|
| |
রবিবার, ০১ নভেম্বর, ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বত্ব © ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

সর্বশেষঃ

হুইপ অপুর সিদ্ধান্তে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে: এমপি উর্মি

গণমাধ্যম ডেক্স

গণমাধ্যম ডেক্স

প্রকাশ : ০১ নভেম্বর, ২০২৬, ১০:৪২ এএম
৩৪৮ পঠিত
হুইপ অপুর সিদ্ধান্তে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে: এমপি উর্মি
যুক্ত থাকুন
সর্বশেষ খবরের জন্য ফলো করুন:
কুচক্রী মহলের ষড়যন্ত্র প্রতিহত করে জাতীয় সংসদের হুইপ ও শরীয়তপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপুর সিদ্ধান্তের পক্ষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শওকত আরা আক্তার (উর্মি)। একই সঙ্গে প্রস্তাবিত কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ডামুড্যায় স্থাপনে...
কুচক্রী মহলের ষড়যন্ত্র প্রতিহত করে জাতীয় সংসদের হুইপ ও শরীয়তপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপুর সিদ্ধান্তের পক্ষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শওকত আরা আক্তার (উর্মি)। একই সঙ্গে প্রস্তাবিত কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ডামুড্যায় স্থাপনের বিষয়ে অপুর সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে জানান তিনি। শনিবার (৩১ অক্টোবর) বিকেলে শরীয়তপুরের গোসাইরহাট উপজেলার দাশের জঙ্গল গো-হাটে হুইপ অপুর বিরুদ্ধে বক্তব্য দেওয়ার প্রতিবাদে আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। শওকত আরা আক্তার উর্মি বলেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে জিয়া পরিবার এবং অন্য নেতাকর্মীর মতো নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপুও চরম নির্যাতন ও ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছেন। সত্য বলতে, বৃহত্তর ফরিদপুরের অন্য কোনো নেতা তার মতো এত নির্যাতন সহ্য করেননি। তিনি আরও বলেন, নুরুদ্দিন অপু এই অঞ্চলের কৃতী সন্তান ও উন্নয়নের রূপকার। তার বলিষ্ঠ নেতৃত্ব ও হাত ধরেই এলাকার অতীত উন্নয়ন আজ দৃশ্যমান হয়েছে। প্রস্তাবিত কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়টি ডামুড্যায় প্রতিষ্ঠার বিষয়ে নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপুর সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে। ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলে এ সংসদ সদস্য বলেন, এ অবহেলিত ও বঞ্চিত এলাকায় যাতে বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হতে না পারে, সে জন্য একটি কুচক্রী মহল শুরু থেকেই নানা ধরনের ষড়যন্ত্র ও অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে সব ষড়যন্ত্র ভেদ করে জনগণের দাবির জয় হবে। শওকত আরা উর্মির বক্তব্যের আগে ও পরে বিক্ষোভকারীরা হুইপ অপুর বিরুদ্ধে দেওয়া বক্তব্যের প্রতিবাদ জানান। দাশের জঙ্গল গো-হাট থেকে মিছিলটি বের হয়ে উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে ফিরে আসে। পরে সেখানে প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে বক্তারা বলেন, রাজনৈতিক মতপার্থক্য গণতান্ত্রিক রাজনীতির স্বাভাবিক বিষয়। তবে মতবিরোধের জেরে কোনো রাজনৈতিক নেতাকে ব্যক্তিগতভাবে হেয়প্রতিপন্ন করা কিংবা মানহানিকর বক্তব্য দেওয়া গ্রহণযোগ্য নয়। বক্তারা জানান, গত ২৮ অক্টোবর শরীয়তপুর সদরে হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপুর বিরুদ্ধে মাহাবুব মোর্শেদ টিপু মাদবর ও নজরুল ইসলাম লিটন মুন্সির দেওয়া বক্তব্যের প্রতিবাদ জানাতেই তারা রাজপথে নেমেছেন। তাদের অভিযোগ, এ ধরনের বক্তব্য রাজনৈতিক অঙ্গনে বিভ্রান্তি ও বিরোধ বাড়াতে পারে। তাই অভিযোগের যথাযথ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন এবং দলীয় শৃঙ্খলা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তারা। সমাবেশের ব্যানার ও প্রচারপত্রে টিপু মাদবর ও লিটন মুন্সিকে দল থেকে বহিষ্কার এবং গ্রেপ্তারের দাবিও জানানো হয়। বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ শেষে বিক্ষোভকারীরা মাহাবুব মোর্শেদ টিপু মাদবরের প্রতীকী কুশপুত্তলিকায় জুতা দিয়ে আঘাত করেন। পরে তাতে আগুন ধরিয়ে প্রতিবাদ জানান তারা। সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন গোসাইরহাট উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মোবারক হোসেন ঢালী, পৌরসভা বিএনপির আহ্বায়ক আলাউদ্দিন সরদার, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আখতার হোসেন নান্টু খান, উপজেলা যুবদলের সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন, সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন, জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি বিল্লাল হোসেন সরদার, পৌরসভা যুবদলের সভাপতি জাকির হোসেন কালু ঢালী, সহসভাপতি লুৎফর রহমান মামুন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মোজাম্মেল হোসেন বাড়ী এবং জেলা ছাত্রনেতা জুনায়েদ ঢালী, সাইফুল ইসলাম, আবু তাহেরসহ নেতাকর্মীরা।

সূত্র: কালবেলা