|
| |
বুধবার, ০৪ নভেম্বর, ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বত্ব © ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

সর্বশেষঃ

মিথ্যা মামলা করায় বাদীকে ৭ দিনের কারাদণ্ড

গণমাধ্যম ডেক্স

গণমাধ্যম ডেক্স

প্রকাশ : ০৪ নভেম্বর, ২০২৬, ০৪:৫৪ এএম
৩৪২ পঠিত
মিথ্যা মামলা করায় বাদীকে ৭ দিনের কারাদণ্ড
যুক্ত থাকুন
সর্বশেষ খবরের জন্য ফলো করুন:
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে (চৌকি) মিথ্যা মামলা দায়েরের অভিযোগে মোছা. নুরহাত জাহান নামে এক নারীকে সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে মামলার তিন আসামির বিরুদ্ধে জারি করা গ্রেফতারি পরোয়ানা প্রত্যাহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে গোবিন্দগঞ্জ চৌকি আদালতের সিনিয়র জুডিস...

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে (চৌকি) মিথ্যা মামলা দায়েরের অভিযোগে মোছা. নুরহাত জাহান নামে এক নারীকে সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে মামলার তিন আসামির বিরুদ্ধে জারি করা গ্রেফতারি পরোয়ানা প্রত্যাহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে গোবিন্দগঞ্জ চৌকি আদালতের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এস.এম গালিব হাসান এ আদেশ দেন। 

গোবিন্দগঞ্জ চৌকি আদালতের মোছা. নুরহাত জাহান লিজার দায়ের করা মামলার শুনানি ৩ নভেম্বর গোবিন্দগঞ্জ চৌকি আদালতে অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় বাদীর দাখিল করা জন্মসনদ এবং আসামি তৌফিক হাসানের সঙ্গে বিয়ের প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপিত কাবিননামায় একাধিক অসংগতি নজরে আসে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এস এম গালিব হোসেনের।

আদালতের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, কাবিননামায় কাজির স্বাক্ষর না থাকা এবং ১৫নং কলামে দেনমোহরের পরিমাণ অঙ্কে ২০ হাজার টাকা লেখা থাকলেও কথায় লেখা ছিল দুই হাজার টাকা। এসব অসংগতির কারণে কাবিননামাটির গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে ম্যাজিস্ট্রেট এস এম গালিব হোসেন নথিপত্র পর্যালোচনা করে প্রতারণার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে মামলাটি খারিজ করেন।

পাশাপাশি আসামি মো. তৌফিক হাসান (২১), মো. আনোয়ার হোসেন (৫০) ও মোছা. টপি বেগমের (৪৫) বিরুদ্ধে জারি করা গ্রেফতারি পরোয়ানা প্রত্যাহারের নির্দেশ দেন। মামলায় দাখিলকৃত নথি জাল ও ত্রুটিপূর্ণ হওয়ায় সংশ্লিষ্ট আইনজীবী মো. আব্দুর রশিদকে প্রাথমিকভাবে সতর্ক করা হয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের কাজে জড়িত না হওয়ার শর্তে তার বিষয়টি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখা হয়েছে। 

গোবিন্দগঞ্জ চৌকি আদালতের এপিপি মো. সাজ্জাদ হোসেন জানান, মামলার নথিপত্রে জাল কাগজপত্র প্রমাণিত হওয়ায় বিজ্ঞ আদালত বাদীকে সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে। এ ধরনের কাজ কোর্টে চলমান থাকলে বিচারপ্রার্থী মানুষ বিভ্রান্ত হবে। এপিপি হিসেবে আমার মতে বিজ্ঞ আদালত কাজটি সঠিক করেছে। 

মামলার আসামি তৌফিক জানান, বিজ্ঞ আদালত কাগজপত্র দেখে নির্দেশে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়ায় আমি খুশি।

মিথ্যা মামলা দায়ের করার অভিযোগে বাদী মোছা. নুরহাত জাহান লিজাকে সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। একইসঙ্গে সাজা পরোয়ানার মাধ্যমে তাকে গাইবান্ধা জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। 

সূত্র: কালবেলা