|
| |
বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর, ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বত্ব © ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

সর্বশেষঃ

কৃষিপণ্যে আমদানিনির্ভরতা কমিয়ে রপ্তানিমুখী হবে সরকার: কৃষিমন্ত্রী

গণমাধ্যম ডেক্স

গণমাধ্যম ডেক্স

প্রকাশ : ০৫ নভেম্বর, ২০২৬, ০৮:১৯ পিএম
৪৪৮ পঠিত
কৃষিপণ্যে আমদানিনির্ভরতা কমিয়ে রপ্তানিমুখী হবে সরকার: কৃষিমন্ত্রী
যুক্ত থাকুন
সর্বশেষ খবরের জন্য ফলো করুন:
কৃষিপণ্যে আমদানিনির্ভরতা কমিয়ে দেশকে কৃষি উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ করার পাশাপাশি রপ্তানিমুখী হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করছে সরকার বলে জানিয়েছেন কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।  তিনি বলেন, যেসব কৃষিপণ্য আমদানি করতে হয়, সেগুলোর দেশীয় উৎপাদন বাড়িয়ে পর্যায়ক্রমে আমদানিনির্ভরতা থেকে বে...

কৃষিপণ্যে আমদানিনির্ভরতা কমিয়ে দেশকে কৃষি উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ করার পাশাপাশি রপ্তানিমুখী হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করছে সরকার বলে জানিয়েছেন কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। 

তিনি বলেন, যেসব কৃষিপণ্য আমদানি করতে হয়, সেগুলোর দেশীয় উৎপাদন বাড়িয়ে পর্যায়ক্রমে আমদানিনির্ভরতা থেকে বেরিয়ে আসার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার আম ও লিচুবাগান, আধুনিক পদ্ধতিতে আদা উৎপাদন এলাকা এবং বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিএমডিএ) সেচ প্রকল্প পরিদর্শনকালে এসব কথা বলেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, কৃষকের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা এবং কৃষিকে আমদানিনির্ভরতা থেকে রপ্তানিমুখী খাতে রূপান্তর করাই সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ অঞ্চলের কৃষকেরা অত্যন্ত পরিশ্রমী। কৃষির প্রতি তাদের আন্তরিকতা ও আগ্রহ প্রশংসনীয়। এ অঞ্চলে আম উৎপাদনের পাশাপাশি ধান ও সবজি চাষেও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে।

তিনি বলেন এ অঞ্চলের কৃষির সম্ভাবনাকে আরও কাজে লাগাতে আমবাগানের গাছের মধ্যবর্তী অব্যবহৃত জমিতে আদা চাষ সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হবে। দেশে প্রতিবছর প্রায় দেড় লাখ টন আদা আমদানি করতে হয়। আমবাগানের ফাঁকা জায়গায় আদা চাষ করা গেলে একদিকে আমদানিনির্ভরতা কমবে অন্যদিকে কৃষকের বাড়তি আয়ের সুযোগ তৈরি হবে। এ জন্য মাটির উপযোগিতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে কৃষি কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

ভূগর্ভস্থ পানির ওপর চাপ কমাতে নদীর পানি সেচকাজে ব্যবহারের উদ্যোগ সম্প্রসারণ করা হবে বলে জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, এ লক্ষ্যে একটি বড় প্রকল্প ইতোমধ্যে তার কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে। প্রকল্পটি অনুমোদনের পর প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পাঠানো হয়েছে।

রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ অঞ্চলে আম সংরক্ষণের জন্য কোল্ড স্টোরেজ স্থাপনের সম্ভাবনা নিয়েও কাজ চলছে বলে জানান তিনি। মন্ত্রী বলেন, আমের সংরক্ষণকাল বাড়ানো গেলে মৌসুমে বাজারে অতিরিক্ত সরবরাহের কারণে দাম অস্বাভাবিকভাবে কমে যাওয়ার প্রবণতা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে। এতে কৃষকরা তাদের উৎপাদিত আমের ন্যায্যমূল্য পাবেন।

পেঁয়াজ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের অগ্রগতির কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন আদা, রসুন ও বর্ষাকালীন টমেটোর উৎপাদন বাড়াতেও সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। আগামী মৌসুম থেকে বর্ষাকালীন টমেটো চাষ সম্প্রসারণে উদ্যোগ নেওয়া হবে।

সফরকালে মন্ত্রী চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার ঝিলিম ইউনিয়নের হোসেনডাঙ্গায় রোপা আমন ধান কাটার কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। এসময় স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিএমডিএর প্রতিনিধি এবং কৃষকরা উপস্থিত ছিলেন।

সূত্র: নতুন আরএসএস সোর্স