|
| |
শনিবার, ০৭ নভেম্বর, ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বত্ব © ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

সর্বশেষঃ

গুলি করে বাংলাদেশিকে ধরে নিয়ে গেল বিএসএফ, পতাকা বৈঠকের আহ্বান বিজিবির

গণমাধ্যম ডেক্স

গণমাধ্যম ডেক্স

প্রকাশ : ০৭ নভেম্বর, ২০২৬, ০৩:৫৫ পিএম
২৮৮ পঠিত
গুলি করে বাংলাদেশিকে ধরে নিয়ে গেল বিএসএফ, পতাকা বৈঠকের আহ্বান বিজিবির
যুক্ত থাকুন
সর্বশেষ খবরের জন্য ফলো করুন:
চুয়াডাঙ্গার জীবননগর সীমান্তে গুলি করে মনিরুল ইসলাম (৩৫) নামে এক বাংলাদেশিকে ধরে নিয়ে গেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তাকে ফেরাতে পতাকা বৈঠকের আহ্বান জানিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। তবে এখন পর্যন্ত বিএসএফের পক্ষ থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে জী...
চুয়াডাঙ্গার জীবননগর সীমান্তে গুলি করে মনিরুল ইসলাম (৩৫) নামে এক বাংলাদেশিকে ধরে নিয়ে গেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তাকে ফেরাতে পতাকা বৈঠকের আহ্বান জানিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। তবে এখন পর্যন্ত বিএসএফের পক্ষ থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে জীবননগর উপজেলার হরিহরনগর গ্রামের সীমান্তে মেইন পিলার ৬১/১-এস’র কাছে এ ঘটনা ঘটে। আহত মনিরুল ওই গ্রামের লিয়াকত ইসলামের ছেলে। তাকে ভারতের কৃষ্ণনগর জেলার শান্তিনগর জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মহেশপুর ব্যাটালিয়নের (৫৮ বিজিবি) ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক মেজর তোয়াসীন হাবীব হাসান জানান, এক বাংলাদেশি নাগরিক অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতের অভ্যন্তরে প্রবেশ করলে ৩২ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের অধীন টুঙ্গী ক্যাম্পের টহল দল তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। গুলির শব্দ পেয়ে বিজিবির মেদিনীপুর ক্যাম্পের টহল দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। এ সময় সীমান্ত ও সীমান্তবর্তী জনসাধারণের নিরাপত্তার কথা বিবেচনায় নিয়ে বিজিবি পাল্টা ফায়ার করে। ঘটনার পর সীমান্তে টহল ও নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, বিএসএফ আহত মনিরুলকে আটক করে ভারতের অভ্যন্তরে নিয়ে গেছে। এ বিষয়ে বিএসএফের সঙ্গে অধিনায়ক পর্যায়ে যোগাযোগ চলছে। পাশাপাশি কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠকের আহ্বান জানানো হয়েছে। তবে বিএসএফের পক্ষ থেকে এখনো কোনো সাড়া মেলেনি। স্থানীয় সূত্রের দাবি, শুক্রবার সন্ধ্যায় স্বর্ণ পাচারের উদ্দেশ্যে মনিরুলসহ সাতজন ভারতের অভ্যন্তরে প্রবেশ করেন। এ সময় ৩২ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের টুঙ্গী ক্যাম্পের টহল দল তাদের লক্ষ্য করে গুলি ও রাবার বুলেট ছোড়ে। এতে মনিরুলের পিঠের বিভিন্ন স্থানে রাবার বুলেট লাগে এবং পায়ে গুলিবিদ্ধ হন তিনি। একপর্যায়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়লে সঙ্গে থাকা অন্য ছয়জন পাশের খালে ঝাঁপ দিয়ে পালিয়ে যান। পরে বিএসএফ সদস্যরা আহত মনিরুলকে আটক করে নিয়ে যায়। মনিরুলের সঙ্গে থাকা অন্য ছয়জন হলেন কামাল উদ্দিনের ছেলে রাশেদ (৩২), তৈয়ব আলীর ছেলে আনিছ (৩৫), বগের ছেলে সোহান (২৫), কিনার উদ্দিনের ছেলে শাওন (২৬), মৃত বদরুদ্দিনের ছেলে মিন্টু (৩৮) এবং মতেহার হোসেনের ছেলে মশিয়ার (৪০)। স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য টিটু জানান, সন্ধ্যার পর সীমান্তের কাঁটাতারের কাছ থেকে গুলির শব্দ শোনা যায়। পরে জানতে পারেন, বিএসএফ মনিরুলকে আহত অবস্থায় আটক করে নিয়ে গেছে। তবে তার বর্তমান শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোলায়মান শেখ বলেন, ঘটনাটি তিনি শুনেছেন। তবে এ বিষয়ে প্রশাসনিকভাবে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য পাননি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

সূত্র: কালবেলা