|
| |
বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর, ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বত্ব © ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

সর্বশেষঃ

চট্টগ্রাম কাস্টমসে নিলামে উঠছে আপেল-আদা

গণমাধ্যম ডেক্স

গণমাধ্যম ডেক্স

প্রকাশ : ০৫ নভেম্বর, ২০২৬, ০২:৫৮ এএম
৩০৫ পঠিত
চট্টগ্রাম কাস্টমসে নিলামে উঠছে আপেল-আদা
যুক্ত থাকুন
সর্বশেষ খবরের জন্য ফলো করুন:
চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসে আমদানি করা তাজা আপেল ও আদার পাঁচটি পণ্যচালান প্রকাশ্য নিলামে বিক্রির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এসব পণ্যের সংরক্ষিত মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১ কোটি ৭৯ লাখ ৯১ হাজার ৯৯ টাকা। নিলামযোগ্য পাঁচটি চালানের মধ্যে দুটি চালানে রয়েছে মোট ৪৪০ কেজি তাজা আপেল। প্রতিটি চালানের সংরক্ষিত মূল্য ৪৬ লা...
চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসে আমদানি করা তাজা আপেল ও আদার পাঁচটি পণ্যচালান প্রকাশ্য নিলামে বিক্রির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এসব পণ্যের সংরক্ষিত মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১ কোটি ৭৯ লাখ ৯১ হাজার ৯৯ টাকা। নিলামযোগ্য পাঁচটি চালানের মধ্যে দুটি চালানে রয়েছে মোট ৪৪০ কেজি তাজা আপেল। প্রতিটি চালানের সংরক্ষিত মূল্য ৪৬ লাখ ৪১ হাজার ৬১৯ টাকা ২১ পয়সা। অন্যদিকে, তিনটি ৪০ ফুট কনটেইনারে রয়েছে আমদানি করা আদা। এর মধ্যে একটি কনটেইনারে ২৪ হাজার ৩০০ কেজি এবং বাকি দুটি কনটেইনারে ২৭ হাজার কেজি করে আদা রয়েছে। তিন কনটেইনারের আদার মোট সংরক্ষিত মূল্য ৮৭ লাখ ৭ হাজার ৮৬১ টাকা ৫৫ পয়সা। কাস্টমস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগ্রহী ক্রেতারা আগামী ৫ নভেম্বর অফিস চলাকালে সরেজমিনে পণ্যগুলো পরিদর্শন করতে পারবেন। পণ্য যে অবস্থায় রয়েছে, সেই অবস্থাতেই বিক্রি করা হবে। তাই দরপত্র জমা দেওয়ার আগে পণ্যের প্রকৃতি, পরিমাণ, গুণগত মান ও বর্তমান অবস্থা যাচাই করে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। নিলামে অংশ নিতে নির্ধারিত সংরক্ষিত মূল্যের ৫ শতাংশ জামানত দিতে হবে। এ জন্য যে কোনো তফসিলি ব্যাংক থেকে ‘কমিশনার, কাস্টম হাউস, চট্টগ্রাম’ বরাবর পে-অর্ডার, ব্যাংক ড্রাফট অথবা ডিমান্ড ড্রাফট জমা দিতে হবে। দরপত্রের সঙ্গে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রও দাখিল করতে হবে। আগামী ৯ নভেম্বর বেলা ২টা ৩০ মিনিটে কাস্টম হাউসের নিলাম শাখায় দরপত্র খোলা হবে। সর্বোচ্চ দর অনুমোদিত হলে সংশ্লিষ্ট ক্রেতাকে ডাকমূল্যের ওপর ১০ শতাংশ অগ্রিম আয়কর ও ১৫ শতাংশ মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) পরিশোধ করতে হবে। এরপর প্রচলিত কাস্টমস আইন ও বিধি অনুসরণ করে পণ্য খালাস নেওয়া যাবে। কাস্টম হাউসের সহকারী কমিশনার মো. শরীফ আল আমিন জানান, নিলাম কার্যক্রমে গতি আনা, রাজস্ব আহরণ বাড়ানো, বন্দরে পণ্যজট কমানো এবং বন্দরের ধারণক্ষমতার সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় রোধ ও বাণিজ্য সহজীকরণের বৃহত্তর স্বার্থে পচনশীল পণ্য দ্রুত, স্বচ্ছ, প্রতিযোগিতামূলক ও আইনানুগ প্রক্রিয়ায় নিষ্পত্তির লক্ষ্যেই প্রকাশ্য নিলামের আয়োজন করা হয়েছে।

সূত্র: কালবেলা