|
| |
রবিবার, ০১ নভেম্বর, ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বত্ব © ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

সর্বশেষঃ

৯ শিক্ষার্থীর বিপরীতে ২৫ শিক্ষক, সবাই ফেল

গণমাধ্যম ডেক্স

গণমাধ্যম ডেক্স

প্রকাশ : ০১ নভেম্বর, ২০২৬, ০৫:৪৮ পিএম
৪০৬ পঠিত
৯ শিক্ষার্থীর বিপরীতে ২৫ শিক্ষক, সবাই ফেল
যুক্ত থাকুন
সর্বশেষ খবরের জন্য ফলো করুন:
কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার শশাইয়া ফাজিল মাদ্রাসায় এ বছরের আলিম পরীক্ষায় অংশ নেওয়া কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেননি। প্রতিষ্ঠানটিতে বিভিন্ন স্তরে মোট ২৫ জন শিক্ষক কর্মরত থাকলেও শতভাগ পরীক্ষার্থী অকৃতকার্য হওয়ায় চরম ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেছেন অভিভাবক ও স্থানীয় বাসিন্দারা। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা...

কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার শশাইয়া ফাজিল মাদ্রাসায় এ বছরের আলিম পরীক্ষায় অংশ নেওয়া কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেননি। প্রতিষ্ঠানটিতে বিভিন্ন স্তরে মোট ২৫ জন শিক্ষক কর্মরত থাকলেও শতভাগ পরীক্ষার্থী অকৃতকার্য হওয়ায় চরম ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেছেন অভিভাবক ও স্থানীয় বাসিন্দারা।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, চলতি বছর শশাইয়া ফাজিল মাদ্রাসা থেকে আলিম পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার জন্য মোট ১১ জন শিক্ষার্থী নিবন্ধন করেছিলেন। পরীক্ষা কেন্দ্র পর্যন্ত পৌঁছায় ৯ জন শিক্ষার্থী। সম্প্রতি প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যায়, অংশগ্রহণকারী ৯ জনের কেউই পাস করতে পারেনি। ফলে প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার শূন্যের কোঠায় নেমে আসে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এই প্রতিষ্ঠানে মোট ২৫ জন শিক্ষক দায়িত্ব পালন করছেন। এর মধ্যে শুধু আলিম স্তরেই পাঠদান করেন আটজন শিক্ষক, আর বাকিরা ফাজিল ও ইবতেদায়ি স্তরের। ২৫ জন শিক্ষকের অধীনে থেকেও এমন বিপর্যয়কর ফলাফলে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী। 

তাদের দাবি, শিক্ষার্থীদের এই ফল বিপর্যয়ের দায় কোনোভাবেই প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ এড়াতে পারে না। এজন্য দায়ী শিক্ষকদের বেতন-ভাতা বন্ধসহ প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবি জানান তারা।

ফল বিপর্যয়ের কারণ জানতে চাইলে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের পাঁচ-ছয়জন শিক্ষার্থী খুবই ভালো ছিল। তাদের ফলাফলও ভালো হবে বলে আমাদের প্রত্যাশা ছিল। কিন্তু এমন ফলাফলে আমরা সবাই হতাশ ও মর্মাহত। শিক্ষার্থীদের কেউ ইংরেজি, কেউ আরবি, আবার কেউ অন্যান্য বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছে। অভিভাবকদেরও কিছুটা দায় রয়েছে বলে মনে করি। আমরা অভিভাবক সমাবেশের আয়োজন করলেও সেখানে অভিভাবকদের তেমন উপস্থিতি থাকে না। বিষয়টি আমাদের প্রতিষ্ঠান ও এলাকাবাসীর জন্য অত্যন্ত দুঃখজনক।’

এ বিষয়ে বরুড়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এ কে এম জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘এটি নিয়ে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের সঙ্গে পর্যালোচনা সভা করা হবে। কেন এমন ফলাফল হলো, এর কারণ কী এবং এ অবস্থা থেকে উত্তরণের পথ কী, তা নিয়ে আলোচনা করা হবে।’

সূত্র: কালবেলা