|
| |
রবিবার, ০৮ নভেম্বর, ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বত্ব © ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

সর্বশেষঃ

রমজানে নিত্যপণ্যের আমদানি সহজ করতে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা

গণমাধ্যম ডেক্স

গণমাধ্যম ডেক্স

প্রকাশ : ০৮ নভেম্বর, ২০২৬, ০৬:০৭ পিএম
৩৬৯ পঠিত
রমজানে নিত্যপণ্যের আমদানি সহজ করতে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা
যুক্ত থাকুন
সর্বশেষ খবরের জন্য ফলো করুন:
রমজান উপলক্ষে নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্যের চাহিদা বাড়ার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে ১০ গুরুত্বপূর্ণ পণ্যের আমদানি সহজীকরণ, সরবরাহ নিশ্চিতকরণ এবং বাজারমূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখতে বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। রোববার (৮ নভেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত সার্কুলা...

রমজান উপলক্ষে নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্যের চাহিদা বাড়ার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে ১০ গুরুত্বপূর্ণ পণ্যের আমদানি সহজীকরণ, সরবরাহ নিশ্চিতকরণ এবং বাজারমূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখতে বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

রোববার (৮ নভেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত সার্কুলার জারি করা হয়েছে। সার্কুলারটি দেশের সব তপশিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, চাল, গম (আটা), পেঁয়াজ, ডাল, ভোজ্যতেল (সয়াবিন ও পাম অয়েল), চিনি, ছোলা, মটর, মসলা এবং খেজুর, এই ১০টি নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্যের আমদানি ঋণপত্র (এলসি) খোলার ক্ষেত্রে সংরক্ষণযোগ্য নগদ মার্জিনের হার ব্যাংকার-গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে ন্যূনতম পর্যায়ে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সার্কুলারে এসব পণ্যের আমদানিকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। অভ্যন্তরীণ বাজারে পণ্যগুলোর পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করতে ব্যাংকগুলোকে এসব পণ্যের আমদানি ঋণপত্র খোলার ক্ষেত্রে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৫ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে জারি করা এ নির্দেশনা অবিলম্বে কার্যকর হবে এবং আগামী ১৫ মার্চ ২০২৭ তারিখ পর্যন্ত বলবৎ থাকবে। এর আগে, রমজান মাসের চাহিদা বিবেচনায় কয়েকটি নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্য আমদানির ক্ষেত্রে নগদ মার্জিনের হার ন্যূনতম রাখার নির্দেশনা দিয়েছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। ওই নির্দেশনার মেয়াদ ৩১ মার্চে শেষ হয়।

নতুন এ সার্কুলার জারির ফলে রমজানকে সামনে রেখে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের আমদানি প্রক্রিয়া আরও গতিশীল হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সূত্র: নতুন আরএসএস সোর্স