|
| |
রবিবার, ০১ নভেম্বর, ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বত্ব © ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

সর্বশেষঃ

সাতকানিয়ায় এইচএসসির ফলাফলে বিপর্যয়

গণমাধ্যম ডেক্স

গণমাধ্যম ডেক্স

প্রকাশ : ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৪৬ পিএম
৩৯৬ পঠিত
সাতকানিয়ায় এইচএসসির ফলাফলে বিপর্যয়
যুক্ত থাকুন
সর্বশেষ খবরের জন্য ফলো করুন:
২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের পাসের হার ৫২.০৭ শতাংশ। তবে বোর্ডের গড় পাসের হারের তুলনায় সাতকানিয়া উপজেলার অধিকাংশ কলেজের ফলাফলে দেখা গেছে হতাশাজনক চিত্র। উপজেলার ৯টি কলেজের প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, মোট জিপিএ-৫ পেয়েছেন মাত্র ১৩ জন শিক্ষার্থী। প্রাপ্ত ফলাফলের তালিকা অনুযায়ী, সাতক...

২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের পাসের হার ৫২.০৭ শতাংশ। তবে বোর্ডের গড় পাসের হারের তুলনায় সাতকানিয়া উপজেলার অধিকাংশ কলেজের ফলাফলে দেখা গেছে হতাশাজনক চিত্র। উপজেলার ৯টি কলেজের প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, মোট জিপিএ-৫ পেয়েছেন মাত্র ১৩ জন শিক্ষার্থী।

প্রাপ্ত ফলাফলের তালিকা অনুযায়ী, সাতকানিয়া উপজেলার কলেজগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি পাসের হার অর্জন করেছে চিব্বাড়ী এম.এ. মোতালেব কলেজ। প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার ৭২.৭৭ শতাংশ। এ কলেজ থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪ জন।

অন্যদিকে সাতকানিয়া সরকারি কলেজের পাসের হার ৫১.০২ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৭ জন। আল-হেলাল আদর্শ ডিগ্রি কলেজের পাসের হার ৩৯.৫৩ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২ জন।

এছাড়া মির্জাখীল হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজের পাসের হার ৪০ শতাংশ, বারদোনা শাহ মজিদিয়া মাওলানা আবদুল বারী বালিকা স্কুল অ্যান্ড কলেজের ২৮.৫৭ শতাংশ, সাতকানিয়া আদর্শ মহিলা কলেজের ২৩.৫১ শতাংশ, উত্তর সাতকানিয়া জাফর আহমদ চৌধুরী কলেজের ২০.৩৮ শতাংশ এবং কর্নেল অলি আহমদ বীর-বিক্রম কলেজের পাসের হার ১৯.৮২ শতাংশ।

এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে মির্জাখীল হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ, বারদোনা শাহ মজিদিয়া মাওলানা আবদুল বারী বালিকা স্কুল অ্যান্ড কলেজ, সাতকানিয়া আদর্শ মহিলা কলেজ, উত্তর সাতকানিয়া জাফর আহমদ চৌধুরী কলেজ ও কর্নেল অলি আহমদ বীর-বিক্রম কলেজ থেকে কেউ জিপিএ-৫ পাননি।

অন্যদিকে উপজেলার ছদাহা কেফায়েত উল্লাহ কবির আহমদ স্কুল অ্যান্ড কলেজের পাসের হার মাত্র ৫.৮৮ শতাংশ। প্রতিষ্ঠানটি থেকেও কোনো শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করতে পারেননি।

সামগ্রিক ফলাফলে সাতকানিয়ার কলেজগুলোর এমন চিত্র স্থানীয় শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সচেতন মহলে শিক্ষার মান নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তৈরি করেছে। বিশেষ করে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের পাসের হার ২৫ শতাংশের নিচে নেমে আসায় শিক্ষার পরিবেশ, পাঠদান কার্যক্রম ও শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতির বিষয়গুলো পর্যালোচনার দাবি উঠেছে।

সূত্র: নতুন আরএসএস সোর্স