|
| |
বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর, ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বত্ব © ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

সর্বশেষঃ

মিগেলের মৃত্যু শোকে জাতীয় দল থেকেই সরে দাঁড়ালেন সেই গোলরক্ষক

গণমাধ্যম ডেক্স

গণমাধ্যম ডেক্স

প্রকাশ : ০৫ নভেম্বর, ২০২৬, ০৪:৩৪ পিএম
১৭৬ পঠিত
মিগেলের মৃত্যু শোকে জাতীয় দল থেকেই সরে দাঁড়ালেন সেই গোলরক্ষক
যুক্ত থাকুন
সর্বশেষ খবরের জন্য ফলো করুন:
মাঠের সংঘর্ষে প্রতিপক্ষ দলের ফরোয়ার্ড হেসুস দে মিগেলের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন ইকুয়েটোরিয়াল গিনির গোলকিপার হেসুস ওউয়োনো। শোক ও মানসিক আঘাত সামলে উঠতে না পেরে জাতীয় দল থেকে সাময়িকভাবে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ২৫ বছর বয়সি এই গোলরক্ষক। চলতি মাসে আফ্রিকা কাপ অব নেশন্সের বা...

মাঠের সংঘর্ষে প্রতিপক্ষ দলের ফরোয়ার্ড হেসুস দে মিগেলের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন ইকুয়েটোরিয়াল গিনির গোলকিপার হেসুস ওউয়োনো। শোক ও মানসিক আঘাত সামলে উঠতে না পেরে জাতীয় দল থেকে সাময়িকভাবে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ২৫ বছর বয়সি এই গোলরক্ষক।

চলতি মাসে আফ্রিকা কাপ অব নেশন্সের বাছাইপর্বে দলের হয়ে খেলবেন না তিনি। আজ বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) এক বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ইকুয়েটোরিয়াল গিনি ফুটবল ফেডারেশন।

গত সোমবার স্প্যানিশ দ্বিতীয় বিভাগের ম্যাচে আন্দোরা ও তেনেরিফের মুখোমুখি লড়াইয়ে ঘটে মর্মান্তিক এই ঘটনাটি। ম্যাচ চলাকালে বল দখলের চেষ্টায় আন্দোরার গোলরক্ষক ওউয়োনোর সঙ্গে সংঘর্ষ হয় তেনেরিফের ফরোয়ার্ড দে মিগেলের। গুরুতর আহত অবস্থায় দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয় তাকে। নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন থাকার পর মঙ্গলবার সকালে মারা যান এই ফুটবলার।

ইকুয়েটোরিয়াল গিনির ফুটবলে দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছেন ওউয়োনো। কৈশোর থেকেই জাতীয় দলের গোলপোস্ট সামলানো এই গোলরক্ষক গত তিনটি আফ্রিকা কাপ অব নেশন্সেও ছিলেন দলের প্রথম পছন্দ। ২০২৭ সালের আসরের বাছাইপর্বের প্রথম দুই ম্যাচেও খেলেছিলেন তিনি।

তবে সতীর্থের এমন মর্মান্তিক মৃত্যুর পর আপাতত ফুটবল থেকে দূরে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ওউয়োনো। ফলে আগামী ১২ নভেম্বর নিজেদের মাঠে এবং ১৬ নভেম্বর হারারেতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ফিরতি লেগের ম্যাচে তাকে পাচ্ছে না ইকুয়েটোরিয়াল গিনি।

বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক আবেগঘন বার্তায় নিজের মানসিক অবস্থার কথা তুলে ধরেন ওউয়োনো। তিনি জানান, জীবনের সবচেয়ে কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন এবং ঘটে যাওয়া ঘটনাটি মেনে নেওয়া তার জন্য অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে।

ওউয়োনো লেখেন, এই মুহূর্তে কীভাবে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করবেন, তা খুঁজে পাচ্ছেন না তিনি। ঘটনাটি নিয়ে নানা প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হলেও যথাযথ সম্মান বজায় রেখে সেসবের জবাব দেবেন। তবে এখন তার চিন্তাজুড়ে শুধুই মিগেল ও তাকে হারানোর অসহনীয় বেদনা। বার্তার শেষে প্রয়াত ফুটবলারের আত্মার শান্তি কামনা করেন তিনি।

এদিকে মিগেলের মৃত্যুর পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র সমালোচনা ও হয়রানির শিকার হতে হয়েছে ওউয়োনোকে। তার পোস্টে অনেকে আক্রমণাত্মক মন্তব্য করার পাশাপাশি ‘খুনি’ বলেও আখ্যা দেন। এমন পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট নিষ্ক্রিয় করে দেন তিনি।

এই কঠিন সময়ে গোলরক্ষকের পাশে দাঁড়িয়েছে ইকুয়েটোরিয়াল গিনি ফুটবল ফেডারেশন। মঙ্গলবার প্রকাশিত বিবৃতিতে ওউয়োনোর প্রতি পূর্ণ সমর্থন ও সহমর্মিতা প্রকাশ করেছে সংস্থাটি। একই সঙ্গে জানিয়েছে, তরুণ এই গোলরক্ষক বর্তমানে গভীর শোক ও তীব্র মানসিক আঘাতের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন।

সূত্র: নতুন আরএসএস সোর্স