|
| |
শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর, ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বত্ব © ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

সর্বশেষঃ

ভাঙা সাঁকোই ৮ গ্রামের মানুষের একমাত্র ভরসা, ঝুঁকি নিয়ে নদী পারাপার

গণমাধ্যম ডেক্স

গণমাধ্যম ডেক্স

প্রকাশ : ০৫ নভেম্বর, ২০২৬, ১০:৩৪ পিএম
৩৭৭ পঠিত
ভাঙা সাঁকোই ৮ গ্রামের মানুষের একমাত্র ভরসা, ঝুঁকি নিয়ে নদী পারাপার
যুক্ত থাকুন
সর্বশেষ খবরের জন্য ফলো করুন:
কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের কিশামত শিমুলবাড়ী এলাকায় বারোমাসিয়া (বাণিদাহ) নদীর ওপর নির্মিত বাঁশের সাঁকোটি ভেঙে যাওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন দুই পাড়ের অন্তত আট গ্রামের হাজার হাজার মানুষ। প্রায় ৩০০ ফুট দীর্ঘ সাঁকোটির অর্ধেকের বেশি অংশ ভেঙে যাওয়ায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নদী পারাপার হতে হচ্ছে...
কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের কিশামত শিমুলবাড়ী এলাকায় বারোমাসিয়া (বাণিদাহ) নদীর ওপর নির্মিত বাঁশের সাঁকোটি ভেঙে যাওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন দুই পাড়ের অন্তত আট গ্রামের হাজার হাজার মানুষ। প্রায় ৩০০ ফুট দীর্ঘ সাঁকোটির অর্ধেকের বেশি অংশ ভেঙে যাওয়ায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নদী পারাপার হতে হচ্ছে স্থানীয়দের। প্রায় দুই থেকে তিন মাস ধরে সাঁকোটি ভাঙা অবস্থায় পড়ে থাকলেও এখনো সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ফলে বাধ্য হয়ে কেউ বুকসমান পানি মাড়িয়ে, কেউ সাঁতরে আবার কেউ ভাঙা সাঁকো দিয়েই নদী পার হচ্ছেন। এতে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, নারী, শিশু ও বয়স্করা। সরেজমিনে দেখা যায়, নদীর ওপর নির্মিত প্রায় ৩০০ ফুট দীর্ঘ বাঁশের সাঁকোটির দক্ষিণ পাশের মাঝামাঝি প্রায় ১৫০ ফুট অংশ ভেঙে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। নদী পারাপারের বিকল্প কোনো ব্যবস্থা না থাকায় প্রতিদিনই দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে স্থানীয়দের। বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে যাতায়াত, কৃষিপণ্য পরিবহন এবং হাটবাজারে যাওয়া-আসায় দেখা দিয়েছে চরম ভোগান্তি। এ অবস্থায় দ্রুত সাঁকোটি সংস্কার অথবা নতুন করে নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। স্থানীয় স্কুলশিক্ষার্থী সুমন ও কলেজশিক্ষার্থী সাইফুল বলেন, বিকল্প রাস্তা না থাকায় স্কুল-কলেজে যেতে আমাদের অনেক কষ্ট হয়। কখনো সাঁতরে, আবার কখনো জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ভাঙা সাঁকো পার হতে হয়। সাঁকো পার হওয়ার সময় প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে। এটি মেরামত করা হলে আমাদের দুর্ভোগ কমবে। কিশামত শিমুলবাড়ী এলাকার মৎস্য খামারি আতাউর রহমান রতন বলেন, বারোমাসিয়া (বাণিদাহ) নদীর ওপর এই সাঁকোটি দুই পাড়ের হাজারো মানুষের চলাচলের একমাত্র ভরসা। দুই-তিন মাস আগে সাঁকোটি ভেঙে যাওয়ার পর থেকে মানুষ চরম দুর্ভোগে রয়েছেন। বিশেষ করে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা ঝুঁকি নিয়ে নদী পার হচ্ছে। আমরা দ্রুত সাঁকোটি মেরামতের দাবি জানাচ্ছি। নাওডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. হাছেন আলী জানান, ভেঙে যাওয়া সাঁকোটি দ্রুত পুনর্নির্মাণের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে জানানো হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জাহিদ হাসান বলেন, সাঁকোটি ভেঙে যাওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের দুর্ভোগের বিষয়টি প্রশাসনের নজরে রয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে। আশা করছি, দ্রুত সময়ের মধ্যে সেখানে একটি টেকসই বাঁশের সাঁকো নির্মাণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সূত্র: কালবেলা