|
| |
রবিবার, ০১ নভেম্বর, ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বত্ব © ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

সর্বশেষঃ

কলেজে ১৯ শিক্ষক, অথচ ২৪ শিক্ষার্থীর সবাই ফেল

গণমাধ্যম ডেক্স

গণমাধ্যম ডেক্স

প্রকাশ : ০১ নভেম্বর, ২০২৬, ০৭:০০ পিএম
৩০০ পঠিত
কলেজে ১৯ শিক্ষক, অথচ ২৪ শিক্ষার্থীর সবাই ফেল
যুক্ত থাকুন
সর্বশেষ খবরের জন্য ফলো করুন:
কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলায় ১৯ জন শিক্ষক থাকা সত্ত্বেও চরশৌলমারী আদর্শ মহিলা কলেজের মানবিক বিভাগ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া সব শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছে। শতভাগ শিক্ষার্থী ফেলের এই নজিরবিহীন বিপর্যয়ে এলাকায় তীব্র অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। স্থানীয়রা এ জন্য কলেজ কর্তৃপক্ষের চরম উদাসীনতাকে দায়ী করলেও অধ্...

কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলায় ১৯ জন শিক্ষক থাকা সত্ত্বেও চরশৌলমারী আদর্শ মহিলা কলেজের মানবিক বিভাগ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া সব শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছে। শতভাগ শিক্ষার্থী ফেলের এই নজিরবিহীন বিপর্যয়ে এলাকায় তীব্র অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। স্থানীয়রা এ জন্য কলেজ কর্তৃপক্ষের চরম উদাসীনতাকে দায়ী করলেও অধ্যক্ষ ফলাফল বিপর্যয়ের কারণ হিসেবে দাঁড় করাচ্ছেন বাল্যবিবাহকে।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়। প্রকাশিত ফলাফলের তথ্য অনুযায়ী, চরশৌলমারী আদর্শ মহিলা কলেজের মানবিক বিভাগ থেকে ২৪ পরীক্ষার্থী এ বছর পরীক্ষায় অংশ নেন। কিন্তু তাদের কেউই পাস করতে পারেননি।

এর আগে, ২০২৫ সালেও এই কলেজ থেকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ১৫ শিক্ষার্থীর কেউই পাস করতে পারেননি। অর্থাৎ, টানা দুই বছর ধরে প্রতিষ্ঠানটির ফলাফল শূন্যের কোঠায় রয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে চরশৌলমারী আদর্শ মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মো. হুমায়ুন কবীর বাল্যবিবাহকে এই ফলাফলের জন্য দায়ী করেন। অধ্যক্ষ কালবেলাকে বলেন, ‘২৪ শিক্ষার্থীদের মধ্যে ২২ শিক্ষার্থীর বিয়ে হয়েছে। এ কারণে ফলাফল বির্পযয় হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘বেতন-ভাতা না পেলেও আমাদের কলেজে নিয়মিত ক্লাস হয়। কিন্তু অভিভাবকদের সচেতনতার অভাবে অধিকাংশ শিক্ষার্থীর অল্প বয়সেই বিয়ে হয়ে যায়। স্বামীর সংসারে কাজকর্মের চাপে পরীক্ষার আগে তারা ঠিকমতো পড়াশোনা করতে পারে না। যার কারণে এই মর্মান্তিক ফলাফল এসেছে।’

কলেজটিতে ১৯ জন শিক্ষক কর্মরত থাকার পরও এমন ফলাফল বিপর্যয়ের বিষয়ে জানতে চাইলে রৌমারী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) আব্দুর রব কালবেলাকে বলেন, ‘বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। চরশৌলমারী আদর্শ মহিলা কলেজের শতভাগ ফেল করার বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখছি। কেন এই বিপর্যয় ঘটল এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের কোনো অবহেলা রয়েছে কি না, তা কৈফিয়ত চাইবো।’ 

সূত্র: কালবেলা