|
| |
সোমবার, ০২ নভেম্বর, ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বত্ব © ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

সর্বশেষঃ

উদ্যোক্তাদের মহা-মিলনমেলায় দেশের প্রথম ‘সুখের শহর হ্যাপিলি’র মহাপরিকল্পনা উন্মোচন

গণমাধ্যম ডেক্স

গণমাধ্যম ডেক্স

প্রকাশ : ০২ নভেম্বর, ২০২৬, ০৭:০৪ পিএম
৩২৯ পঠিত
উদ্যোক্তাদের মহা-মিলনমেলায় দেশের প্রথম ‘সুখের শহর হ্যাপিলি’র মহাপরিকল্পনা উন্মোচন
যুক্ত থাকুন
সর্বশেষ খবরের জন্য ফলো করুন:
ইট-পাথরের শহরে দামি বাড়ি আর উঁচু ভবনের ভিড়ে হারিয়ে যাওয়া ‘সুখ’ ফিরিয়ে আনতে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো নির্মিত হতে যাচ্ছে পরিকল্পিত সুখের শহর ‘হ্যাপিলি’। ‘মানি ক্যান’ট বায় হ্যাপিনেস, অ্যা সিটি ক্যান’, এই যুগান্তকারী দর্শনকে ধারণ করে ৩১ অক্টোবর রাজধানীর ফোর্টিসের উন্মুক্ত মাঠে অনুষ্ঠিত ‘ব্রেভ ফ্যামিলি ড...

ইট-পাথরের শহরে দামি বাড়ি আর উঁচু ভবনের ভিড়ে হারিয়ে যাওয়া ‘সুখ’ ফিরিয়ে আনতে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো নির্মিত হতে যাচ্ছে পরিকল্পিত সুখের শহর ‘হ্যাপিলি’। ‘মানি ক্যান’ট বায় হ্যাপিনেস, অ্যা সিটি ক্যান’, এই যুগান্তকারী দর্শনকে ধারণ করে ৩১ অক্টোবর রাজধানীর ফোর্টিসের উন্মুক্ত মাঠে অনুষ্ঠিত ‘ব্রেভ ফ্যামিলি ডে ২০২৬’ উৎসবে শহরটির মহাপরিকল্পনা আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মোচন করা হয়।

কোচ কাঞ্চন একাডেমির আয়োজনে এই বর্ণাঢ্য উৎসবে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত হাজারো সফল উদ্যোক্তা ও তাদের পরিবার অংশ নেন। ব্রেভ-এর ইতিহাসে প্রথমবারের মতো আয়োজিত এই পারিবারিক মিলনমেলায় উদ্যোক্তাদের জন্য একটি এক্সক্লুসিভ আবাসন ও পেশাদার নেটওয়ার্কিং হাব হিসেবে ‘ব্রেভ ভ্যালি’-এর রূপরেখাও পেশ করা হয়।

অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ, বাংলাদেশের প্রথম সার্টিফাইড হ্যাপিনেস কোচ ও বেস্টসেলার লেখক কোচ কাঞ্চন তার বিশেষ সেশনে বলেন, ‘ব্যবসায়িক সাফল্যের চূড়ান্ত সার্থকতা লুকিয়ে আছে একটি সুখী পরিবার ও মানসিক প্রশান্তির মধ্যে।’

তিনি আধুনিক করপোরেট জীবনে সাহসী সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং পরস্পরকে এগিয়ে নেওয়ার মাধ্যমে সামগ্রিক সামাজিক সুখ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

উৎসবে শিশুদের সৃজনশীলতা বিকাশে ‘আঁকি আমার সুখের শহর’ ও ‘লিখি আমার সুখের শহর’ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়, যেখানে নতুন প্রজন্ম তাদের স্বপ্নের সবুজ ও নিরাপদ শহরের চিত্র ফুটিয়ে তোলে। পাশাপাশি, দিনব্যাপী আয়োজনে ছিল পারিবারিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, আকর্ষণীয় করপোরেট সেশন এবং ইসলামিক সাংস্কৃতিক পরিবেশনা।

উদ্যোগটির সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে ‘জিতাও ফাউন্ডেশন’-এর ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাও এখানে ঘোষণা করা হয়। ‘আজ আপনি কাকে জিতিয়েছেন?’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ফাউন্ডেশনটি শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পরিবেশ রক্ষায় দেশব্যাপী বিশেষ প্রকল্প পরিচালনার ঘোষণা দেয়।

‘সবাই সবার হাত বাড়াই, জিতিয়ে দিয়ে জিতবো সবাই’, এই সম্মিলিত সামাজিক প্রত্যয় ও আশাবাদের মধ্য দিয়ে সমাপ্তি ঘটে দেশের ব্যবসা খাতের অন্যতম বৃহৎ ও ব্যতিক্রমী এই পারিবারিক উৎসবের।

সূত্র: নতুন আরএসএস সোর্স