|
| |
সোমবার, ০২ নভেম্বর, ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বত্ব © ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

সর্বশেষঃ

দেউলিয়া হচ্ছে এআই প্রতিষ্ঠান, ঝুঁকিতে ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত তথ্য

গণমাধ্যম ডেক্স

গণমাধ্যম ডেক্স

প্রকাশ : ০১ নভেম্বর, ২০২৬, ১০:০৮ পিএম
১৯৩ পঠিত
দেউলিয়া হচ্ছে এআই প্রতিষ্ঠান, ঝুঁকিতে ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত তথ্য
যুক্ত থাকুন
সর্বশেষ খবরের জন্য ফলো করুন:
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই চ্যাটবটের সঙ্গে ব্যক্তিগত কথা, সম্পর্ক কিংবা গোপন তথ্য ভাগ করে নেওয়া এখন অনেকের অভ্যাস। কিন্তু এসব তথ্য জমা রাখা প্রতিষ্ঠানই যদি দেউলিয়া হয়ে যায়, তাহলে কী হবে?  বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এআই প্রতিষ্ঠান ক্যারেক্টার ডট এআইয়ের সংকট সামনে এনেছে এমনই এক গোপনীয়তার ঝুঁকি। প্...

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই চ্যাটবটের সঙ্গে ব্যক্তিগত কথা, সম্পর্ক কিংবা গোপন তথ্য ভাগ করে নেওয়া এখন অনেকের অভ্যাস। কিন্তু এসব তথ্য জমা রাখা প্রতিষ্ঠানই যদি দেউলিয়া হয়ে যায়, তাহলে কী হবে? 

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এআই প্রতিষ্ঠান ক্যারেক্টার ডট এআইয়ের সংকট সামনে এনেছে এমনই এক গোপনীয়তার ঝুঁকি। প্রতিষ্ঠানটির ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত তথ্য ও কথোপকথন বিক্রির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

ক্যারেক্টার ডট এআইয়ের চ্যাটবটের সঙ্গে কয়েক কোটি মানুষ সম্পর্ক গড়ে তুলেছেন। তাদের মধ্যে শিশুরাও রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির কিছু চ্যাটবট নিজেদের আইনজীবী ও লাইসেন্সপ্রাপ্ত মনোরোগ বিশেষজ্ঞ হিসেবেও পরিচয় দিয়েছে। এখন প্রতিষ্ঠানটি দেউলিয়া হওয়ার পথে। ফলে ব্যবহারকারীদের তথ্য অপরিচিত কোনো প্রতিষ্ঠানের হাতে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের ইলেকট্রনিক প্রাইভেসি ইনফরমেশন সেন্টারের (ইপিক) এআই ও মানবাধিকার কর্মসূচির পরিচালক ক্যালি শ্রোডার বলেন, ব্যক্তিরূপ দেওয়া চ্যাটবটের সঙ্গে কথা বলার সময় মানুষ অনেক বেশি ব্যক্তিগত ও সংবেদনশীল তথ্য প্রকাশ করেন।

এমনকি বন্ধু বা পরিবারের সদস্যদের গোপন তথ্যও কথোপকথনে চলে আসে। ফলে যারা কখনো ওই সেবা ব্যবহার করেননি, তাদের তথ্যও পরোক্ষভাবে অন্যের কথোপকথনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের কাছে জমা হতে পারে।

দেউলিয়া হওয়ার প্রক্রিয়ায় ক্যারেক্টার ডট এআইয়ের কিছু সম্পদ ২ কোটি ডলারে ডিজনির কাছে বিক্রির চুক্তি হয়েছে। তবে এতে ব্যবহারকারীদের তথ্য অন্তর্ভুক্ত নয়।

আদালতের নথি অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানটি অন্য ক্রেতার কাছে এসব তথ্য বিক্রি করতে পারে। এ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ৪০টি অঙ্গরাজ্যের অ্যাটর্নি জেনারেল আদালতের কাছে শিশু সুরক্ষা ও তথ্যের গোপনীয়তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন।

বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, এআই খাতে বড় ধরনের অর্থনৈতিক সংকট দেখা দিলে আরও অনেক প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যেতে পারে। তখন কোটি কোটি মানুষের ব্যক্তিগত তথ্য দেউলিয়া প্রতিষ্ঠানের সম্পদ হিসেবে বিক্রির ঝুঁকিতে পড়বে।

এ পরিস্থিতিতে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, যেসব এআই সেবা আর ব্যবহার করা হচ্ছে না, সেগুলো  থেকে ব্যক্তিগত তথ্য মুছে ফেলা উচিত। এ জন্য প্রতিষ্ঠানের প্রাইভেসি সেটিংস, গোপনীয়তা নীতিমালা কিংবা গ্রাহকসেবা বিভাগের সহায়তা নেওয়া যেতে পারে। পাশাপাশি এআই চ্যাটবটে সংবেদনশীল তথ্য দেওয়ার আগে তা কীভাবে ব্যবহৃত হতে পারে, সে বিষয়ে সতর্ক থাকা জরুরি।
  
সূত্র: বিবিসি

সূত্র: কালবেলা