|
| |
রবিবার, ০৮ নভেম্বর, ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বত্ব © ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

সর্বশেষঃ

সংসদে উঠছে ‘বগুড়া উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ’ বিল

গণমাধ্যম ডেক্স

গণমাধ্যম ডেক্স

প্রকাশ : ০৮ নভেম্বর, ২০২৬, ০৬:০৫ পিএম
৪২০ পঠিত
সংসদে উঠছে ‘বগুড়া উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ’ বিল
যুক্ত থাকুন
সর্বশেষ খবরের জন্য ফলো করুন:
বগুড়া ও এর সংলগ্ন এলাকাকে নিয়ে একটি আধুনিক, পরিকল্পিত ও পরিবেশবান্ধব নগর হিসেবে গড়ে তোলার আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হতে যাচ্ছে। সোমবার (০৯ নভেম্বর) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে বহুল প্রতীক্ষিত বগুড়া উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিল-২০২৬ উত্থাপিত হতে যাচ্ছে। জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের লেজিসলেটিভ সাপোর্ট উইংয়ের আইন প্রণয়ন শাখা-১...

বগুড়া ও এর সংলগ্ন এলাকাকে নিয়ে একটি আধুনিক, পরিকল্পিত ও পরিবেশবান্ধব নগর হিসেবে গড়ে তোলার আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হতে যাচ্ছে। সোমবার (০৯ নভেম্বর) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে বহুল প্রতীক্ষিত বগুড়া উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিল-২০২৬ উত্থাপিত হতে যাচ্ছে।

জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের লেজিসলেটিভ সাপোর্ট উইংয়ের আইন প্রণয়ন শাখা-১ কর্তৃক প্রকাশিত কর্মসূচি অনুযায়ী, বিকেল সাড়ে ৩টায় শুরু হতে যাওয়া সংসদের বৈঠকে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের বিলটি উত্থাপনের অনুমতি প্রার্থনা করবেন।

অনুমতি পাওয়ার পর বিলটি সংসদে উত্থাপন করা হবে এবং পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে বিস্তারিত রিপোর্ট দেওয়ার জন্য গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব করা হবে।

জানা গেছে, এর আগে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার ১৪তম বৈঠকে ‘বগুড়া উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন, ২০২৬’-এর খসড়ার নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়। লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের ভেটিং সাপেক্ষে অনুমোদিত এই আইনের উদ্দেশ্য হলো বগুড়া অঞ্চলে অপরিকল্পিত নগরায়ন রোধ, প্রাকৃতিক পরিবেশ ও প্রতিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, দুর্যোগ সহনশীল নগর ব্যবস্থাপনা এবং পর্যটন ও তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পের বিকাশ ঘটানো।

খসড়া আইন অনুযায়ী, বগুড়া সিটি করপোরেশন ও এর আশপাশের এলাকা নিয়ে একজন চেয়ারম্যান, সার্বক্ষণিক সদস্য এবং বিভিন্ন সরকারি সংস্থার প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে বগুড়া উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ নামে একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা গঠিত হবে। এই কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়া সংশোধিত সীমানার মধ্যে কোনো ভবন নির্মাণ বা উন্নয়ন প্রকল্প পরিচালনা করা যাবে না।

প্রস্তাবিত আইনে জলাশয়, নদী-নালা ও উন্মুক্ত স্থান সংরক্ষণে কড়া বিধিনিষেধ আরোপের পাশাপাশি অনুমোদনহীন নির্মাণ ও জলাধার ভরাটের মতো অপরাধের জন্য কঠোর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। এছাড়াও আধুনিক ভূমি ব্যবস্থাপনার অংশ হিসেবে ল্যান্ড রিডজাস্টমেন্ট ও ল্যান্ড রিডেভেলপমেন্ট পদ্ধতি যুক্ত করা হয়েছে।

এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানান, সংসদে বিলটি উত্থাপনের পর সার্বিক আনুষ্ঠানিকতা শেষে অনুমোদন পেলেই দ্রুততম সময়ে বগুড়া উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের দৃশ্যমান কার্যক্রম শুরু হবে।

সূত্র: নতুন আরএসএস সোর্স