|
| |
রবিবার, ০৮ নভেম্বর, ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বত্ব © ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

সর্বশেষঃ

জাপানের মধ্যাঞ্চলে ৫.৭ মাত্রার ভূমিকম্প, আহত ২০ জনের বেশি

গণমাধ্যম ডেক্স

গণমাধ্যম ডেক্স

প্রকাশ : ০৮ নভেম্বর, ২০২৬, ০৭:২৯ এএম
২৮২ পঠিত
জাপানের মধ্যাঞ্চলে ৫.৭ মাত্রার ভূমিকম্প, আহত ২০ জনের বেশি
যুক্ত থাকুন
সর্বশেষ খবরের জন্য ফলো করুন:
আগামী কয়েক দিন শক্তিশালী পরাঘাতের আশঙ্কার সতর্কতা কর্তৃপক্ষের।

জাপানের মধ্যাঞ্চলে শক্তিশালী ভূমিকম্পে ২০ জনের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। ভূমিকম্পে দোকানের জানালার কাচ ভেঙে যায়। আতঙ্কিত হয়ে লোকজন বিভিন্ন ভবন থেকে বাইরে বেরিয়ে আসেন। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ও কর্তৃপক্ষের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা কিয়োদো। সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে এ তথ্য ফুটে উঠেছে। জাপানের আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় সময় রোববার রাত ১টা ৪ মিনিটে শিজুওকা প্রিফেকচারের পশ্চিমাঞ্চলে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৭। ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠের প্রায় ৪০ কিলোমিটার গভীরে। কিয়োদো জানিয়েছে, আইচি ও শিজুওকা প্রিফেকচারে ২০ জনের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। ভূমিকম্পে আইচি প্রিফেকচারের আশপাশের বিস্তীর্ণ এলাকা কেঁপে ওঠে। এর মধ্যে হামামাতসু শহর, প্রাচীন রাজধানী কিয়োটো ও নারা এবং মাউন্ট ফুজি অবস্থিত ইয়ামানাশি প্রিফেকচার রয়েছে। এ ছাড়া গিফু প্রিফেকচারেও কম্পন অনুভূত হয়। তবে ভূমিকম্পের পর সুনামির কোনো সতর্কতা জারি করা হয়নি। উৎপত্তিস্থল থেকে অনেক দূরে হওয়ায় টোকিওতে কম্পন অনুভূত হয়নি। জাপানের টেলিভিশনে প্রচারিত ছবিতে দেখা যায়, বিভিন্ন দোকানের জানালার কাচ ভেঙে সড়কে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে। একটি বইয়ের দোকানে তাক থেকে পড়ে যাওয়া বইয়ের স্তূপ জমে যায়। ভূমিকম্পের সময় আতঙ্কে বের হতে গিয়ে সিঁড়িতে পড়ে কয়েকজন আহত হয়েছেন। পরাঘাতের আশঙ্কায় সতর্কতা জাপানের আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী এক সপ্তাহ শক্তিশালী পরাঘাতের আশঙ্কা রয়েছে। বিশেষ করে আগামী দুই থেকে তিন দিন সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তরের কর্মকর্তা আয়াতাকা এবিতা সাংবাদিকদের বলেন, ভূমিধস, পাথর ধসে পড়া এবং বৃষ্টিপাতের সম্ভাব্য প্রভাব সম্পর্কে সতর্ক থাকুন। তিনি আরও জানান, জাপানের কিছু অংশের নিচে দুটি বড় টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থল নানকাই ট্রাফে এখন পর্যন্ত উল্লেখযোগ্য কোনো পরিবর্তন শনাক্ত হয়নি। বিজ্ঞানীরা এই সমুদ্রতলীয় খাদে ভবিষ্যতে অত্যন্ত শক্তিশালী ভূমিকম্পের আশঙ্কা করছেন। ভূমিকম্পের পর সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে স্থানীয় কয়েকটি ট্রেন চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে শিনকানসেন বুলেট ট্রেনের গতিও কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। রেল পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান জেআর সেন্ট্রাল জানিয়েছে, নিরাপত্তা পরীক্ষা চালানোর পর টোকিও ও ওসাকাকে সংযুক্তকারী টোকাইডো শিনকানসেন লাইনে শিজুওকা থেকে গিফু-হাশিমা স্টেশনের মধ্যবর্তী অংশে ট্রেন চলাচলে বিলম্ব হয়েছে।