|
| |
রবিবার, ০১ নভেম্বর, ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বত্ব © ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

সর্বশেষঃ

ফ্লাভিও বলসোনারোর যুক্তরাষ্ট্রে পালাতে সহায়তা করেনি ট্রাম্প প্রশাসন: রুবিও

গণমাধ্যম ডেক্স

গণমাধ্যম ডেক্স

প্রকাশ : ০১ নভেম্বর, ২০২৬, ০৫:৪৮ পিএম
৩৪৫ পঠিত
ফ্লাভিও বলসোনারোর যুক্তরাষ্ট্রে পালাতে সহায়তা করেনি ট্রাম্প প্রশাসন: রুবিও
যুক্ত থাকুন
সর্বশেষ খবরের জন্য ফলো করুন:
ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে পরাজয়ের পর দেশ ছেড়ে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়া ফ্লাভিও বলসোনারোকে পালাতে ট্রাম্প প্রশাসন কোনো ধরনের সহায়তা করেনি বলে জানিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। শনিবার (৩১ অক্টোবর) যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের আটলান্টায় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন তিনি।...

ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে পরাজয়ের পর দেশ ছেড়ে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়া ফ্লাভিও বলসোনারোকে পালাতে ট্রাম্প প্রশাসন কোনো ধরনের সহায়তা করেনি বলে জানিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের আটলান্টায় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন তিনি। সেখানে বিশ্বের বৃহৎ ২০ অর্থনীতির দেশগুলোর জোট জি-২০-এর কূটনীতিকদের বৈঠক চলছিল। খবর আল জাজিরার।

রুবিও বলেন, আমরা কোনো কিছুতেই সহায়তা করিনি। আমরা জানতে পেরেছি, তিনি যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছেছেন। এর আগে তার ভিসা ছিল এবং প্রেসিডেন্ট তাকে দেশে প্রবেশের অনুমতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, বলসোনারোর ব্রাজিল ছাড়ার কোনো পদক্ষেপে মার্কিন সরকার সরাসরি জড়িত ছিল না।

গত ২৫ অক্টোবর ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভার কাছে পরাজিত হন ফ্লাভিও বলসোনারো। ২৮ অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার মায়ামিতে পৌঁছান তিনি। এর আগের দিন মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানায়, বলসোনারো ও তার পরিবারের সদস্যদের যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা দেওয়া হবে।

ব্রাজিলে দুর্নীতি, অর্থপাচার ও কর ফাঁকির অভিযোগে তদন্তের মুখে রয়েছেন ফ্লাভিও। দেশ ছাড়ার আগে তাকে পাসপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। পুলিশের আশঙ্কা ছিল, তিনি দেশ ছেড়ে পালাতে পারেন।

এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, বলসোনারো যুক্তরাষ্ট্রে যত দিন ইচ্ছা থাকতে পারবেন। শনিবার ফ্লোরিডায় সাংবাদিকদের তিনি বলেন, বলসোনারোর সঙ্গে অন্যায় আচরণ করা হয়েছে।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মানবিক বিবেচনায় বিশেষ প্রবেশ অনুমতি বা ‘হিউম্যানিটারিয়ান প্যারোল’-এর আওতায় যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেছেন বলসোনারো। এ ধরনের অনুমতির মেয়াদ সাধারণত এক বছর।

নির্বাচনের ফল মেনে নিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে ভোটে কারচুপির অভিযোগ করেছেন বলসোনারো। তবে এ অভিযোগের পক্ষে কোনো প্রমাণ দেননি তিনি। যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছে নিজেকে ব্রাজিলের প্রকৃত নেতা বলেও দাবি করেছেন।

এ ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রাজিলের মধ্যকার কূটনৈতিক সম্পর্কে নতুন করে টানাপড়েনের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

সূত্র: আল জাজিরা
  
 

সূত্র: কালবেলা