|
| |
সোমবার, ০২ নভেম্বর, ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বত্ব © ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

সর্বশেষঃ

ময়মনসিংহের মাসকান্দা বাস টার্মিনালে অবৈধ দোকান উচ্ছেদ

গণমাধ্যম ডেক্স

গণমাধ্যম ডেক্স

প্রকাশ : ০২ নভেম্বর, ২০২৬, ০৫:০৪ পিএম
৩৬৪ পঠিত
ময়মনসিংহের মাসকান্দা বাস টার্মিনালে অবৈধ দোকান উচ্ছেদ
যুক্ত থাকুন
সর্বশেষ খবরের জন্য ফলো করুন:
ময়মনসিংহ নগরীর মাসকান্দা কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেছে ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন। সোমবার (২ নভেম্বর) দুপুর ১২টা থেকে শুরু হওয়া এ অভিযানে ১১টি দোকান গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।  তবে দোকানমালিকদের পুনর্বাসনের জন্য আলাদা দোকান বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন সিটি করপোরেশনের প্...

ময়মনসিংহ নগরীর মাসকান্দা কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেছে ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন। সোমবার (২ নভেম্বর) দুপুর ১২টা থেকে শুরু হওয়া এ অভিযানে ১১টি দোকান গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। 

তবে দোকানমালিকদের পুনর্বাসনের জন্য আলাদা দোকান বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. রুকুনোজ্জামান রোকন।

সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতিতে প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এর আগে স্থাপনা সরিয়ে নিতে সংশ্লিষ্টদের সময় দেওয়া হয়েছিল বলে জানিয়েছে সিটি করপোরেশন।

অভিযান শেষে সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. রুকুনোজ্জামান রোকন বলেন, কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালটি সংস্কার ও পাকা করতে সিটি করপোরেশন উল্লেখযোগ্য অর্থ ব্যয় করেছে। এরপরও জায়গার সংকটে বাস টার্মিনালের ভেতরে পর্যাপ্ত গাড়ি রাখা যাচ্ছে না। ফলে অনেক বাস মূল সড়কে দাঁড় করিয়ে রাখতে হচ্ছে। এতে যানজট সৃষ্টি হওয়ায় সাধারণ মানুষকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এ সমস্যা সমাধান এবং বাস রাখার জায়গা বৃদ্ধি করতেই ১১টি দোকান উচ্ছেদ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, আমরা কাউকে পুনর্বাসন না করে উচ্ছেদ করছি না। যেসব দোকান মালিকের বৈধ কাগজপত্র রয়েছে, তাদের প্রত্যেককে আলাদা দোকান বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। পুনর্বাসনের ব্যবস্থার পরই আগের দোকানগুলো সরানো হচ্ছে। আমরা চাই, বাস টার্মিনালটি যানজটমুক্ত ও যাত্রীদের জন্য নিরাপদ হোক।

সিটি প্রশাসক আরও বলেন, বাস টার্মিনালে শ্রমিকদের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন উন্নয়নকাজ হাতে নেওয়া হয়েছে। শ্রমিকদের বিশ্রাম ও ঘুমানোর জন্য জায়গা, গোসলখানা এবং শৌচাগার নির্মাণের কাজ চলছে। পাশাপাশি টার্মিনালে একটি মসজিদ নির্মাণ করা হচ্ছে। পুরো টার্মিনালের মেঝে পাকা করা হয়েছে এবং চারপাশে সীমানা প্রাচীর নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।

যাত্রীদের সুবিধার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, নারীদের জন্য আলাদা ও আধুনিক অপেক্ষাকক্ষ তৈরি করা হয়েছে। সেখানে শিশুদের নিয়ে নির্বিঘ্নে অপেক্ষা করার উপযোগী পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি টার্মিনালের দুই পাশে বাগান ও বসার ব্যবস্থা করা হবে, যাতে যাত্রী ও পরিবহন শ্রমিকরা বিশ্রাম নিতে পারেন।

সূত্র: নতুন আরএসএস সোর্স