|
| |
বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর, ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বত্ব © ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

সর্বশেষঃ

ওয়ানডেতে কোহলির সেরা ইনিংস: ৫৫ সেঞ্চুরির ওপরে সেই ৪৩ রান

গণমাধ্যম ডেক্স

গণমাধ্যম ডেক্স

প্রকাশ : ০৫ নভেম্বর, ২০২৬, ০৯:১৩ এএম
৩৫২ পঠিত
ওয়ানডেতে কোহলির সেরা ইনিংস: ৫৫ সেঞ্চুরির ওপরে সেই ৪৩ রান
যুক্ত থাকুন
সর্বশেষ খবরের জন্য ফলো করুন:
বিরাট কোহলির আজ ৩৮তম জন্মদিন। এই দিনে স্টার স্পোর্টসের সঙ্গে আলাপে তিনি বেছে নিয়েছেন নিজের সেরা ওয়ানডে ইনিংস।

ওয়ানডেতে ৩০৬ ইনিংসে একজন মানুষের শুধু সেঞ্চুরিই ৫৫টি। ফিফটি ৮০টি। এমন কাউকে এই সংস্করণে নিজের সেরা ইনিংস বেছে নিতে বলা হলে নিশ্চয়ই সেঞ্চুরিগুলোর ভেতর থেকে একটি উঠে আসবে।

কিন্তু মানুষটি যদি হন বিরাট কোহলি তাহলে এই ভাবনাটা ভুল। ওয়ানডেতে ভারতীয় কিংবদন্তির নিজের বিবেচনায় সেরা ইনিংস সেঞ্চুরিগুলোর একটিও নয়! এমনকি কোহলির পছন্দের তালিকায় নেই ফিফটির কোনো ইনিংসও।

আজ কোহলির ৩৮তম জন্মদিন। এ উপলক্ষে স্টার স্পোর্টসের এক্স হ্যান্ডলে আজ সকালে একটি ভিডিও পোস্ট করা হয়। সে ভিডিওতে টিভি চ্যানেলটির পক্ষ থেকে কোহলির কাছে জানতে চাওয়া হয়, তাঁর নিজের বিচারে সেরা ওয়ানডে ইনিংস কোনটি?

গতকাল রাতেই নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ভারতের প্রথম ওয়ানডে জয়ে ৭৪ রানের দারুণ ইনিংস খেলা কোহলি বেশ আগ্রহ নিয়েই প্রশ্নের উত্তর দেন। তবে সেই উত্তরগুলোয় কারও কারও বিস্ময়ও জাগতে পারে।

প্রথম প্রশ্নটি ছিল, ২০১২ সালে হোবার্টে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ১৩৩ নাকি ২০১১ বিশ্বকাপ ফাইনালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৩৫? হোবার্টে সে ম্যাচে শ্রীলঙ্কার ৩২১ রানের লক্ষ্য তাড়া করে ৪০ ওভারের মধ্যে জেতে ভারত। কিন্তু কোহলি সেই ইনিংসের চেয়ে বিশ্বকাপ ফাইনালে তাঁর ৩৫ রানের ইনিংসকেই এগিয়ে রাখেন। ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে ২০১১ বিশ্বকাপ ফাইনালে শ্রীলঙ্কাকে ৬ উইকেটে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় ভারত। দলীয় অর্জনকে সব সময় এগিয়ে রাখা কোহলি সম্ভবত বিশ্বকাপ জয়ের কারণেই ওই ইনিংসটাকে এগিয়ে রাখলেন।

কোহলিকে এরপর প্রশ্ন করা হয়, ২০২৩ বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৮৫ নাকি ২০১১ বিশ্বকাপ ফাইনালের ৩৫? দুই বছর আগের সেই বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়ার ১৯৯ তাড়া করতে নেমে ভারত ৩ রানে ২ উইকেট হারিয়ে ধুঁকছিল। এরপর ৮৫ রানের ইনিংসটি খেলেছিলেন কোহলি। কিন্তু এবারও সেই ৮৫ রানের চেয়ে কোহলির কাছে সেরা হয়ে রইল ৩৫।

কোহলি এরপর ২০১৭ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৩৫১ রান তাড়া করতে নেমে তাঁর ১২২ ও পরের বছর দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ১৬০ রানের চেয়েও এগিয়ে রাখেন তাঁর সেই ৩৫ রানের ইনিংসকে। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেই ম্যাচে ভারত ৬৩ রানে ৪ উইকেট হারানোর পর ১২২ রানের ইনিংসটি খেলেছিলেন কোহলি। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে কেপটাউনে ১৬০ রানের সেই ইনিংসে ১০০ রানই নিয়েছিলেন দৌড়ে।

তবে সেই ৩৫ হার মেনেছে অন্য এক ইনিংসের সামনে। কোহলির কাছে জানতে চাওয়া হয়, ২০১১ বিশ্বকাপ ফাইনালের ৩৫ নাকি ২০১৩ চ্যাম্পিয়নস ট্রফি ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৪৩?

বৃষ্টিবিঘ্নিত চ্যাম্পিয়নস ট্রফির সেই ফাইনাল নেমে এসেছিল ২০ ওভারের ম্যাচে। আগে ব্যাটিংয়ে নেমে ৬৬ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে ধুঁকছিল ভারত। রবীন্দ্র জাদেজার সঙ্গে ৪৭ রানের জুটি গড়ে বিপর্যয় কাটান কোহলি। ৩৪ বলে ৪৩ রান করে আউট হন। পরে ৫ রানের জয়ে শিরোপাও জেতে ভারত।

কোহলির বিবেচনায় সেই ৪৩ রানই তাঁর ওয়ানডে ক্যারিয়ারের সেরা ইনিংস। অর্থাৎ তাঁর বিবেচনায় সেরা দুটি ইনিংসেই ট্রফি জিতেছে ভারত। এ দুটি ইনিংসের কাছে হার মেনেছে ২০১২ এশিয়া কাপে পাকিস্তানের বিপক্ষে তাঁর ১৮৩, ২০১৫ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ১৩৮ এবং একই বছর বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বিপক্ষে ১০৭।

সূত্র: প্রথম আলো