|
| |
রবিবার, ০১ নভেম্বর, ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বত্ব © ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

সর্বশেষঃ

শীর্ষ সন্ত্রাসী বড় সাজ্জাদের ঘনিষ্ঠ সহযোগী সানি গ্রেপ্তার

গণমাধ্যম ডেক্স

গণমাধ্যম ডেক্স

প্রকাশ : ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ০৫:১২ পিএম
৩২৯ পঠিত
শীর্ষ সন্ত্রাসী বড় সাজ্জাদের ঘনিষ্ঠ সহযোগী সানি গ্রেপ্তার
যুক্ত থাকুন
সর্বশেষ খবরের জন্য ফলো করুন:
শীর্ষ সন্ত্রাসী বড় সাজ্জাদের ঘনিষ্ঠ সহযোগী মো. সাব্বির হোসেন সানিকে (৩৪) গ্রেপ্তার করেছে চট্টগ্রাম জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অনুসন্ধান ও নজরদারির পর শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) রাতে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার মো. সাব্বির হোসেন সানি...

শীর্ষ সন্ত্রাসী বড় সাজ্জাদের ঘনিষ্ঠ সহযোগী মো. সাব্বির হোসেন সানিকে (৩৪) গ্রেপ্তার করেছে চট্টগ্রাম জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অনুসন্ধান ও নজরদারির পর শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) রাতে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার মো. সাব্বির হোসেন সানি (৩৪) সাতক্ষীরার সাতবসু এলাকার মো. মালেকের ছেলে। তিনি চট্টগ্রাম নগরের পাঁচলাইশ থানার হামজারবাগ এলাকায় বসবাস করতেন।

পুলিশের দাবি, শীর্ষ সন্ত্রাসী বড় সাজ্জাদের ঘনিষ্ঠ এই সহযোগী মাসে ৫০ হাজার টাকা বেতনে কাজ করতেন। চাঁদা আদায়ে ব্যর্থ হলে তার নির্দেশে ভুক্তভোগীদের বাসা ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে সশস্ত্র হামলা চালানোর অভিযোগও রয়েছে। 

দীর্ঘদিন বিদেশে থাকা সানি বড় সাজ্জাদের নির্দেশনায় গত বছর দেশে ফিরে চট্টগ্রামে আসেন বলে পুলিশের প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে। এরপর বড় সাজ্জাদ ও বোরহানের হয়ে চাঁদাবাজি, মারামারিসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েন তিনি।

পুলিশের প্রাথমিক অনুসন্ধান অনুযায়ী, সানি বড় সাজ্জাদের ঘনিষ্ঠ ও বিশ্বস্ত সহযোগী। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি বড় সাজ্জাদের কাছ থেকে মাসে ৫০ হাজার টাকা বেতন পাওয়ার কথা জানিয়েছেন বলে দাবি পুলিশের। কারাগারে থাকা ডেভিড ইমনের পরিবর্তে চট্টগ্রামে চাঁদাবাজি ও অন্যান্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনার দায়িত্বও তাকে দেওয়া হয়েছিল বলে জানিয়েছে ডিবি।

পুলিশ জানিয়েছে, এই চক্রের সদস্যরা প্রভাব ও ভীতির পরিবেশ তৈরি করে বিভিন্ন ব্যক্তি ও ব্যবসায়ীর কাছ থেকে জোরপূর্বক টাকা আদায়ের চেষ্টা করতেন। কেউ চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে কিংবা টাকা আদায়ে ব্যর্থ হলে সানির নির্দেশে স্থানীয় সহযোগীদের দিয়ে ভুক্তভোগীর বাসা বা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে সশস্ত্র হামলা চালানো হতো বলে প্রাথমিক অনুসন্ধানে তথ্য পাওয়া গেছে।

চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক) মো. রাসেল কালবেলাকে বলেন, নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে সানির অবস্থান শনাক্ত করা হয়। তার বিরুদ্ধে চট্টগ্রামের পাঁচলাইশ ও হাটহাজারী থানায় পৃথক দুটি মামলা রয়েছে। সম্প্রতি চাঁদা দাবি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের একটি ঘটনার অডিও রেকর্ডও জেলা গোয়েন্দা পুলিশের হাতে এসেছে। ওই অডিওসহ অন্যান্য তথ্য-উপাত্ত যাচাই করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, চাঁদাবাজির সঙ্গে তার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সংশ্লিষ্টতা, সহযোগীদের পরিচয় এবং এই অপরাধী চক্রের কার্যক্রম উদ্ঘাটনে বিস্তারিত তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের ধারাবাহিক অভিযান ও গ্রেপ্তার তৎপরতার মুখে বড় সাজ্জাদ ও ডেভিড ইমনের নির্দেশে চট্টগ্রামে চাঁদাবাজি, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত অপরাধী চক্রের সদস্যরা অন্য জেলায় আত্মগোপন করলেও তাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে জেলা গোয়েন্দা শাখার তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।

সূত্র: নতুন আরএসএস সোর্স