|
| |
রবিবার, ০১ নভেম্বর, ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বত্ব © ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

সর্বশেষঃ

অপরাধের স্বীকারোক্তি পেয়েও পুলিশকে জানায় না এআই, বাড়ছে উদ্বেগ

গণমাধ্যম ডেক্স

গণমাধ্যম ডেক্স

প্রকাশ : ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ০৫:৫৯ পিএম
৩৭২ পঠিত
অপরাধের স্বীকারোক্তি পেয়েও পুলিশকে জানায় না এআই, বাড়ছে উদ্বেগ
যুক্ত থাকুন
সর্বশেষ খবরের জন্য ফলো করুন:
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই চ্যাটবটের কাছে অপরাধের পরিকল্পনা কিংবা অপরাধে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করছেন অনেক ব্যবহারকারী। কিন্তু এসব তথ্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানো চ্যাটবটের দায়িত্ব কি না, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে আইনি ও নৈতিক বিতর্ক।  স্পষ্ট আইন ও নীতিমালার অভাবে অপরাধের তথ্য পেয়েও এআই প্রতিষ্ঠ...
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই চ্যাটবটের কাছে অপরাধের পরিকল্পনা কিংবা অপরাধে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করছেন অনেক ব্যবহারকারী। কিন্তু এসব তথ্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানো চ্যাটবটের দায়িত্ব কি না, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে আইনি ও নৈতিক বিতর্ক।  স্পষ্ট আইন ও নীতিমালার অভাবে অপরাধের তথ্য পেয়েও এআই প্রতিষ্ঠানগুলো কী পদক্ষেপ নেবে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। আলজেরিয়ার সংবাদমাধ্যম আনাদোলুর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত আগস্টে যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব মিসৌরির ১৯ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থী ক্যাম্পাসে পার্ক করা ১৭টি গাড়ি ভাঙচুরের কথা চ্যাটজিপিটিকে জানায়। এমনকি সে জানতে চেয়েছিল, এ ঘটনায় তার কারাদণ্ড হবে কি না। চ্যাটজিপিটি সম্ভাব্য পরিণতি সম্পর্কে তথ্য দেওয়ার পাশাপাশি কথোপকথন ক্রমেই আক্রমণাত্মক হয়ে উঠলে জরুরি নম্বর ৯১১-এ ফোন করার পরামর্শ দেয়। পরে শিক্ষার্থীর ফোন পরীক্ষা করে পুলিশ এসব কথোপকথন উদ্ধার করে, যা আদালতে তার বিরুদ্ধে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ফ্লোরিডার আরেক ঘটনায় নিখোঁজ হওয়ার পর মৃত অবস্থায় পাওয়া দুই কলেজ শিক্ষার্থীর রুমমেট ঘটনার কয়েক দিন আগে চ্যাটজিপিটিকে জানতে চেয়েছিলেন, মানুষের মরদেহ কালো আবর্জনার ব্যাগে ভরে ডাস্টবিনে ফেলে দিলে কী ঘটে। এদিকে কানাডার ব্রিটিশ কলাম্বিয়া প্রাদেশিক সরকার ওপেনএআইয়ের বিরুদ্ধে মামলা করেছে। অভিযোগ, একটি স্কুলে বন্দুক হামলার পরিকল্পনা নিয়ে হামলাকারীর চ্যাটজিপিটি কথোপকথন শনাক্ত হওয়ার পরও পুলিশকে জানানো হয়নি। ওই হামলায় ৯ জন নিহত ও ২৭ জন আহত হন। ওপেনএআইয়ের প্রধান নির্বাহী স্যাম অল্টম্যান এ ঘটনায় ক্ষমা চাইলেও নিরাপত্তা দলের সুপারিশ উপেক্ষা করে পুলিশকে সতর্ক না করার অভিযোগ উঠেছে। জার্মানির গ্যোটে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন গবেষক ম্যাথিউ ট্রেইল মনে করেন, অপরাধ সংঘটনের আগেই তা অনুমান করা এআইয়ের প্রধান কাজ হওয়া উচিত নয়।  অন্যদিকে কানাডার আইন অধ্যাপক রবার্ট দিয়াবের মতে, সন্দেহজনক কথোপকথন পুলিশকে জানালে অপরাধ প্রতিরোধ সম্ভব হতে পারে। তবে এতে মিথ্যা সতর্কবার্তার সংখ্যাও বাড়তে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এআইয়ের কাছে ব্যক্তিগত কথোপকথন আইনজীবী কিংবা চিকিৎসকের সঙ্গে গোপনীয় যোগাযোগের সমান সুরক্ষা পায় না। ফলে ব্যবহারকারীর তথ্যের গোপনীয়তা, নিরাপত্তা এবং অপরাধ প্রতিরোধের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষায় সুস্পষ্ট নীতিমালা জরুরি হয়ে উঠেছে।    সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

সূত্র: নতুন আরএসএস সোর্স