|
| |
রবিবার, ০৮ নভেম্বর, ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বত্ব © ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

সর্বশেষঃ

আমন মৌসুমে সাড়ে ৮ লাখ টন ধান-চাল কিনবে সরকার

গণমাধ্যম ডেক্স

গণমাধ্যম ডেক্স

প্রকাশ : ০৮ নভেম্বর, ২০২৬, ০২:২৩ পিএম
২৭৭ পঠিত
আমন মৌসুমে সাড়ে ৮ লাখ টন ধান-চাল কিনবে সরকার
যুক্ত থাকুন
সর্বশেষ খবরের জন্য ফলো করুন:
চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে আমন মৌসুমে ৩ লাখ মেট্রিক টন ধান এবং ৫ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন চাল (মোট সাড়ে ৮ লাখ টন ধান ও চাল) সংগ্রহ করবে সরকার। এর মধ্যে ৫ লাখ মেট্রিক টন সিদ্ধ চাল এবং ৫০ হাজার মেট্রিক টন আতপ চাল রয়েছে। ধানের সংগ্রহমূল্য প্রতি কেজি ৩৫ টাকা, সিদ্ধ চাল ৪৯ টাকা এবং আতপ চাল ৪৮ টাকা নির্ধারণ করা...

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে আমন মৌসুমে ৩ লাখ মেট্রিক টন ধান এবং ৫ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন চাল (মোট সাড়ে ৮ লাখ টন ধান ও চাল) সংগ্রহ করবে সরকার। এর মধ্যে ৫ লাখ মেট্রিক টন সিদ্ধ চাল এবং ৫০ হাজার মেট্রিক টন আতপ চাল রয়েছে। ধানের সংগ্রহমূল্য প্রতি কেজি ৩৫ টাকা, সিদ্ধ চাল ৪৯ টাকা এবং আতপ চাল ৪৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

রোববার (৮ নভেম্বর) সচিবালয়ে তথ্য অধিদফতরের সংবাদ সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা।

প্রসঙ্গত. গত বছর সরকার ৫০ টাকায় সিদ্ধ চাল, আতপ চাল ৪৯ এবং ধান ৩৪ টাকায় কিনেছিল। এরমধ্যে ধান ১ লাখ ৫৩ হাজার মেট্রিক টন আর চাল কেনা হয়েছিল ৯ লাখ মেট্রিক টন।

তিনি জানান, আগামী ২৪ নভেম্বর থেকে আমন ধান সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু হবে। এই কার্যক্রম চলবে ২০২৭ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। অন্যদিকে,  চাল সংগ্রহ শুরু হবে আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে। এ কার্যক্রমও ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে।
খাদ্যমন্ত্রী বলেন, খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ কমিটির (এফপিএমসি) সভায় দেশের সার্বিক খাদ্য পরিস্থিতি, আমন আমন সংগ্রহ কার্যক্রম, খাদ্যশস্যের মজুত, সরকারি বিতরণ ও খাদ্যশস্য আমদানি বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।
তিনি বলেন, নির্বাচনি ইশতেহার ২০২৬-এর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী বর্তমান সরকারের লক্ষ্য বৈষম্যহীন অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন এবং টেকসই রাষ্ট্রীয় সক্ষমতা অর্জনের উদ্দেশ্যে কৃষককেন্দ্রিক আধুনিক কৃষিব্যবস্থা গড়ে তোলা। এ লক্ষ্যে ক্ষুধা ও দারিদ্র্য দূরীকরণ এবং খাদ্য ও পুষ্টিনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

আফরোজা খানম রিতা বলেন, কৃষকদের উৎপাদিত ফসলের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করাকে এই সংগ্রহ অভিযানের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছ।

সূত্র: নতুন আরএসএস সোর্স