ শতাংশ। অন্যদিকে, বোর্ডের চার জেলার মধ্যে সর্বনিম্ন পাসের হার জামালপুরে, ৪৩ দশমিক ৩৫ শতাংশ। শেরপুরে পাসের হার ৪৫ দশমিক ৬৫ এবং নেত্রকোনায় ৪৩ দশমিক ৯১ শতাংশ।

জামালপুরে এবার ১৫ হাজার ১২০ জন শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করেছেন ৬ হাজার ৫৫৪ জন। তবে জেলার তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ফলাফল আরও উদ্বেগজনক। প্রতিষ্ঠান তিনটি থেকে অংশ নেওয়া মোট ১৭ শিক্ষার্থীর সবাই ফেল করেছেন।

প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ইসলামপুর উপজেলার গোয়ালেরচর স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে সাতজন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে কেউই পাস করতে পারেননি। জামালপুর সদরের শ্রীপুর কুমারিয়া নাসুবা হাকিম স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে অংশ নেওয়া ছয় শিক্ষার্থীর সবাই ফেল করেছেন। একই অবস্থা মাদারগঞ্জ উপজেলার নব্যচর স্কুল অ্যান্ড কলেজের। প্রতিষ্ঠানটি থেকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া চার শিক্ষার্থীর একজনও পাস করতে পারেননি।

এ বিষয়ে জানতে শ্রীপুর কুমারিয়া নাসুবা হাকিম স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ নাসিম আলম সুজাকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।

জানতে চাইলে জামালপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) আফসানা তাসলিম বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখে মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদন পাঠানো হবে। প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে এসব প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে মন্ত্রণালয় পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে।

সূত্র: নতুন আরএসএস সোর্স