|
| |
রবিবার, ০১ নভেম্বর, ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বত্ব © ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

সর্বশেষঃ

শরীয়তপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় হুইপ অপুর বিশেষ অবদান রয়েছে: এমপি কিরণ

গণমাধ্যম ডেক্স

গণমাধ্যম ডেক্স

প্রকাশ : ০১ নভেম্বর, ২০২৬, ১০:১০ পিএম
৩৬৮ পঠিত
শরীয়তপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় হুইপ অপুর বিশেষ অবদান রয়েছে: এমপি কিরণ
যুক্ত থাকুন
সর্বশেষ খবরের জন্য ফলো করুন:
শরীয়তপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ ও অগ্রগতিতে জাতীয় সংসদের হুইপ এবং শরীয়তপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপুর বিশেষ অবদান রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন শরীয়তপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সভাপতি শফিকুর রহমান কিরণ। বিশ্ববিদ্যালয়টির স্থান নির্ধারণে হুইপ অপুর পছন্দ ও মতামত...

শরীয়তপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ ও অগ্রগতিতে জাতীয় সংসদের হুইপ এবং শরীয়তপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপুর বিশেষ অবদান রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন শরীয়তপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সভাপতি শফিকুর রহমান কিরণ।

বিশ্ববিদ্যালয়টির স্থান নির্ধারণে হুইপ অপুর পছন্দ ও মতামতকে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেছেন, বিশ্ববিদ্যালয়টি শরীয়তপুরে প্রতিষ্ঠার পেছনে অপুর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। এটি আমি কিংবা শরীয়তপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য নিয়ে আসেননি।

রোববার (১ নভেম্বর) বিকালে শরীয়তপুরের নড়িয়ায় সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন এমপি শফিকুর রহমান কিরণ।

তিনি বলেন, শরীয়তপুরের জন্য বরাদ্দ হওয়া পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়টি অন্য জেলাগুলোও পেতে চেয়েছিল। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়টি শরীয়তপুরে প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ ও প্রচেষ্টার পেছনে হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপুর বিশেষ অবদান রয়েছে। তাই তার অবদান স্বীকার করতে হবে এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার কাজ এগিয়ে নিতে তাকে সহযোগিতা করা সবার দায়িত্ব।

নিজের নির্বাচনী এলাকা নড়িয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্নের জবাবে কিরণ বলেন, শরীয়তপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে স্বাভাবিকভাবেই আমি চাইব বিশ্ববিদ্যালয়টি আমার এলাকায় প্রতিষ্ঠিত হোক। তবে এ নিয়ে অন্য এলাকার সঙ্গে বিরোধ, প্রতিযোগিতা কিংবা প্রতিরোধের পরিবেশ তৈরি করা উচিত নয়।

তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়টি কোনো নির্দিষ্ট উপজেলা বা এলাকার একক সম্পদ নয়, এটি পুরো শরীয়তপুর জেলার মানুষের সম্পদ। এর সঙ্গে জেলার ভবিষ্যৎ প্রজন্মের উচ্চশিক্ষা, গবেষণা ও অর্থনৈতিক অগ্রগতির বিষয় জড়িত। তাই স্থান নির্ধারণে ব্যক্তিগত কিংবা নির্বাচনী এলাকার স্বার্থের চেয়ে জেলার সামগ্রিক স্বার্থকে প্রাধান্য দিতে হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থান নির্বাচনে সমন্বিত আলোচনার ওপর গুরুত্বারোপ করে এমপি কিরণ বলেন, শরীয়তপুরের তিন সংসদ সদস্য, জেলা প্রশাসক এবং স্থানীয় নেতৃবৃন্দ একসঙ্গে বসে আলোচনা করে সবচেয়ে উপযুক্ত স্থান নির্ধারণ করতে পারেন। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সবার মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।

তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য শুধু পর্যাপ্ত জমি থাকলেই হবে না, শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের সুবিধা, যোগাযোগব্যবস্থা, আবাসন, শিক্ষা ও গবেষণার পরিবেশ, অবকাঠামো নির্মাণ এবং ভবিষ্যতে ক্যাম্পাস সম্প্রসারণের সুযোগও বিবেচনায় নিতে হবে। বিশেষ করে সাধারণ ও মধ্যবিত্ত পরিবারের শিক্ষার্থীদের যাতায়াত ব্যয়, টিউশনি বা খণ্ডকালীন কাজের সুযোগ এবং আশপাশের জনবসতির বিষয়গুলোও গুরুত্বের সঙ্গে দেখতে হবে।

দলীয় নেতাদের মধ্যে মতপার্থক্য বা বিরোধের আশঙ্কা নাকচ করে তিনি বলেন, তারা সবাই একই দলের। জেলার উন্নয়নের স্বার্থে জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের মধ্যে ঐক্য থাকা জরুরি। হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু যে শ্রম ও প্রচেষ্টা দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়টি শরীয়তপুরে প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করছেন, তাকে বাধাগ্রস্ত না করে সহযোগিতা করা উচিত।

কিরণ বলেন, কোনো উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ে নিজেদের মধ্যে বিরোধ তৈরি হলে জেলার উন্নয়নই বাধাগ্রস্ত হবে। কাউকে ছোট করা কিংবা কৃতিত্বের প্রতিযোগিতায় না গিয়ে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। শরীয়তপুরের জন্য আরও উন্নয়ন প্রকল্প ও গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান নিয়ে আসতে হলে জনপ্রতিনিধিদের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও আস্থা প্রয়োজন।

সূত্র: কালবেলা