|
| |
রবিবার, ০৮ নভেম্বর, ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বত্ব © ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

সর্বশেষঃ

বক্তব্যে শহীদ জিয়ার নাম না বলায় ক্ষোভ, দুঃখ প্রকাশ শিক্ষা কর্মকর্তার

গণমাধ্যম ডেক্স

গণমাধ্যম ডেক্স

প্রকাশ : ০৮ নভেম্বর, ২০২৬, ১২:১৬ পিএম
২৪৯ পঠিত
বক্তব্যে শহীদ জিয়ার নাম না বলায় ক্ষোভ, দুঃখ প্রকাশ শিক্ষা কর্মকর্তার
যুক্ত থাকুন
সর্বশেষ খবরের জন্য ফলো করুন:
নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নাম উল্লেখ করেননি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হাসান মোহাম্মদ জুনায়েদ। এ নিয়ে অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ ও উত্তেজনা দেখা দেয়। পরে নিজের বক্তব্যের বিষয়ে দুঃখ প্রকাশ...
নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নাম উল্লেখ করেননি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হাসান মোহাম্মদ জুনায়েদ। এ নিয়ে অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ ও উত্তেজনা দেখা দেয়। পরে নিজের বক্তব্যের বিষয়ে দুঃখ প্রকাশ করেন ওই কর্মকর্তা। শনিবার (৭ নভেম্বর) মোহনগঞ্জ অডিটোরিয়াম কাম মাল্টিপারপাস হলরুমে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভার অনুষ্ঠানে এ ঘটনা ঘটে। অনুষ্ঠানের একপর্যায়ে স্বাগত বক্তব্য দেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হাসান মোহাম্মদ জুনায়েদ। তার পুরো বক্তব্যে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নাম উল্লেখ না করায় উপস্থিত বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেয়। একপর্যায়ে তারা ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানাতে শুরু করেন। এতে হল রুমে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি বুঝতে পেরে আসন ছেড়ে আবার মঞ্চে যান ওই শিক্ষা কর্মকর্তা। এ সময় তিনি তার বক্তব্যের বিষয়ে দুঃখ প্রকাশ করেন এবং সাত নভেম্বরের তাৎপর্য ও জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বের বিষয়টি তুলে ধরেন। পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আমেনা খাতুন, মোহনগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুল ইসলাম হারুন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি সেলিম কার্নায়েন, সাধারণ সম্পাদক গোলাম এরশাদুর রহমানসহ উপজেলা ও পৌর বিএনপির নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারাও অনুষ্ঠানে অংশ নেন। উপজেলা বিএনপির সভাপতি সেলিম কার্নায়েন বলেন, ‘বক্তব্যে জিয়াউর রহমানের নাম উল্লেখ না করায় উপস্থিত নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে বিষয়টি উপলব্ধি করে শিক্ষা কর্মকর্তা দুঃখ প্রকাশ করলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।’ এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হাসান মোহাম্মদ জুনায়েদ বলেন, ‘আমাকে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দিতে বলা হয়েছিল। আগে থেকে কোনো লিখিত বক্তব্য বা স্ক্রিপ্ট প্রস্তুত ছিল না। তাৎক্ষণিকভাবে বক্তব্য দেওয়ায় আলোচ্য প্রসঙ্গে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নাম আসেনি।’ তিনি বলেন, ‘বক্তব্য শেষে একজন এসে মঞ্চে বসা ইউএনওর কাছে এ বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। দর্শক সারিতে কয়েকজন উত্তেজিত হয়ে পড়েন। পরে আবার বক্তব্য দিয়ে বিষয়টি পরিষ্কার করি। এ সময় সাত নভেম্বরের তাৎপর্য এবং জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বের বিষয়টি তুলে ধরলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।’ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আমেনা খাতুন বলেন,  ‘শিক্ষা কর্মকর্তা তার বক্তব্যে জিয়াউর রহমানের নাম না নেওয়ায় উপস্থিত নেতাকর্মীরা ক্ষুব্ধ হয়েছিলেন। লিখিত বক্তব্য না থাকায় এমনটা হয়েছে। ওই বিষয়টা সেখানেই সুরাহা হয়েছে।’

সূত্র: নতুন আরএসএস সোর্স