|
| |
সোমবার, ০২ নভেম্বর, ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বত্ব © ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

সর্বশেষঃ

রক্তদানে জীবন, চক্ষুদানে ফিরতে পারে দৃষ্টিশক্তি

গণমাধ্যম ডেক্স

গণমাধ্যম ডেক্স

প্রকাশ : ০২ নভেম্বর, ২০২৬, ০৮:০৩ এএম
৩৯৭ পঠিত
রক্তদানে জীবন, চক্ষুদানে ফিরতে পারে দৃষ্টিশক্তি
যুক্ত থাকুন
সর্বশেষ খবরের জন্য ফলো করুন:
‘রক্তদানে জীবনের জয়গান, চক্ষুদানে আলোর সন্ধান’- এ প্রতিপাদ্য সামনে রেখে আজ সোমবার পালিত হচ্ছে জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস। স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মৃত্যুর পর চক্ষুদানে মানুষকে উদ্বুদ্ধ করতে প্রতিবছর ২ নভেম্বর দিবসটি পালন করা হয়। দিবসটি উপলক্ষে সন্ধানী জাতীয় চক্ষুদান সমিতি নানা কর্ম...
‘রক্তদানে জীবনের জয়গান, চক্ষুদানে আলোর সন্ধান’- এ প্রতিপাদ্য সামনে রেখে আজ সোমবার পালিত হচ্ছে জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস। স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মৃত্যুর পর চক্ষুদানে মানুষকে উদ্বুদ্ধ করতে প্রতিবছর ২ নভেম্বর দিবসটি পালন করা হয়। দিবসটি উপলক্ষে সন্ধানী জাতীয় চক্ষুদান সমিতি নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে সোমবার সকাল ৯টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত শোভাযাত্রা। এদিন সকাল ১০টায় বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের লেকচার হলে অনুষ্ঠিত হবে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। ১৯৭৮ সালের ২ নভেম্বর ডিএমসিএইচ ব্লাড ব্যাংকে প্রথমবারের মতো স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচির আয়োজন করে সন্ধানী। এর ধারাবাহিকতায় ১৯৯৫ সালে সন্ধানী আয়োজিত প্রথম স্বেচ্ছায় রক্তদান অনুষ্ঠানকে স্মরণীয় করে রাখতে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ২ নভেম্বরকে ‘জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস’ ঘোষণা করেন। বাংলাদেশে স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান আন্দোলনের পথিকৃৎ হিসেবে পরিচিত সন্ধানী। রক্তদান কার্যক্রমের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটি চক্ষু ব্যাংক হিসেবেও কাজ করছে। মৃত্যুর আগে স্বেচ্ছায় চক্ষুদানে মানুষকে উৎসাহিত করে সংগঠনটি, যাতে মৃত্যুর পর দান করা চোখের মাধ্যমে অন্য কেউ দৃষ্টিশক্তি ফিরে পেতে পারেন। সন্ধানী জাতীয় চক্ষুদান সমিতির তথ্য অনুযায়ী, ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে এ পর্যন্ত চার হাজার ২০৪টি কর্নিয়া সংগ্রহ করেছে সংগঠনটি। এসব কর্নিয়া প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে তিন হাজার ৫২৫ জন অন্ধ মানুষের দৃষ্টিশক্তি ফিরিয়ে দেওয়া সম্ভব হয়েছে। গতকাল রোববার (১ নভেম্বর) সন্ধানী জাতীয় চক্ষুদান সমিতির মহাসচিব কো-অর্ডিনেটর সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘দেশে অন্ধ জনসংখ্যা প্রায় ১৪ লাখের মতো। তাদের মধ্যে পাঁচ লাখের মতো কর্নিয়াজনিত অন্ধ।’

সূত্র: নতুন আরএসএস সোর্স